পাতা:বিশ্বকোষ পঞ্চম খণ্ড.djvu/১১৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


খুলনা জেলার সদর খুলনা সহয় । এই সহরে আসিয়া মধ্যবাঙ্গাল cग्रण stग्न ८लद श्रेब्रां८झ । পদ্মা ও ব্রহ্মপুত্র একদিকে, অপর দিকে ভাগীরথী এই উভয়ের মধ্যস্থলে ঈষদক্ষিণ ঘেঁসিয়া অসমান চতুরস্রাকারে খুলনা জেলা অবস্থিত। ইহাতে মদী খাল বিল যথেষ্ট । সমস্ত জেলাকে অবস্থা ভেদে প্রধান তিনটাভাগে বিভক্ত করা যায়—উত্তরপূৰ্ব্ব বিভাগ যশোর জেলার সীমা হইতে বাঘেরহাট পর্য্যন্ত– এথানে জমী নাখাল, অনেক জল৷ জমীও আছে । দক্ষিণবিভাগ-খুলনা-সুন্দরবন, এদিকে কেবল নদী অার জলা, আর মধ্যে মধ্যে জলা জমী। এদিকে সামান্ত পরিমাণে চাষ বাস হয়, মানবের রীতিমত বসতি নাই । উত্তরপশ্চিম বিতাগের জমী বেশ উচ্চ, বসবাস ভাল। এদিকে থর্জ,রের বাগান ও ধান্তক্ষেত্র খুব বেশী। এদিকের খর্জুয়রসে গুড় অতি উৎকৃষ্ট হয় এবং চিনি নানাদেশে রপ্তানি হইয়া থাকে। পূৰ্ব্বাঞ্চলের জমীই বসবাসের পক্ষে বেশী উপযোগী, নদীর তীরেই ঘন বসতি । এখানে মধুমতী (এই জেলার পুৰ্ব্ব সীমা), ভৈরব, কপে৮ তাক্ষ, ভদ্রা, আঠারবাকা, যমুনা, ইচ্ছামতী, গলঘলিয়া, বঁাশজলা ও শিবসা নদীই প্রধান। নদীতীরের জমী কিছু উচ্চ । ১৮৮২ খৃষ্টাব্দের পূর্বে খুলনা স্বতন্ত্র জেলা ছিল না । পূৰ্ব্বে খুলনা যশোর জেলার একটা উপবিভাগ ছিল। তৎপরে ২৪ পরগণা হইতে সাতক্ষীরা উপবিভাগ এবং যশোর হইতে বাঘেরহাট নামক অপর উপবিভাগ লইয়া খুলনার সহিত একত্র আর একটা নুতন জেলা স্বই হইয়াছে। যশোর ও নদীয়ার শাসনকার্য্যের সুবন্দোবস্ত করিবার জন্তই এই ব্যবস্থা হয়। যশোর হইতে দুইট উপবিভাগ স্বতন্ত্র করিয়া নদীয়া জেলার ভার কমাইবার জষ্ঠ তাহা হইতে বনগী উপবিভাগটা লইয়া যশোর জেলাভূক্ত করা হইয়াছে, বস্তুতঃ বনগা ভৌগোলিক অবস্থিতি-অনুসারে ধশোরের মধ্যে হওয়ার সুবিধা হইয়াছে। ১৮৮২ সালের ১লা জুন তারিখে এই সকল পরিবর্তন হয় । খুলনায় অন্যান্য জেলার দ্যার মুন্সেফি, সব জজ, জজ, মজিষ্ট্রেট, জয়েন্ট ম্যাজিষ্ট্রেট, কালেক্টার, জেলার পুলিস অধ্যক্ষ, জেল, সিভিল সার্জন আছে। এই জেলায় ১৩টা থান, ১১ট ফাড়ি ও ১ট লবণ-পালের আডিডা আছে। এই জেলার সদর খুলনা-সহয়ে । ভৈরবনী যে স্থলে ه داد ] छ्गब्रगत्म अध्बल दब्रिब्राप्छ, कि cगद्देश्ष्ण भूणना अबश्ङि । খুল - --l. ७झे अछ हैशष्क शमब्रदरनग्न ज्ञांबथांनैौ दी थशांम जङ्द्र बटल । বহুকাল হইতে খুলনা বিখ্যাত সহয়। সেকালে কোম্পানীর সুন্দরবনের . লবণ প্রস্তুত ব্যবসায়ের প্রধান স্থান এই সছরে ছিল, এখনও এখানে লবণের কারবার আছে। এতদ্ভিন্ন সাতক্ষীরা, কালামোয়া, কালীগঞ্জ, দেবহাটা, চন্দনীয়া, বাঘেরহাট, কপিলমুনি, দৌলতপুর, মোরেলগঞ্জ প্রভৃতি স্থান প্রধান । সাতক্ষীরায় অনেক হিন্দুমন্দির অাছে। বাঘেরছাটে ষাটগম্বুজ প্রভৃতি খাজাহান আলীর কীৰ্ত্তির ভগ্নাবশেষ আছে । [ খাজাহান আলী দেখ। ] কপিলমুনিতে সাগরবাত্রীর ভিড় হয়। [ কপিলমুনি খে। ] মোরেলগঞ্জ পাঙ্গাচি বা পাঙ্গাসি নদীর তীরে, ইহা মোরেল ও লাইটফুটু নাম ইংরাজ জমীদারদিগের সম্পত্তি । খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাঘেরহাটে গবর্ণমেণ্টের দাতব্য ঔষধালয়, তৎসঙ্গে ছোট হাসপাতালও আছে । মোরেলগঞ্জে সাহেব জমীদারদিগের স্থাপিত ও দৌলতপুরে মহসীনকোষ হইতে স্থাপিত আর ফুট দাতব্য ঔষধালয় এবং সাতক্ষীরার মধ্যে শুামনগরে নকীপুরের জমাদারের স্থাপিত আরও একটা `वैष५fव्लग्न यग्छ्ि '• এই জেলায় আউস, আমন ও বোরো এই ৩ প্রকার ধান, এতদ্ভিন্ন মটর, পাট, ইক্ষু, খর্জুর প্রভৃতি যথেষ্ট জন্মে। সুন্দরবনে বাহাদুরীকাঠ, জালানি কাঠ, মধু, কড়ি ইত্যাদি পাওয়া যায় । চিনি, গুড়, নীল ও চাউলের রীতিমত রপ্তানি হয় । লোহার দ্রব্যাদি বিলাতী জিনিষ আমদানী হয়। সাতক্ষীরা সৰ্ব্বাপেক্ষ অস্বাস্থ্যকর স্থান, উলাউঠ ও জর বড় বেশী হয় । বসন্ত নাই বলিলেই চলে। বাঘেরহাট ও সুন্দরবনের কাছে গোমেষাদির পীড়। মধ্যে মধ্যে হইয়। থাকে । © o এই জেলার হিন্দু অপেক্ষ নিম্নশ্রেণীর মুসলমানের সংখ্যা অধিক । অধিকাংশ লোকেই চাষ বাস করিয়া খায়। খুলনাসহর ২২• ৪৯ ১•র্ণ অক্ষাংশে এবং ৮৯° ৩৬ 24" পূঃ দ্রাঘিমার অবস্থিত। ইহার নিয়ের নদী দিয়া ঢাকা ও বাখরগঞ্জের চাউল ; শ্ৰীহট্টের চূণ, নেবু, কমলানেবু; পাবনা, রাজসাহী ও ফরিদপুরের সর্ষপ, তিসি, দাইল, কলাই, পাটনার স্কৃত ও স্বন্দরবনের কাঠু কলিকাতায় যায়। এখানকার সেনের বাজার নামক বাজার অতি বৃহৎ, ইহা নদীর পূৰ্ব্বতীরে। পশ্চিমতীরে আরও দুইটা বড় বাজার আছে। খুলী (খর্পর শাজ) ১ পাত্রবিশেষ। ২ কপাল। খুল্ল (জী) ক্ষুদ্র লাতি লক্ষ পৃঘোরাবিং সাধু । ১ নী নামক গন্ধদ্রব্য। ২ জুলু। ৩ সন্ন। ৪ कमिर्छ । (बिको ७”)