পাতা:বিশ্বকোষ পঞ্চম খণ্ড.djvu/১৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


খগোল - - T “যুদ্ধলক্ষাক্রান্ত দুই গ্রহ এক অংশমাত্র দূরে অবস্থিত হইলে এবং দুইটাই যদি দেখিতে উজ্জল হয়, তবে তাছাদের কিরণযোগরূপ সমাগম হইরা থাকে। ই গ্রহই স্বল্প অথচ পরাজয়লক্ষণবিশিষ্ট দেখাইলে তাঁহাদের কুট ও বিগ্ৰহ নামক যুদ্ধ হইয়া থাকে। গ্রহযুদ্ধে শুক্রগ্রহ অপর গ্রহ হইতে দক্ষিণে বা উত্তরে থাকিলে প্রায় শুক্রের জয় হইয়৷ থাকে। গ্রহযুদ্ধে মানবমণ্ডলীর শুভাশুভ ঘটিয় থাকে । গ্ৰহগণের স্বাভাবিক বর্ণ কি তাহার বিশেষ কোন উল্লেখ দেখিতে পাওরা যায় না । ভাস্করাচার্যের মতে চন্ত্রের যে অংশে স্বৰ্য্যকিরণ প্রবেশ করে তাহাই শুক্ল দেখায়, অপরাংশ কামিনী-কেশকলাপের গুtয় কৃষ্ণবর্ণ। স্বৰ্য্যসিদ্ধান্তটীকাকার রঙ্গনাথ ও আর্য্যভটের মতে সুর্য্যকিরণ হইতেই অপর গ্ৰহগণও আলোকিত হয় । এরূপস্থলে সুৰ্য্য ব্যতীত অপরগ্রহের কিরণ নাই ও কৃষ্ণবর্ণ এইরূপ কল্পনা করা যাইতে পারে। প্রাচীনকাল হইতে গ্ৰহগণের যেরূপ ধ্যান চলিত আছে তাহাতে স্বৰ্য্য রক্তযর্ণ, চন্দ্র কুমা অথবা শঙ্খের স্থায় ধবলবৰ্ণ, মঙ্গল রক্তবর্ণ, বুধ প্রিয়ঙ্গু কুস্থমের ছায় খামবর্ণ, বৃহস্পতি স্থবৰ্ণবর্ণ, শুক্র শুক্লবৰ্ণ ও শনি কৃষ্ণবর্ণ বলিয়া বর্ণিত আছে। [ প্রাচীন হিন্দুজ্যোতির্বিদগণ যে যন্ত্রের সাহায্যে গ্ৰহগতি নির্ণয় করিতেন, তাহ যন্ত্র শব্দে দ্রষ্টব্য। গোলরচনাপ্রণালী গোল শব্দে দেখ । ] পুরাণেও অল্পবিস্তর খগোল বিবরণ লিখিত আছে। কিন্তু ভাস্করাচাৰ্য্য প্রভৃতি জ্যোতির্বিদগণ প্রমাণ ও যুক্তি দ্বারা তাহা খণ্ডন করিয়াছেন। ভাস্করাচাৰ্য্য বলেন যে, পৌরাণিক খগোল বা ভূগোল যাহা বর্তমান সময়ে পাওয়া যায়, তাহ ঠিক নহে, খগোল ও ভূগোল বিবরণ যাহা লিখিত হইয়াছিল, তাহা কালবশে লুপ্ত হইরা গিয়াছে । [ বৈদিক বা পৌরাণিক মত জ্যোতিষশব্দে দ্রষ্টব্য। খগোলের অপর বিবরণ গ্রহ, রাশি, নক্ষত্র, সুর্য্য, চন্দ্র প্রভৃতি শব্দে দেখ। ] যুরোপীয় প্রসিদ্ধ জ্যোতির্বেত্ত লাপ্লাস সৌরজগতের গতির সামঞ্জস্ত দেখিয়া নির্দেশ করিয়াছেন, এখন যে আকাশে গ্রহ উপগ্রহ সকল অবস্থিত, সৌরজগতের আদিম অবস্থায় সেই আকাশে কেবলমাত্র গোলাকার জলস্ত বাপরাশি ব্যাপ্ত ছিল । সেই সাপরাশি একটা আবৰ্ত্তন-শলাকা আশ্রয় করিয়া নিজের চারিদিকে ঘূরিত। ক্রমে ক্রমে সেই फेखत यांच्णंब्राणि नैौठण इहेब ८कठांछित्रू४ जडून्निङ श्रेष्ठ লাগিল। সঙ্কোচন-অনুসারে গতির বেগ বাড়িয়া তাহার কেজাতিগশক্তিও বৃদ্ধি হয়। এইরূপে ক্রমে সেই বাষ্পীয় গোলকের কেঞ্জাতিগশক্তি বৃদ্ধি হওয়ায় বিধোগতি y [ s१ ] थt१iल हांनcफtत्रद्र आंकर्षण जलिङ्गय कब्रिग्रा भूणाश्ण हरेंटऊ बिहिब्र इहेब्रा ५रुणैौ चउज्ञ श्रघूत्रैौ८ब्रग्न मॐ 5जन्क्रन थांब्र१ कब्रिग । श्रयशिळे अ१* ङ्हे८ङ श्रांबांब्र ७ईक्ररथं विक्रिश्न रुहेब्रा काम झै दिङ्कङ बाच्छाँग्नोनि कङक७नि वज्रङ्ग क्लर्क श्रृंब्रि८रुट्टैिङ একটা সুবৃহৎ গোলকে পরিণত হইল, মধ্যের সর্বাপেক্ষা বড় গোলকই আমাদের স্বৰ্য্য । এক একটী স্বতন্ত্র চক্রের ঘন স্থানের আকর্ষণে চারিদিকের লঘু অংশ সকল মিশিয়া ক্রমে আবার সেই চক্রগুলি এক একটী গ্ৰহরূপ ধারণ করিল। পূৰ্ব্বোক্ত প্রকারে পরিত্যক্ত অতি বিস্তৃত চক্রের ভিতর হইতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চক্র স্বতন্ত্র হইয়া যে সকল জ্যোতিষ্ক হইয়াছে, তাহার উপগ্রহ । णांश्नांदनग्न uहे मङणै जहेब ब्रूत्वांt* श्शकूण १फ्ब्रिा যায়, এক্ষণে অনেকেই এই সিদ্ধান্তে উপস্থিত হইয়াছেন। য়ুরোপীয় জ্যোতিধিদের বলিয়া থাকেন, আমরা সুৰ্য্য হইতে যত উত্তাপ পাই, স্বৰ্য্য তাহার ২২৭ ••••••• গুণ উত্তাপ শূন্তে ছড়াইতেছে । এখন স্বৰ্য্যের যেরূপ আয়তন, এই আয়তনে প্রতি বৎসরে ২২০ ফিট সুর্য্যব্যাস সঙ্কুচিত হইলে । এখন তাপমান ঠিক থাকে । এই নিয়মে স্বৰ্য্য ২৫ বর্ষে ১ মাইল ও এক শতাব্দীতে ৪ মাইল সঙ্কুচিত হইবার কথা । ইহা দ্বারা জানা যায়, যতদিন স্বর্ষ্যের অধিকাংশ বাষ্পময় থাকিবে, ততদিন শীতলতাপ্রবণ স্বৰ্য্য ক্রমে ক্রমে সঙ্কুচিত হইয়া বাহিরের উত্তাপশক্তি সমভাবে রাখিবে । এইরূপে স্বৰ্য্য একশত বর্ষ পূৰ্ব্বে ৪ মাইল বড় ছিল, ফু-শ বৎসরে ৮ মাইল। এই ভাবে এক সময়ে স্বৰ্য্যবাষ্প বুধের কক্ষ পৰ্য্যস্ত, তৎপূৰ্ব্বে পৃথিবীর কক্ষ পর্য্যন্ত ব্যাপ্ত ছিল। এইরূপে বহু পূৰ্ব্বে সমস্ত সৌরজগৎমর ব্যাপ্ত থাকিবার কথা । এইরূপে গণনা দ্বারা য়ুরোপীয় জ্যোতির্বিদগণ লাপ্লাসের মত স্বীকার করিয়া এখন স্থির করিয়াছেন, এই পৃথিবীও সূৰ্য্য-পরিত্যক্ত একটী বাষ্পচক্ৰ । ক্রমে সেই বাষ্পচক্র শীতল হইয়। ক্রমে ক্রমে যখন ঘন অবস্থায় অলিল, তখন সমস্ত বাষ্পই যে তরল হইল এমন নহে, কতকটা সেই অবস্থায় পৃথিবীর উপর রহিয়া গেল, এখনও তাহার কতকাংশ পৃথিবীর উপর রহিয়াছে। পৃথিবীর তখনকার বাঙ্গাবরণ প্রায় চন্দ্ৰ পৰ্য্যন্ত বিস্তৃত ছিল। সেই তরল অবস্থায় পৃথিবীর উত্তাপ ২••• সেণ্টিগ্রেড ডিগ্রির পরিমাণ ছিল। এই তীব্র তাপ লইয়। তরল পৃথিবী শীতল আকাশে ঘুরিতে লাগিল, ক্ৰমে শীতলতা সংস্পর্শে তাপ অনেক কমিয়া গেল, ক্রমে ক্রমে ধন ও চটচটে হইয়া অবশেষে বর্তমান জাকার প্রাপ্ত इरेण ।