পাতা:বিশ্বকোষ পঞ্চম খণ্ড.djvu/২০০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


' श्रेणक মধ্যে ইহাদের নাম পাওয়া যায় না। রুদ্রযামলোক্ত জাৰ্ত্তি • মালায় লিখিত আছে— “দেবলাং গণকে জাতো বৈহাগৰ্ভসমুদ্ভব । তষ্ঠ বৃত্তিং দদৌ বিপ্ৰ ! তিথিবীরবিবেচনাম্।” দেবলের ঔরসে বৈপ্তার গর্ভে গণকজাতি উৎপন্ন, তিথিবার প্রভৃতির বিবেচনা (গণনা ) করাই ইহাদের বৃত্তি । এই প্রমাণ অনুসারে বোধ হয়, বৈখ্যার গর্ভে দেবলের ঔরসে যে সঙ্করজাতি উৎপন্ন তাহারাই সম্প্রতি আচাৰ্য্য বা গণক বলিয়া বিখ্যাত । কিন্তু পরশুরামোক্ত জাতিমালার মতে “অম্বষ্ঠা গণকে জাতো বৈশ্রাগর্ভসমুদ্ভব । নক্ষত্রতিথিযোগাদিগ্রহনির্ণয়কারকঃ।” অম্বষ্ঠের ঔরসে বৈখ্যার গর্ভে যে সঙ্করজাতি উৎপন্ন হয়, তাহাদিগকে গণক বলে। নক্ষত্র, তিথি, যোগ ও গ্রহ প্রভৃতির নির্ণয় করাই ইহাদের বৃত্তি। স্থানে স্থানে গণকদিগকে বর্ণবিপ্র বলা হইয়া থাকে, কিন্তু পূৰ্ব্বোক্ত জাতিমালা দুইখানির মতে পতিত ব্রাহ্মণকেই বর্ণবিপ্র বলা হইয়াছে, সঙ্কর গণকজাতিকে বর্ণবিপ্ৰ নামে উল্লেখ করা হয় নাই । ‘ব্রাহ্মণ: পতিতে ভূত্ব দ্বিজবর্ণমাগতঃ ? (রুদ্রযাম জাতিমা) “ব্রাহ্মণঃ পতিতো ভূত্বা বর্ণনাং ব্রাহ্মণোহুভবৎ ” ( পরশু জাতি• ) কোন কারণে পতিত ব্রাহ্মণকেই বর্ণদ্বিজ বা বর্ণবিগ্র বলা হইয়া থাকে। পরশুরামোক্ত জাতিমালায় ইহাঙ্গের পতিত হইবার কারণও নির্দিষ্ট আছে ।

  • চত্বারিংশৎ জাতিভেদা অর্মী পুত্র বিলোমজা । এতেষাং বিংশতেশ্চৈব পুরোধী: শ্রোত্রিয়োদ্বিজঃ । শ্রোত্রিয়ঃ পতিতে ভূত্ব বর্ণীনাং ব্রাহ্মণোহুভবৎ ॥”

o (পরশুরামোক্ত জাতিমালা) পূৰ্ব্বে যে চল্লিশটা সন্ধরজাতির কথা বলা হইয়াছে, ইহারা সকলেই বিলোমঞ্জ। ইহাদের বিংশতিটর পৌরোহিত্য কাৰ্য্য করিলে শ্রোত্রির ব্রাহ্মণ পতিত হয়, এবং সেই পতিত ব্ৰাহ্মণকেই বৰ্ণব্ৰাহ্মণ বলে । ইহাতে স্পষ্টই বোধ হয় যে বৰ্ণব্ৰাহ্মণ ও গণক একজাতীয় নছে। যাহারা চণ্ডাল | প্রভৃতি নিকৃষ্টজাতির পুরোহিত, তাহারা বর্ণবিপ্র এবং যাহারা পূৰ্ব্বোঙ্ক সন্ধরজাতি, তাহারা গণক। কালক্রমে | আচার ব্যবহার পরিবর্তন হইয়া কোন কোন স্থানে উভয় इडिरे মিশিয়া গিয়াছে। জীবার গ্রহবামলে লিখিত আছে | w ... " " **

  • ों**

ব্ৰহ্মবঙ্ক ভবেৎ জন্ম দৈৰজে ব্রাহ্মণো ধ্রুবম্।” গ্ৰহগণের পূজার জন্ত যে ব্রাহ্মণ ব্ৰহ্মার মুখ হইতে শাকদ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন, তাহারাই দৈবজ্ঞ ব্রাহ্মণ। বঙ্গে এখনকার অনেক শাস্ত্ৰবিং দৈবজ্ঞ আপনাদিগকে ঐরূপ গ্রহযামলোক্ত শাকদ্বীপী ব্রাহ্মণ বলিষ্ট পরিচয় দিয়া থাকেন। শাম্বপুরাণেও শাশ্বকর্তৃক শাকদ্বীপ হইতে ব্রাহ্মণ আনিবার কথা বিস্তৃতভাবে বর্ণিত আছে । ( কোণার্ক ও শাকদ্বীপী ব্রাহ্মণ শব্দ দেখ।] কিন্তু ঐ পুরাণে ৪৩ অধ্যায়ে— “ন ব্রাহ্মণ পরিবাদী ন তিথিনক্ষত্রদেশিকঃ স্তাং ” ইত্যাদি বচন দ্বারা তিথিনক্ষত্র নিরূপণাদি দৈবজ্ঞের কার্য্য করিতে নিষেধ করা হইয়াছে। বোধ হয়, উক্ত পুরাণোক্ত নিষিদ্ধ কৰ্ম্ম করিয়াও কোম কোন শাকদ্বীপী ব্রাহ্মণ অপর ব্রাহ্মণ হইতে হীন এবং গণকজাতি বলিয়া গণ্য হইয়া থাকিবেন । ব্রহ্মবৈযৰ্ত্তের মতে “যে দেবব্রাহ্মণের যে ধন হরণ করে, সে ধূমান্ধকার নরকভোগ করিয়া শতজন্ম নানাযোনি ভ্রমণ করিয়া শবর, স্বর্ণকার, সুবর্ণবণিক, পরে যবনসেবি ব্রাহ্মণ হইয়া তৎপরে গণনোপজীবি দৈবজ্ঞ ব্রাহ্মণ হইয়া জন্মগ্রহণ করে।” (শষ্ণকল্পক্রম ) “বসেৎ স্বলোমমানাবাং তত্রৈব নাগদংশিতঃ। ততো ভবেৎ স গণকে বৈদ্যশ্চ সপ্তজন্মস্থ।” (প্রকৃতিখণ্ড) বাস্তবিক গণকজাতির উৎপত্তি সম্বন্ধে ভারি গোল । জাতিমালা প্রভৃতি যে সকল গ্রন্থে সন্ধরজাতির কথা লিখিত আছে, তাহার কোথায়ও ইহা ভিন্ন অন্ত কোনপ্রকার সঙ্করগণকজাতির উল্লেখ দেখিতে পাওয়া যায় না । বর্তমান সময়ে ফরিদপুর অঞ্চলে পূৰ্ব্বোক্ত সঙ্করজাতিই গণক নামে পরিচিত। রাঢ় প্রভৃতি অঞ্চলের শাস্ত্রবিদ গণকের বলেন, তাহদের সহিত ঐ জাতির কোন সংস্রব নাই। যাহা হউক প্রত্যেক গ্রন্থের মত ভেদ থাকায় ভিন্ন ভিন্ন গণকজাতি থাকিতে পারে। কিন্তু বাচগুপত্য কাহারও মত গ্ৰহণ না করিয়া চণ্ডালের ঔরসজাত একটা গণকজাতির উল্লেখ করিয়াছেন এবং প্রমাণ করিতে “চৰ্ম্মকারস্ত দ্বেীপুত্রে গণকে বাদ্যপূরকঃ” এই কথাটা উদ্ভূত করিয়াছেন, ঐ অসংপূর্ণ বচনট কোন গ্রন্থের তাহার কোন উল্লেখ করেন মাই। মূভন সংস্করণের শব্দকল্পক্ৰমেও ঐ ংশটুকু উদ্ভূত হইয়াছে। কিন্তু কোন গ্রন্থের নাম নাই। আমরা বিশেষ প্রমাণ না পাওয়ায় ঐ মতটাকে যথাৰ্থ বলিয়। গ্রহণ করিতে পারিলাম না । [ গ্রহাচাৰ্য্য দেখ । ] , ৫ কেতুবিশেষ, ইহারা আটট, দেখিতে ঠিক তারাপুঞ্জের 象