পাতা:বিশ্বকোষ পঞ্চম খণ্ড.djvu/২৮৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গবন্দি _ দেখিতে পাওয়া যায়। ভন্দিগরভুরু, ভম্‌দীয়ারভুরু, চ্যাম দিয়াভয়, ওড়টিয়াভৱ, গোস্লিয়াভুকু, খিদিয়াভূক, লনিয়াভূত্ব, মোড়েনভির, রাম্যমভূক্ল ও শিঙ্গয়াভয় । ইহাদের মধ্যে কোনরূপ শ্রেণীবিভাগ বা গোত্র অথবা কুলগত বিভিন্নতা কিছুই দেখা যার না। পরস্পরে এক উপাধিধারী হইলে বল্প ও কন্যা উভয়ের মধ্যে বিবাহ হয় না । গবনিয়া পাথর ও মাটি দিয়া থাকিবার উপযোগী গৃহ নিৰ্ম্মাণু করে । খড় বা তদ্রুপ কোন পদার্থ দিয়া বাড়ীর ছাদ ছাওয়াইয় লয়। নিজের ব্যবহারের জন্য গোমেযাদি জন্তু ও কুকুর পুষিয়া থাকে, নিজেরাই তাহাদিগকে প্রতিপালন করে। কোন কাজকৰ্ম্ম করিবার জন্য ইহার চাকর রাখে না । ডাল, রুটি ও শাকসবজিই ইহাদের মোটামুটি খাদ্য। পাৰ্ব্বণাদিতে অন্নপাক করিয়া খায়। ভেড়া, হরিণ, খরগোস, হংস, কুকুটাদি পালিত পক্ষী ও মৎস্তই ইহাদের প্রিয়বস্তু, অন্যান্য মাংস অপবিত্র ও অখাদ্যবোধে ভোজন করে না । মাদক সেবনে ইহাদের আসক্তি কিছু বেশী, পূজাপর্কে ইহারা অতিরিক্ত মদ্যপান করে। মদের জন্য সকলেই প্রায় ঋণগ্রস্ত । সকলেই মাথা নেড়া করিয়া রাখে, কাহারও বা মাথায় টিকি দেখা যায়। প্রায় সকলের বেশভূষা সাদামিদ ও পরিষ্কার। পুরুষেরা সাধারণতঃ ধুতি, চাদর, জামা ও জুতা, আর স্ত্রীলোকেরা শাড়ী ও জামা ব্যবহার করে। স্ত্রীপুরুষ উভয়েই কর্ণ ও হস্তাদিতে অলঙ্কার পরে। স্ত্রীলোকেরা লাল ও কাল রঙ্গের কাপড় পরিতে কিছু ভালবাসে । সকলেই আজ্ঞাবাহী, আতিথেয়, কৰ্ম্মঠ, মিতবায়ী ও নম্র, কিন্তু অধিকাংশ লোকেই অপরিস্কার। পূৰ্ব্বে ইহার লবণ প্রস্তুত করিয়া বিক্রয় করিত, কিন্তু ঐ ব্যবসা এক্ষণে বন্ধ হওয়ায় সকলেই মজুরি ও চাষবাস করিয়া জীবিকানিৰ্ব্বাহ করিতেছে । স্ত্রী ও পুরুষ এমন কি বালকবালিকারাও নিজ নিজ অবস্থানুসারে যথাসাধ্য জীবিকার জন্ত চেষ্টা করে। গবন্দিরা বড় ধৰ্ম্মভীরু । দেবদ্বিজে ইহাদের বিশেষ ভক্তি । ইহার ব্রাহ্মণের নিকট হইতে শুভদিন স্থির করিয়া শস্ত কর্তন, বিবাহ ও গৰ্ত্তাধান প্রভৃতি শুভকৰ্ম্ম করে এবং বিবাহাদি কৰ্ম্মে ইহার ব্রাহ্মণদিগকে নিযুক্ত করে। “ওষ্ঠমূ” নামে নিম্ন শ্রেণীর তৈলঙ্গী ব্রাহ্মণেরাই ইহাদের পুরোহিত । হনুমন্তদেব, তুলজাভবানী, ব্যঙ্কটমরণ ও যত্নমাদেবী ইছাদের কুলদেবতা। ইহারা আর্কটনগরের উত্তরে ব্যঙ্কটগিরিতে ব্যঙ্কটরমণের পুজার জন্যও নিজামরাজ্যের অন্তর্গত তুলজাপুরে তুলজাভবানীদেবীর পুজার্থ তীর্থযাত্রা করিয়া থাকে। [ ২৯০ ] গবমি ' আশ্বিন মাসে “দসেরা” পর্বোপলক্ষে তুলজাভবানী দেবীর প্রত্যৰ্থে ভেড়াবলি দিয়া থাকে। যত্নমাদেবীর পুজার সময় নিমন্ত্রিত জ্ঞাতিদিগকে ভোজ দেয় । দেবমূর্তিগুলি সাধারণত: মনুষ্য, বৃষ ও হনুমানের আকারে হইয়া থাকে। কোন মূর্কিট প্রস্তরখোদিত, কোনটা পিত্তল বা তাম্রদ্বারা নিৰ্ম্মিত । সকলেই প্রাতরাশের পুৰ্ব্বাহে স্নান করিয়া গৃহদেবতার পূজা করে। যাহাদের গৃহদেবতা নাই, ভাহারা মারুতির মন্দিরে অাহিকক্রিয়া সমাপন না করিয়া জলগ্রহণ করে না। পৰ্ব্বাদিতে রীতিমত উপবাসাদি করে। ধৰ্ম্মীক্ষার জন্ত ওষ্ঠমৃ’ নামক ব্রাহ্মণবংশই বংশপরম্পরায় একজন করিয়া গুরুর কার্য্য করিয়া আসিতেছে। এই গুরুর নাম তাতাচাৰ্য্য, ইনিই এই জাতির একমাত্র ধৰ্ম্মোপদেষ্টা ; তিনি বেল্লারি জেলায় হামপি গ্রামে বাস করেন । তাহার ভরণপোষণের জন্ত সকলেই চাদা দেয়। গবন্দিরা গ্ৰাম্যদেবতা বা কোন উপদেবতার পূজা করে না। ডাইনা খাওয়া, ভূতে পাওয়া ও ভবিষ্যৎবাক্যে ইহাদেৱ দৃঢ় বিশ্বাস। ঔষধে রোগশাস্তি না হইলে রোঝা আনিয়া রোগীকে ঝাড়াইয়া থাকে। ঝাড়াইবার পর বাটীর কর্তা ভূতকে খাদ্য ও কাপড় দিতে স্বীকৃত হইলে ভূত সরিয়া যায়। কোন সময় বা রোগীকে কোন দেবতার সম্মুখে শোয়াইলে ভূতযোনি আর তথায় থাকিতে না পারিয়া রোগীকে পরিত্যাগ করিয়া পলায়ন করে । ইহাদের বিশ্বাস যে রোঝা মন্ত্রদ্বারা লোকের মৃত্যুও ঘটাইতে পারে। ইহার বলে যে, বিজাপুরের অনেক বড় বড় জমিদার এইরূপে রোঝা কর্তৃক হত হইয়াছেন এবং তথাকার অনেকেই নিজের প্রাণরক্ষা করিবার জন্ত নিজ ব্যয়ে রোঝা রাখিয়া থাকেন । পুত্র ভূমিষ্ঠ হইলে গবন্দির নবজাত শিশু ও প্রস্থতিকে স্নান করাইয়া থাটিয়ার শেয়ায় এবং তাপের জন্য তাহার নীচে ঘুটে জালাইয়া রাখে। মাতাকে শুকনা নারিকেলের শাস ও গুড় খাইতে দেয়। সন্তান প্রস্থত হইবার অৰ্দ্ধঘণ্ট পরে প্রস্থতিকে অল্প ও মাখন খাওয়ায় এবং ক্রমান্বয়ে পাচ দিনই এইরূপ পথ্য দিয়া থাকে। পঞ্চম রাত্রিতে ধাত্রী আসিয়া জীবতীর পুজা করে ও নৈবেদ্যাদি নিজে গ্রহণ कब्रिव्रां ऊ९नएल ७थशैौशृणै छांक लिग्न व्हेग्नां गांग्न। हेहां८लग्न বিশ্বাস যদি কেছ ঐ আলো দেখে, তাহা হইলে পুত্র ও প্রস্থতির পীড়া হইয়া থাকে। স্বাদশ বা ত্রয়োদশদিনে পুত্রের নামকরণ হয় । কুলদেবতার নামানুসারে ইহার সন্তানাদির নাম রাখে। এইদিনে প্রস্থতি গুচি হয় ।