পাতা:বিশ্বকোষ পঞ্চম খণ্ড.djvu/৩০৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গীজ রাজবল্লভ বলেন যে, সমুদ্রমন্থম সময়ে ইহা পীযুষরূপে উৎপন্ন হয়। বিজয় প্রদান করে বলিয়া ইহার একটী নাম विछ ग़ इट्रेग्नांtझ । हेश cगदप्न श्रांठक दिना* श्ब्र ५१९ श्र्ष বাড়িয়া থাকে । ইহ রসায়নবিশেষ। আর্য্য চিকিৎসকগণ অনেক ঔষধে ইহা ব্যবহার করেন । বৃহৎসংহিতার মতে বিজয়া একটা মাঙ্গলিক পদার্থ। পুষ্যস্নানে বেদির কোণস্থিত কুস্তে অপর মাঙ্গলিক দ্রব্যের সহিত ইহাও অৰ্পণ করিতে হয় । ( বৃহৎসংহিত ৩৮৩৯ ) সুশ্রুত সিদ্ধি বৃক্ষকে স্থাবর বিষের মধ্যে উল্লেখ করিয়াছেন ; তাহার মতে ইহার মুলে বিষ থাকে। ( স্থশ্রত কল্প ২ অঃ ) মুশ্রুতের মতে প্রতিস্তায়রোগে ইহা সেবন করিবার বিধান আছে। (সুশ্রুত উত্তর ২৪ অঃ ) কটুকী, দ্রাক্ষা, মুথ ও ক্ষেত্রপপটর সহিত ইহার কাখ করিয়া সেবন করিলে পিত্তশেল্প৷ জ্বরে উপকার হর। এদেশে অনেক দিন হইতে ইহা প্রচলিত। পাণিনির ৫২৷২৯ স্বত্রের বার্তিকে ও গাণিনির ৫৫৪ সূত্রে ইহার পর্য্যায়ান্তর তঙ্গা শব্দের উল্লেখ আছে। গাজায় ছারপোকা নষ্ট হয়। এই বিশ্বাসে ইহার নাম মৎকুপারি হইয়াছে । গ্রীক ঐতিহাসিক হিরোডোটাসের গ্রন্থেও কানাবিস নামের উল্লেখ আছে। য়ুরোপীয়গণ গাজা ও শণ গাছকে এক জাতীয় ধরির উভয়কেই ক্যানাবিস বা ছেম্প নামে অতিহিত করিয়াছেন। আমাদের দেশে গাজা শণ গাছ হইতে স্বতন্ত্র। হিরোডোটাস লিথিয়াছেন, সিথিয়গণ হেম্প বৃক্ষের বীজ শণের ভিতর পূরিয়া তাহাকে উত্তপ্ত পাথরের উপর রাথিয় দিত। তাছা হইতে যে ধূম নির্গত হইত, তাহাই সেবনে সুখামুভয করিয়া তাহার উল্লাসধ্বনি করিত। হাসানের আরবী গ্রন্থে লিখিত আছে যে, সেখ জাফর সিবানী নামে একজন ফকির মিসাবার পর্বতে নির্জনে উপাসনা করিতেন। তিনি একদিন বনের মধ্যে গাঞ্জার পাতা খাইয়া মহা আনন্দ বোধ করিয়া শিবাদিগকে তাহা দেখাইয়া ছিলেন । মিসরে নেশার জতু গাজার ব্যবহার আছে। সেখানকার গাঞ্জাখোরের গোজে নামক নল দিয়া হাসিসের ( গাজার পত্র ও ঝুরি) ধূমপান করে । সিদ্ধির নানাবিধ আচার ও মিষ্টান্ন প্রস্তুত হয়। এদেশেও গtজার ধুমপান, সিদ্ধিপান ও মাজন প্রস্তুত করিবার প্রথা আছে । বঙ্গদেশে দুর্গাপূজায় বিসর্জনের পর হিন্দুমাত্রেই সিদ্ধিবাটা জলযোগে পান করে অথবা জিহবার ঠেকায়। .আজঞ্চাল স্থাপানি কাশি প্রভৃতি অনেক রোগে ইহার আরক ৰ৷ চুরট প্রস্তুত হইয়া বিক্রীত হইতেছে। ( లేe 8 ] गॅङां আমরা যাহাকে সিদ্ধির গাছ বলি, তাহার ফুলঞ্চেই গাজ। ও পত্রগুলিকে সিদ্ধি বলিয়া থাকে। গাছ ও ফুলের আঠাকে (ক—পুংপুষ্প ৷ খ-স্ত্রীপুষ্প। গ-গাজার জট ।) চরসূ বলে। সকল পদার্থই মাদক। তবে গাঙ্গার মাদকতা সিদ্ধি ও চরসের মাদকতা হইতে তিয় । আসল নির্যাসই গাজার মাদকতার মূল কারণ। গাজা ডাক্তারি চিকিৎসায় ঔবধরূপে ব্যবহৃত হয়। ইংরাজী ডৈষজ্যতত্বে ইহা উত্তেজক, বেদনানিবারক, স্নিগ্ধকারক, অবসাদক, আক্ষেপক ट्रे ধনুষ্টঙ্কাররোগনাশক, মাদক, মূত্রকারক ও প্রসবের সহকারী दणिग्न उंख रुहेभ्रांtछ् ।। ४ई छछ हेछ् १शूठेझांब्र, छणांङझ वा অলৰ্করোগ, কম্প, গ্ৰলাপ, দড়ক, স্নায়বীয় বেদনা প্রভৃতিতে প্রয়োগ করিয়া সুফল প্রদান করিয়াছে। এতদ্ব্যতীত ওলাউঠা, অধিক রজঃ, জরায়ু হইতে রক্তস্রাব, বাতরোগ, হাপানি, হৃৎপিণ্ডের বৈলক্ষণ্য, ক্লেশকর চৰ্ম্মরোগ ও চুলকন প্রভৃতি রোগে ইহার যাবহার হইয়া থাকে। প্রসযকালে জরায়ুর অধসাদ বশতঃ অধিকক্ষণ ব্যথা খাইলে ইহার প্রয়োগে উহাকে সঙ্কোচ করিয়া প্রসবের সহায়তা করে। ইহার সার (Extrnctum Oanabis Iudicæ) erg® *f*lfô এইরূপ । ৪ পাইণ্ট বিশুদ্ধ স্পিরিটে অৰ্দ্ধসের গাজার গুড়া মিশ্রিত করিয়া ৭ দিন ভিজাইয়। রাখিয়া তাহার পর তাহাতে চাপ দিয়া বা ভাহা নিংড়াইয়া তারক বাহির করিতে হয় । ইহাকে c$ांब्राहेब्र स्थिग्निप्ले डेफ़ाहेग्न मिरण #हे खे१५ ¢ख्ऊ श्ब्र । অবস্থাবিশেষে অৰ্দ্ধ গ্রেণ হইতে দুই গ্রেণ পর্য্যন্ত ইহা রোগীকে দেওয়া যাইতে পারে। উহার এক আউন্স शहेम्रो ७क •ाहेझै विज्छ छिब्रिे भिभाहेब्र निरण किङ्ग (Tinctura Cannabis Indicæ) *wo ®¥ | wwwł¥ÎÏÇ3 * श्हेऊ २० cर्कीछे नईड़ हेशंङ्ग ७८ब्रां★ इहेष्ठ *ाप्द्र।