পাতা:বিশ্বকোষ পঞ্চম খণ্ড.djvu/৩১৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গাঙ্গেয় [ ৩২০ ] গাঙ্গেয় এক ব্যক্তি দেবোদেশে ভূমিদান করিতেছেন। ভখন বোধ হর, মহাবীর নরসিংহদেব যুবরাজপদে অভিষিক্ত ছিলেন। উহার भिड भनत्रऔष्मज्ञ श्रृङ्का श्रेष्ग नागिश्ष्मत (४२८२ श्हेउ ১২৮৫ খৃষ্টাব পর্যন্ত ) ৩৩ বর্ষকাল রাজত্ব করেন। [ ক্রোড়*it可bルのリi卒 1] প্রসিদ্ধ মুসলমান ঐতিহাসিক মিনহাজ উদ্দীনের তবকাত ই-নাসিরী নামক সাময়িক ইতিহাস পাঠে জানা যায়— “৬৪১ হিজিরায় ( ১২৪৩ খৃষ্টাব্দে ) জাজনগররাজ লক্ষ্মণাবতী রাজ্যে দৌরাত্মা আরম্ভ করার ( গোঁড়াধিপ ) মালিক তুঞ্জিল ই-তুগান্‌ খী জাজনগর অভিমুখে যাত্রা করেন, যুদ্ধযাত্রায় ঐতিহাসিক মিন্‌হাজউদ্দীন তাহার সহচর ছিলেন। জাজনগরের সীমা কতাসিনে যুদ্ধ হয়। প্রথমে হিন্দুগণ পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেন, তৎপরে ইক্ষুজঙ্গল হইতে পঞ্চাশজন অশ্বারোহী ও ২০০ পদাতি আসিয়া অকস্মাৎ মুসলমানসৈন্তদিগকে আক্রমণ করে, তাহীতে বিস্তর মুসলমান যোদ্ধা প্রাণত্যাগ করেন। গৌড়াধিপ প্রাণ লইয়া লক্ষ্মণাবতী নগরে পলাইয় আসেন এবং দিল্লীশ্বরের সাহায্য প্রার্থনা করেন। মুলতান আলাউদ্দীন মহুদশাহ অযোধ্যার মূবাদার তমুর ধান ই-কিরাপকে সসৈন্তে জাজনগরসৈন্তের বিপক্ষে লক্ষ্মণাবতীতে প্রেরণ করেন। এদিকে ৬৪২ হিজিরায় ( ১২৪৪ খৃষ্টাব্দে ) জাজনগররাজ প্রতিশোধ লইবার জন্য গজারোহী ও বিস্তর পদাতি সৈন্ত লক্ষ্মণাবতীতে প্রেরণ করেন। জাজনগরসৈন্য প্রথমে ফক্‌রুল মুলুককে পরাজয়পূৰ্ব্বক “লখন ওর” প্রদেশ অধিকার করিয়৷ তৎপরে লক্ষ্মণাবতী মগরের প্রাকারের পাশ্বে উপস্থিত হইয়া ঘোরজর যুদ্ধ করিতে থাকে। পরে অযোধ্যা-সৈন্যের আগমন সংবাদ পাইয়। ফিরিয়া যায়।” (৭) মিনহাজ লিখিয়াছেন, জাজনগরের সেনাপতির নাম “সাবস্ত্রা,” তিনি জাজনগররাজের জামাতা ছিলেন । (৮) মুসলমান ঐতিহাসিক বর্ণিত জাজনগর (৯) উৎকলের মাজপুর। 'সাবস্ত্ৰা’ নাম নহে, উপাধি। সংস্কৃতে সামস্ত ও উৎকলের চলিতভাষায় “মাস্ত্র।” নামে খ্যাত। মিনহাজ সাবস্ত্রাকে জাজনগররাজের জামান্ত বলিয়া উল্লেখ করিয়াছেন, কিন্তু অtমাদের বিবেচনায় বিদেশী লেথক ভ্রমক্রমে পুত্রকে (a) Raverty's 'I'abrikat-i-Násiri, p. 738–39 ● (v) Raverty's Tabakat-i-Násiri, p. 765. Q (२) cकइ tकइ dई जlछनश्रब्रtक क्लिनूझांब्रांछा षणिब्रः अभूभांन stas, fiss stel fw ats See II. Blochmann's contribu tion to the Geography and History of Bengal, (in Journal of the Asiatic 8ociety of Bengai, Vol. XLii. pt, 1 p. 237.) জামাত ভাবিয়া উল্লেখ করিয়া থাকিবেন । তৃৎকালে যাজপুরে বা সমস্ত কলিঙ্গরাজ্যে মহারাজ অনঙ্গতীম অধিষ্ঠিত ছিলেন । র্তাহারই পুত্র প্রতাপবীর ১ম গ্ৰনরসিংহদেব। ২য় নরসিংহদেবের তাম্রশাসনে লিখিত আছে— “রাঢ়-বরেঞ্জয়বর্মীনয়নাঞ্জনাশ্রপুরেণ দূরবিনিবেশিতকালিমপ্রীঃ । তদ্বিপ্ৰলন্তকরণস্থতনিস্তরঙ্গ। श्रेष्i*ि नूनमभून। शशूनां उङ्घि९ ॥“ রাঢ় ও বরেন্দ্রদেশের ঘবনীরা স্বামীবিরহে সৰ্ব্বদাই রোদন করিত, তাহীদের অশ্রুজলে নরনাঞ্জন ধৌত হইয়া গঙ্গার জলে মিলিত হইত, তাহাতে গঙ্গারও জল কালিমী ধারণ করিয়াছিল। সেই ভয়ানক কাও দেখিয় বিস্ময়েই যেন গঙ্গা তরঙ্গহীন হুইয়াছিলেন । ( বাস্তবিক সেই সময়ে নরসিংহের জন্যই ) গঙ্গা যমুনা হইরা উঠিরাছিলেন । উক্ত শ্লোকদ্বারা স্পষ্ট জানা যাইতেছে, প্রতাপবীর শ্রীনর সিংহদেবই পিতার রাজত্বকালে লক্ষ্মণাবতী আক্রমণ করিয়! শত শত মুসলমান সৈন্যবিনাশ করিয়াছিলেন এবং তজ্জনাই রাঢ় ও বরেস্ত্রের মবনীগণের স্বামীবিরহের হেতু। এই প্রতাপবীরের সহিত আরও কয়েকবার যুদ্ধ করিয়াছিলেন, কিন্তু ইহার প্রবল প্রতাপে কোন মুসলমানবীর উড়িষ্যাজয়ে সমর্থ হন নাই । ২য় নরসিংহদেবের ১২১৭ শকাঙ্কিত ছুইখানি (অপ্রকাশিত ) বৃহৎ তাম্রশাসন পাঠে জানা যায়,-ষে ১১৯৬ শক বা ১২৭৪ খৃষ্টাব্দে উৎকলরাজ্যে একটা নূতন সম্বৎ চলিত হয়। ৰোধ হয়, ( ১ম ) নরসিংহদেব পুনরায় রাঢ় ও বরেন্দ্রা, ধিপতিকে পরাজয় করিয়া ১২৭৪ খৃষ্টাব্দে নূতন সম্বৎ প্রচলিত করেন এবং আপনার কীৰ্ত্তি অক্ষর করিবার জন্ত কোণার্কের (১০) প্রসিদ্ধ স্বৰ্য্যমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। মুসলমান ঐতিহাসিক ফেরিস্ত উক্ত ঘটনা উল্লেথ না করিয়া লিখিয়াছেন, যে ৬৭৮ ছিঞ্জিরায় (১২৭৯ খৃষ্টাব্দে) ভুগ্রিল খাঁ জাজনগর আক্রমণ করিয়ু বিস্তর অর্থ ও একশত হস্তী জয় করিয়া আনেন । বোধ হয় ফেরিস্ত পুৰ্ব্ব ঘটনা চাপা দিবার জন্য শেষোক্ত ৰিধরণ কল্পনা করিয়া থাকবেন । তিনি ১৬০৯ খৃষ্টাবে আপনার গ্রন্থ রচনা করেন, কিন্তু তাছার অনেক পূৰ্ব্বে ২য় নরসিংহদেবের তাম্রশাসনে ১ম নরসিংহ কর্তৃক রাঢ় ও বরেন্দ্র (s•) २झ नशिtश्tङ्गः:सङ्ग श्रृश्९ ठञ्जिश्शरश् ॰श् शt१ 'ंश्ifttश्॥१’ बांtभ बर्मिठ । नडयऊ: ये३ यचिन्न ४५१6 भूहेitभ चांब्रख 4च९ s९४ খৃষ্টাথে সম্পূর্ণ হয়।