পাতা:বিশ্বকোষ পঞ্চম খণ্ড.djvu/৩৮০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গীত ংগীতদর্পণের মতে—রাগালাপযুক্তকেই জাতি সাধারণ मां८म ऊँ८झथ कग्नां श्हेंग्रां८छ् ।। ८कांन cकांन गर्नौठtवद्धांग्न মতে কৈশিক প্রভৃতি রাগের নাম জাতি সাধারণ। স্বয়ের যথানিয়মে উচ্চারণ করার নাম বর্ণ, ইহাকেই গান ষা গীত শব্দে উল্লেখ করা হয় । এই গান ক্রিয়া বা স্বরের উচ্চারণ চারি প্রকার—স্থায়ী, আরোহী, অবরোহী ও সঞ্চারী। একটা স্বরের কিয়ৎক্ষণ পরে পয়ে উচ্চারণকে স্থায়ী বলে । যথ। বড় জের সা সা সা । মধ্যমের মা মা মা ইত্যাদি । যে উচ্চারণে আরোহ এবং যাহাঁতে অবরোহ হয়, তাহাদিগকে যথাক্রমে আয়োই ও অবরোহী বলে । ষে উচ্চারণে এই ভিনটী লক্ষণই লক্ষিত হয়, তাহার নাম সঞ্চারী। সঙ্গীতবেত্তারা এই সকল গীত বা উচ্চারণের আবার কতকগুলি অলঙ্কার নিরূপণ করিয়াছেন, তাহাতে গানের সৌষ্ঠব বৃদ্ধি হয় । [ গীতালঙ্কার সঙ্গীত শাস্ত্রে দ্রষ্টব্য । ] গীতের প্রারম্ভে ষে স্বরটা স্থাপিত হয়, তাহাকে গ্রহশ্বর, গীতসমাপক স্বরের নাম দ্যাসস্বর এবং গীতে যাহার বহুল প্রয়োগ আছে, তাহাকে অংশস্বর বলে। সঙ্গীতশাস্ত্রে জাতির ত্রয়োদশট লক্ষণ দেখিতে পাওয়া যায় । গ্রহ, অংশ, তার, মন্দ্র, হাস, অপন্যাস, সংন্যাস, বিদ্যাস, বহুত্ব, অল্পতা, অন্তরমার্গ, যাড়ব এবং ঔড়ব । এই ত্রয়োদশ লক্ষণ যাহাঁতে লক্ষিত হয়, তাহারই নাম জাতি। পূৰ্ব্বে যে গ্রামের কথা বলা হইয়াছে, সেই গ্রাম হইতে রাগ উৎপন্ন হয় । ইহা মনুষ্য প্রভৃতির চিত্তরঞ্জিত করে বলিয়া আদি সঙ্গীতবেত্তারা ইহার “রাগ” এই সংজ্ঞা দিয়াছেন। সংগীতদর্পণে লিখিত আছে যে, শিব ও শক্তির যোগে শিবের মুখ হইতে ঐরাগ, বসন্ত, ভৈরব, পঞ্চম ও মেঘনামক রাগ উৎপন্ন হয় এবং গিরিজার মুখ হইতে নটরাগ উৎপন্ন হয় । ( সংগীতদর্পণ রাগাধ্যায় ৯-১১ ) ইহাভে ষোধ হয় যে সৰ্ব্বপ্রথমে কেবল ছয়ট রাগই ছিল, সঙ্গীতবেত্তারা তৎপরে তাহা হইতে অপর রাগ, রাগিণী, উপরাগ প্রভৃতিও স্বষ্টি করিয়া লইয়াছেন। প্রাচীন সঙ্গীতশাস্ত্রে সৰ্ব্বসমেত বিংশতিপ্রকার রাগ ও ছত্রিশ প্রকার রাগিণী নিরূপিত হইয়াছে এবং রাগিণীকে রাগের ভার্য্য। বলিয়া বর্ণনা করা হইয়াছে । [ রাগ রাগিণী শব্দ দেখ। ] বিভিন্ন কালে সেই সকল রাগ রাগিণী হইতেই শুদ্ধ ও মিশ্রিত पछांट द टाटमक शैtङग्न श्रांतिकांग्न छुट्टैब्रां८छ् । एथॉफ्रैंौन ऊए পৰ্য্যালোচনা করিলে বোধ হয় যে প্রাচীন আৰ্য্য হিন্দুগণ হইতেই সৰ্ব্বপ্রথমে সংগীতবিদ্যার জুষ্টি হয় । পরে অপর y సి3 [ లిy ] --- গীতগোবিঙ্গ छाउँौtग्रग्न हेहांtठ खैब्रठि जाऊ कब्रिग्रांtछ्। भूगगधारनब्र আধিপত্য সময়ে সঙ্গীতবিদ্যার বিশেষ উন্নতি হইয়াছিল। (ত্রি ) গৈ কৰ্ম্মণি জ্ঞ। ২ শদিত । ( মেদিনী) ৩ স্তুত । ৪ যাহার গান করা হইয়াছে । “গীতা সুগীতা কর্তৃষা” ঐধর । গীতক ( ক্লী ) গীতমেব গীত-স্বার্থে কন। গীত । “নৃত্যৈঃ সবাদৈারূপদেবগীতকৈঃ” ( ভাগৰত ৮।১৫২১ ) গীতকণ্ডিকা (স্ত্রী) গীতস্ত কণ্ডিক ৬উৎ। সামবেদের পরিশিষ্ট । গীতক্রম (পুং) গীতস্ত ক্রমঃ ৬তৎ । তানবিশেষ। গীেত দেখ ] গীতগোবিন্দ ( পুং) গীতে গোবিলে যত্র বহুব্রী। মহা কবি জয়দেব কৃত একথানি গ্ৰন্থ । ইহাকে গীতকাব্য ও বলা যাইতে পারে। জয়দেব ইহাতে কবিত্বের পরাকাষ্ঠ। দেথাইয়াছেন, কবিতাগুলি অতিশয় মধুর ও প্রসাদগুণবিশিষ্ট গীতরূপে প্রায় সমস্ত কৃষ্ণচরিতই বর্ণিভ আছে, সকল কবিতাই শৃঙ্গাররসসংশ্লিষ্ট । এই গ্ৰন্থখানি দ্বাদশসর্গে বিভক্ত। ংস্কৃতে এরূপ ধরণের কাব্য প্রায়ই লক্ষিত হয় না । গীতগোবিন্দে শৃঙ্গার রসের আধিক্য দেখিয়া কেহ কেছ বলেন বে, নিগুণ ব্রহ্মের উপাসনা দুঃসাধ্য হেতু যখন লগুণভাবে কৃষ্ণরূপ ধোয়, তখন শৃঙ্গার ভাষ বর্ণনা করা জয়দেবের উচিত হয় নাই। কিন্তু কি স্বদেশীয় কি বিদেশীয় মুবুদ্ধিমান ও সম্ভাবগ্রাহী পণ্ডিতের এই গ্রন্থের স্বগ্নতত্ব এবং ভজু্যচ্ছসিক প্রণালীতে মোহিত হইয়। উক্ত কারণে ঘোষব্যক না করিয়া ইহার অশেষ গুণ কীৰ্ত্তন করিয়াছেন । তাহারা ইহাঁর রূপকরচনায় অতি সুন্দর ব্যাখ্যা করিয়াছেন। এতদেশের স্বপ্রাজ্ঞ ভক্তবৃন্দের কথা দুরে থাকুক, বিদেশীয় অহিন্দু নানা বিদ্যবিশারদ ভাষাতত্ত্বজ্ঞ প্রত্নতত্ববিৎ অনেকেই গীতগোবিন্দ পাঠে মোহিত হইয়। তৎমধুরভাব মধুরচ্ছন্দ নিৰ্ম্মল ভক্তিপীযুদ্ৰসিক্ত প্রবন্ধ আলোচনা করিয়া কি শব্দবিদ্যাসে ইহার গুণ কীৰ্ত্তন করিবেন, তাহ স্থির করিতে পারেন নাই। সৰ্ব্বপ্রথম সরু উলিয়ম্ জোন্স ইংরাজিভাবায়, পণ্ডিত ল্যাসন ল্যাটিন্‌ভাষায়, রূফর্ট জৰ্ম্মণ ভাষার এবং মুকবি এড্‌উইন আৰ্ণল্ড ইংরাজী কাব্যে এই গ্রন্থের অনুবাদে এই গ্রন্থসম্বন্ধীয় মহাপ্রয়োজন বিবয়ের অল্পাধিক স্থনার মন্তব্য লিথিয়াছেন। তাহার! সকলেই ভাগবতের অধ্যাত্মভাবানুযায়িক ইহায় অর্থ বুঝিতে এৰং বুঝাইতে চেষ্টা করিয়া८छ्न । देशांब्र श्रप्नक प्लेौक "s श्रtनरा४णि थाईौन दण1স্থবাদ দৃষ্ট হয়, ভষ্মধ্যে রসময়দাদ ও কবিগিরিধর কৃত পদাজুবাদ প্রধান । বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, গোবিন্দদাস, জ্ঞানদাস প্রভূতির রচিত পদরচনায় গীতগোবিন্দের রচনা কৌশল