পাতা:বিশ্বকোষ পঞ্চম খণ্ড.djvu/৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


थत्रांशंऊि [ రి T-I-T- o “পুনঃ স্বৰ্য্যাৰ্চনং বক্ষ্যে যথোক্তং ভূগবে পুর। ওমুখখোল্কায় ওম্ নমঃ।” ( গারুড় ১৬ অঃ ) ২ কাশীস্থিত আদিত্যবিশেষ । “খখোক নাম ভগবান আদিত্যঃ পরিকীর্তিতঃ " " ( কাশীখণ্ড ৫০ অঃ ) [ কাশী দেখ। ] খগ (পুং ) থে আকাশে গচ্ছতি খ-গম-ড। ১ স্থৰ্য্য। ২ গ্রহ। “আপেক্লিমে বদি খগাঃ সকিলেন্দুযার: " (নীলকণ্ঠ ) ও দেব। ৪ শর। ( পুং স্ত্রী) ও পক্ষী। স্ত্রীলিঙ্গে উীন্থ হইয়া থগী শব্দ হয় । “খগচষ্ণুপুটদ্রোণী পুরণে তব ক: শ্রমঃ” (চাতকাষ্টক ) ( পুং ) ৬ বায়ু । ( শব্বরত্নাবলী ) । ৭ শলত, একপ্রকার ফড়িঙ্গ, চলিত কথায় পঙ্গপাল বলে। (ত্রি ) ৮ যে আকাশমার্গে গমন করে, আকাশগামী । ( পুং ) ৯ পাতালস্থ ভোগবতীতীরবাসী একটা নাগ । (ভারত ৫ অঃ ) খগখান ( ক্লী) খন্ততে খন কৰ্ম্মণি-ঘএ ধগানাং খানং। বৃক্ষ কোটর, গাছের খোড়ল । খগগতি (স্ত্রী) খগানাং পক্ষিণাং গতিঃ ৬তৎ। পক্ষিয় গতি । মহাভারত কর্ণপর্কে ১০১ একপ্রকার পক্ষিগতির কথা আছে । টীকাকার নীলকণ্ঠ তাহার বিবরণ এই প্রকার লিথিয়াছেন। যথা—১ উৰ্দ্ধদিকে গমনের নাম উড্ডীন। ২ অধোদেশে গতির নাম অবউীন। ৩ চতুৰ্দ্দিকে গমনের নাম প্রডীন । ৪ গমনমাত্রের নাম উীন। ৫ ধীরে ধীরে গমনের নাম নিউীন। ৬ ললিতগমনের নাম সংউীন। তিৰ্য্যক্ উীন দিক্ ভেদে ৪ প্রকার। ১১ মল্লগমনের অমুকরণের নাম বিউীন । ১২ সকলদিকে গতির নাম পরিডীন । ১৩ পরাউীন বা পশ্চাদগতি । ১৪ উড়ানক বা স্বর্গগমন । ১৫ অভিডীন বা বারংবার গমন । ১৬ মহাউীন অর্থাৎ সোজাভাবে গমন । ১৭ নিউীন অর্থাৎ বেগে গমন । ১৮ প্রচণ্ডবেগে গমনের নাম অতিড়ীনক। ১৯ অবউীন .অর্থাৎ নীচের দিকে গমন। ২০ প্রডীন অর্থাৎ মনোহর গমন । ২১ সংউীন অর্থাৎ ঘুরিয়া পতন । ২২ উীনভীনক। ২৩ সংড়ানোডীন উীন বা উৰ্দ্ধদিকে সংঙীন। ২৪ গমন করিয়া ক্ষণকালের মধ্যে ফিরিয়া পক্ষসংপাতের নাম উীনবিউীনক। ২৫ লমুড়ীন অর্থাৎ উর্দ্ধ ও অধোগতি । ২৬ পক্ষগমন । এই ২৬ প্রকার গতির মহার্ডান ব্যতীত অপর ২৫ প্রকার গতি গমন, আগমন ও প্রত্যাগমন ভেদে ৩ প্রকার, সৰ্ব্বসমেত হইল ৭৬ প্রকার এবং নিকু লীনক ২৫ প্রকার। ( তারত কর্ণপৰ্ব্ব ৮১ অঃ নীলকণ্ঠ ) নিকুলীনক দেখ। ] ২ গ্রহদিগের গতি । খগঙ্গা (স্ত্রী) খন্ত আকাশস্ত গঙ্গা ৬তৎ। আকাশগঙ্গা, মন্দাকিনী । ( ত্রিকাও” ) খগপতি (পুং) বগা পাতি ধগপাক । আৈতোইযুগলর্গে কঃ । পা ৩২৩) গরুড় । গরুড়ের সমস্ত পক্ষীর উপর আধিপত্য প্রাপ্তির কথা ভারতে এইরূপ বর্ণিত আছে । কোন সময়ে প্রজাপতি কগুপ পুত্ৰকামনায় একটা বৃহৎ যজ্ঞের উদ্যোগ করেন। তাহার যজ্ঞানুষ্ঠানের সংবাদ পাইয়া দেবগণ, ঋষিগণ, গন্ধৰ্ব্বগণ প্রভৃতি সকলেই উপস্থিত হইলেন । কগুপ বুঝিয় মুঝিয়া সকলকে কোন না কোন একটা কার্যের ভার দিতে লাগিলেন। দেবরাজ ইন্দ্র ও অঙ্গুষ্ঠপ্রমাণ বালখিলা মুনিগণ কাঠ আনিবার জন্ত নিযুক্ত হইলেন। । ইন্দ্রের সহিত সকলেই কাঠ আনিতে চলিয়া গেলেন। বালখিল্য মুনিগণ একেই ত অতিশয় ক্ষুত্র, তাহাতে আবার অনাহার, কাজেই তাহারা অন্ত কাঠ লইতে পারিলেন না। সকলে মিলিয়া একট পত্রবৃন্ত মরি মরি করিয়া ঘাড়ে তুলিয়া লইলেন এযং অতি কষ্টে চলিতে আরম্ভ করিলেন। ইন্দ্র অবশুই একখানি বৃহৎ কাঠ লইয়াছিলেন। বালখিল্যগণ নিৰ্ব্বিঘ্নে আসিতে পারিলেন না, পথে আসিতে আসিতে একটী গোস্পদে পড়িয়া গিয়া হাবুডবু থাইতে লাগিলেন। ইন্দ্র এই ঘটনা দেখিয়া তাহাদিগকে উপহাস করিয়া চলিরা গেলেন। মুনির আকারে ছোট হইলেও তাছাদের রাগের মাত্রাট কিছু বেশী ছিল । তঁtহার চটিয়া আর একটা যজ্ঞের মূহুষ্ঠান করিলেন । যাগের প্রধান উদ্দেশ্ব বর্তমান ইন্দ্র হইতে বলশালী । विठौग्न हेरठाग्न रटैि रुद्र! । हेटा ७निtङ श्रृंहेिग्रां ऊँौथ् श्हेলেন এবং কগুপের নিকটে যাইয়া সমস্ত বিবরণ বলিলেন । কগুপ বালখিল্যগণের যজ্ঞস্থানে উপস্থিত হইয়া তাহাদিগকে সাম্বন করিলেন, এবং যলিলেন, তোমাদের আয়োজন মিথ্য করিব না, তোমাদের যজ্ঞফলে ইন্দ্র হইতে বলশালী কোন একটা ইন্দ্রের উৎপত্তি হইবে বটে, কিন্তু সে সাধারণের ইন্দ্রস্তু পদ না পাইয়া কেবল পক্ষীগণের উপরেই আধিপত্য করিবে । কগুপের কথায় বালখিল্যগণ সস্তুষ্ট হইলেন । বিনতার গর্ত্তে গরুড়ের উৎপত্তি হয়। গরুড় অল্পদিন মধ্যেই সেই যজ্ঞফলে সকল পক্ষীর উপরে আপনার আধিপত্য স্থাপন করেন। ( ভারত ১।৩১ অঃ ) [ গরুড় দেথ । ] খগম (ত্রি) থে আকাশে গচ্ছতি খ-গম-অচ। ১ আকাশগামী, যাহারা আকাশপথে গমনাগমন করে। ( পুং ) ২ একজন সত্যবাদী তপস্বী। একদা ইহায় সখা সহস্রপাদ ইহাকে তৃণ