পাতা:বিশ্বকোষ পঞ্চম খণ্ড.djvu/৫৪৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গোয় [ & 8& I গোয়। তব করিতে থাকে। সৰ্পগণের স্তবে তুষ্ট হইয়া এবং পরশুরামের কথায় শিব ও পাৰ্ব্বতী ঐ তীর্থে নিয়ন্ত অবস্থান করিতে লাগিলেন। একদিন খগপতি গৰুড় ক্ষুধাৰ্ত্ত হইয়া সাপ খাইবার মানসে ঐ স্থানে আসিয়া উপস্থিত হয় । সাপের বুঝিল যে এখন শিবের আশ্রয় ভিন্ন আর উপায় নাই। তাহারা সকলেই শিবের শরীরে উঠিয়া জড়াইয়া ধরিল । শিব বলিলেন, *গরুড় তুমি এই তীর্থস্থিত সপদিগকে ভক্ষণ করিও না।” শিবের চক্ৰমে গরুড় কিছুই করিতে পারিল না। সাপেরাও নির্ভয় হইল । সেই হইতেই এই স্থানের নাম নাগাহায় হইয়াছে। ফণগণবিভূষিত শিব ও পাৰ্ব্বতী নিয়ত এইস্থানে বাস করেন । ঠতার পরে শাস্তনামে একজন মুনি ভগবতীর আরাধনা করেন। র্তাহার আরাধনায় সন্তুষ্ট হইয়া ভগবতীও বালিকাবেশে আবির্ভূত হন এবং তাহাকে অনিরুদ্ধের আরাধনা করিতে অনুমতি দেন। ব্রাহ্মণ দেবীর আদেশে অনিরুদ্ধের উপাসনা করেন, এবং তাহার আরাধনায় সন্তুষ্ট হইয়া অনিরুদ্ধ সাক্ষাৎ হইলে শাস্তাদেবীর সহিত র্তাহাকে এইস্থানে থাকিতে প্রার্থনা করেন । তদবধি শাস্তাদেবী এবং অনিরুদ্ধ এই স্থানে অবস্থান করিতেছেন। ইহা ছাড়া বিঘ্নরাজ ও ভূতনাথ এই দুই দেবতা ক্ষেত্রে নিয়ত অবস্থান করেন। এখানে দেব দর্শন, জপ ও হোমাদি করিলে অনন্ত ফল হয় । ( নাগাহবয়মা” ) শাস্ত। এথন শাস্তাদুর্গ নামে খ্যাত । বরুণাপুর—কোন সময়ে বরুশের নগরীতে যাইয়া কতক গুলি লোক পরশুরামের উপাসনা করিয়াছিল । রাম সস্তুষ্ট হইয়। বরুণকে একটী পুরী নিৰ্ম্মাণ করিতে অনুমতি দেন। বরুণ আপনার পূর্বের স্থায় মনোহর একটা পুর নিন্মাণ করেন। পরশুরাম সস্তুষ্ট হইয়া সেই পুরের নাম বরুণাপুর রাখিয়াছিলেন। একবৎসর বৈশাখ মাসের শুক্রবার নবমী তিথিতে সাত দিন পর্যন্ত রামোৎসব হইতেছিল। বরুণাপুরবাদী সকলেই আমোদে মাতিয়াছে, এই সময়ে সম্মুখ নামক এক দৈত্য সুযোগ পাইয়। পুরবাসী অস্বরের হাত চাইতে রক্ষা পাইবার জন্ত পরশুরামের উপাসনা করে। পরশুরাম দৈত্যনাশের উপায় করিবার জঙ্গ একট দেবমূৰ্ত্তি স্থাপন করিয়া দেন এবং সকল পুরবাসীকে তাহার আরাধনা করিতে অনুমতি করেন । পুরবাসীর আরাধনায় সন্তুষ্ট হইয়া দেবী ভাবণ খড়গাঘাতে মাঘ মাসের শুক্লপক্ষীয় ষষ্ঠীতিথিতে সেই অমুরকে বিনাশ করেন। উক্ত তিথিতে এই দেবীর আরাধনা করিলে মনোভীষ্ট পূর্ণ হয় । দুর্গা, ভদ্রকালী, বিজয়, বৈষ্ণবী, দণ্ডিক, কৃষ্ণ, যাধবী, কষ্টকা, V ১৩৭ - - - মায়া, নারায়ণী, শাস্তা, শারদ, অম্বিক, কাত্যাহ্মণী, বালছুৰ্গা, মহাঁযোগিনী, অধীশ্বরী, যোগনিদ্রা, মহালক্ষ্মী, কালরাত্রি, ও মোহিনী এই কয়ট নামে ঐ দেবী মূৰ্ত্তির আরাধনা করিতে হয়। ঐ দেবী মূৰ্ত্তির নাম মহালস ! (বরুণপুরাণ ) গোয়াবাসী হিন্দুগণ ইহাকে চলিত কথায় “মাল্যা” বলিয়া থাকেন। মাঙ্গীশ —কোন সময়ে শিব পাৰ্ব্বতীর সহিত দূত ক্রীড়া করিতে আরম্ভ করেন । দৈবক্রমে খেলায় পুণৰ্ব্বতীর জয় হয়। গৃহিণী দৃতিক্রীড়ায় পরাজিত গতিকে দুষ্ট একটা উপহাস বা চাটুবাক্যে তিরস্কার করেন । শিবের মনে বড়ই আঘাত লাগিল । তিনি গুহ ছাড়িয়া বনবাসী হইলেন । বৃদ্ধ ভোলা সাংসারিক সুখের আশায় জলাঞ্জলি দিয়া বনে বনে বেড়াইতে লাগিলেন । তিনি প্রথমে কৃষ্ণ ও বেণীর সঙ্গমে তপস্যা করেন । সেই স্থানে সঙ্গমেশ্বর নামে প্রসিদ্ধ হন। পয়শুরাম সেইস্তাম রাহ্মণদিগকে দান করায় শিব সেই স্থান পরিত্যাগ করিয়া সাগরের নিকটে যাইয়া অবস্থিতি করেন । ইহার পরে চম্পাবতীতে আসিয়া তিনি অনেকদিন তপস্তা করিয়াছিলেন । এই স্থানে রামেশ্বর নামে একটা লিঙ্গের দক্ষিণদিকে স্বয়ং সদাশিব বিরাজমান। ইহার পরে শিব গোমস্তক পৰ্ব্বতে গমন করেন । এই স্তানে গোমন্তকেশ নামে সৰ্ব্বজনপ্রসিদ্ধ লিঙ্গরূপে আবির্ভূত হন । এই লিঙ্গের পূৰ্ব্বদিকে ব্ৰহ্মা বিষ্ণু প্রভৃতি সকল দেবতাই বিরাজ করেন । লিঙ্গের পশ্চিমে যমেশ, উত্তরে ব্রহ্মবাদী ঋধিগণ এবং দক্ষিণে ভৈরব প্রভৃতি গণের অবস্থিত । ঋষিগণ শিবের দর্শন পাইবার জন্ত সাতকোট বৎসর অঘাশীনদী তীরে তপস্য। করেন । শিব সাক্ষাৎ হইলে তাহাকে লিঙ্গরূপে সেই স্থানে অবস্থান করিতে প্রার্থনা করেন। তাহাদের প্রার্থনায় সেই স্থানে সপ্তকোটশ্বর নামে এক লিঙ্গ স্থাপিত হয়, পঞ্চনদীতে স্বান করিয়া সপ্তকোটাশ্বরকে অবলোকন করিলে মনোভীষ্ট পূর্ণ হয়। গেমস্তের দক্ষিণভাগে সাগরের নিকটে অঘাশী নামে একটা নদী আছে। এই নদী সহাদ্রির পাদদেশ হইতে উৎপন্ন। আঘাশীর তীরে প্রসিদ্ধ কুশস্থলীপুরী । এই পুরীতে লোমশ নামে একজন পুণ্যাত্মা ব্রাহ্মণ বাস করিতেন। লোমশ কোন সময়ে চন্দ্রগ্রহণ উপলক্ষে সঙ্গমস্থলে স্নান করিতে উপস্থিত হন । ব্রাহ্মণ নদীতে অবগাহন করিলে একটা ভাষণ কুম্ভীর তাহাকে গ্রাস করে। দারুণ বিপদে লোমশ শিবের স্তব করিতে আরম্ভ করেন। শিব সাক্ষাৎ হইয়া তাহাকে রক্ষা করেন। সেইস্থানে লোমশ নামে এক লিঙ্গ স্থাপিত श्ी শিব লোমশকে বলিয়াছিলেন যে, এই গোমস্তক -- T