পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/১১৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


खांशूनि হইয়া আসিয়াছে। অার একটা শিরা বাহুর নীচে দিয়া আসিয়াছে; এইটী অত্যন্ত গভীর। এই দুই প্রধান শিরার শাখা প্রশাখা অঙ্গুলিতে জড়িত হইয়া আছে। অঙ্গুলি দ্বারা কি প্রকারে স্পৰ্শজ্ঞান জন্মে তাহ স্বায়ু শবো দেখ ] । আঙ্গুলের অগ্রভাগে নখ। নখ অস্থি হইতে গঙ্গায় না, ইহার উৎপত্তি চৰ্ম্মে। নখের মূলে সছিদ্র মোমের স্তায় এক প্রকার মাংস আছে, সেই মাংস হইতে ইহা বাড়িতে থাকে। নখ শিঙের দ্যায় পদার্থ; ইহার প্রধান উপাদান অঙ্গার ও গন্ধক । অঙ্গুলির পীড়ার মধ্যে আঙ্গুল হাড়াই সচরাচর ঘটিয়া থাকে। অঙ্গুলির অগ্রভাগ ফুলিয় উঠে, দৰ্প দপ্ত বেদনা করে । এই যন্ত্রণায় রোগী তিলাৰ্দ্ধকাল সুস্থির থাকিতে পারে না। রাত্রিতে নিদ্রা হয় না । আঙ্গুলহাড় রোগ নিতান্ত সহজ নয়। প্রথম হইতে ভালরূপ চিকিৎসা না হইলে ভিতরের অস্থি পর্য্যন্ত পচিয় বাহির হয় এবং চিরকালের মত অঙ্গুলি ছোট ও বিকৃত झहेग्रो ग्राख्न । চিকিৎসা—পীড়ার একটু স্বত্রপাত দেখিলে কদাচ কালক্ষয় করিবে না । প্রথমাবস্থা হইতেই ভালরূপ চিকিৎসা করানো কৰ্ত্তব্য। এদেশে আঙ্গুলহাড়ার অনেক প্রকার মুষ্টিযোগ আছে। সিমুলের কচি ডালের কাঠ বাহির করিয়া সেই খোলের ভিতর আঙ্গুল পূরিয়া রাখিলে উপকার করে। বজ্ঞডুমুরের আটা, মোচরস, সজিনার আটা, কাল কচুর আটা প্রভৃতি অনেক প্রকার স্ত্রব্য অনেকে ব্যবস্থা করেন। স্থূল কথা, প্রদাহ অতিরিক্ত হইলে তাহাতে নিশ্চিত পূর জন্মে, কোন ঔষধে তাছা নিৰায়ণ করা যায় না। তখন অস্ত্র প্রয়োগই এক মাত্র উপায়। হোমিওপ্যাণী—পীড়ার প্রথমেই গরম জলে লবণ গুলিয়া তাহাতে পুনঃ পুনঃ হাত ডুবাইয়া রাখিবে। সেবনের জন্ত চক্‌মকীর পাথরের আরক (Silicea ) মহৌষধ। ইহার ১২ ডাই• তিন ঘণ্টা অন্তর সেবন করিবে। ইহাতে উপকার না হইলে বেদনাস্থানে পুনঃ পুনঃ জলসেক এবং মসিনা ও বৃতমিশ্রিত পুলটিস দিবে। পূরসঞ্চিত ন হইলেও আস্কুলের মাথা অধিক ফুলিয়া উঠিলে বেদনাস্থল চিরিয়া দেওয়া কৰ্ত্তব্য। অন্ত্র করিবার সময় বিশেষ সতর্ক হইবে। জঙ্গুলির দুই পার্শ্বে নাড়ী আছে, অতএব ঐ সকল মাষ্ট্ৰী বঁাচাইয়। পর্ক্সের [৯১] o- जकूनि মধ্যস্থলে চিরিয়া দিবে, এবং কাচ পর্ক্সের ষোড়ের উপর অস্ত্রাঘাত করিবে না । অন্ত্র করা হইলে প্রত্যহ ছুই তিনবার মলিনার পুলটিস্ দিবে এবং সেবনের জন্ত লিলিক ব্যবস্থা করিবে । এলোপ্যাণী—অঙ্গুলিতে প্রয়োগ করিবার জন্ত উপরে যে প্রকার ব্যবস্থা লিখিত হইল তদনুরূপ কাৰ্য্য করিবে । আঙ্গুলে পচা ক্ষত হইলে ভিতর হইতে পচা হাড় বাহির করিয়া ফেলিবে। পরে প্রতিদিন এক ভাগ কার্বলিক এসিড এবং ১৬ ভাগ গরম জল একত্র মিশ্রিত করিয়া ক্ষতস্থান ধৌত করিবে এবং বোরাসিক মলম লাগাইবে । লৌহ (টিঙ্কার ক্টিল ৫ বিষ্ণু, অৰ্দ্ধছটাক छण), क७निङग्न देख्न, बृहेनाहेन, बाई ७ ७त्यानिङ्गा এই সকল জব্য সেবন করিবে । সাংসারিক কাজকৰ্ম্ম করিতে অঙ্গুলিই প্রধাম ইঞ্জিয়। তাই সচরাচর আস্কুল কাটিয়া যায় ; ঘারে, যাতায়, টেকীতে ও কলে আঙ্গুল ছেচিয়া ও কুটিয়া যায়। কাটা श्रांत्रूण निब्रा अउारु ब्रख् श्रफ़िरण ठ९क्रभा९ उिखाকাপড় দিয়া অঙ্গুলিটী আঁটির র্যাধিবে এবং হাত উচ করিয়া থাকিবে। ক্ষতস্থানে আপনি ফাইব্রিন জমিয়া রক্ত বন্ধ করিয়া দেয়। অতএব প্রথমে কাটাস্থানে জল চালিবে না ; জল ঢালিলে রক্ত জমিতে পায় না । কাল কালকাস্বদেও আমটেওর পাতা রক্ত ৰন্ধ করিবার উৎকৃষ্ট ঔষধ।কালকামুঙ্গে কিম্বা অামটেওর পাত হকার জলে বাটিয়া কাটাস্থানে লাগাইলে তৎক্ষণাৎ রক্ত ৰন্ধ হইয়। " যায়। ফট্‌কিরি, লৌহের আরক, বরফ প্রভৃতি দ্রব্য কাটাস্থানে দিয়া আঁটিয়া বাধিলে রক্ত বন্ধ হয়। ঘর্ষ ঘাস চিবাইয়া দিলেও এই ফল দর্শে । আঙ্কুলের ८भाषैः नाएँौ काफ़ेिब्र, cर्णtण रुशन कथन ७३ जरुण উপায়ে রক্ত বন্ধ করা যায় না। তষ্কপ স্বলে একটা লোহার ক্ৰব্য আগুনে অল্প পোড়াইয়া কাটাস্থানে ছেক দিবে। তাহাতে অবিলম্বে রক্ত বন্ধ হইয়া যায়। কোন প্রকারে আঙ্গুল হেঁচিয়া গেলে সুচিকিৎসক স্বারা চিকিৎসা করানো উচিত। কারণ ভিতরের অস্থি . চূৰ্ণ হইলে জঙ্গুলির কিয়দংশ কাটির ফেলিতে হয়। নী कारिल क्लबश: $ हाम *क्लिष्ठ रॉष्क अरु९ अवtअरब প্রাণ সংশয় হইতে পারে। জঙ্গুলির অগ্রভাগ স্নায়ুমণ্ডলে জড়িত, তজ্জন্ত ক্ষাঘাত লাগিলে কখন কখন চুইজাৰ রোগ উপস্থিত হয়। অঙ্গুলিতেজস্কি ভাষাতমালাগিলে ।