পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/২০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জাদ মগ রত্ন পড়িতে লাগিল। রাজা সেই সকল অমূল্য রত্ন মাটীতে পুতিয়া রাখিয়া তক্ষারিকে তাহার অধ্যক্ষ করিলেন। এই গুরুর অট্টালিকাও স্বর্ণ রৌপ্যে মণ্ডিত ছিল। প্রজার প্রতিদিন সেখানে গিয়া দেবার্টুন করিয়া আসিত। দেবালয়ে য়াত্রিদিন অসংখ্য দাসদাসী ছিল, কাজেই অতিথি আসিলে তাহাদের পরিচর্য্যার কোন ক্রটি হইত না। নৃপতি সৰ্ব্বদাই পাঁচখানি ধৰ্ম্মগ্রন্থ পড়িতেন। শাস্ত্রে যে কাজ করিতে নিষেধ আছে, নৃপতি কখন তেমন কৰ্ম্মে হাত দিতেন না। স্থাস, শূকর, পায়রা, ছাগল এবং মুর্গার মাংস অভক্ষ্য। পুরোহিতেরা তাহা স্পর্শও করিতেন না। দুঃশীলতা, চৌর্য্য, পরদার এবং প্রবঞ্চন রাজ্য হইতে একেবারে উঠিয়া গিয়াছিল। আমার চরিত্র এবং ধৰ্ম্মনীতি ঠিক সেই রাজার মত। কিন্তু আরাকান রাজ্য যখন আমার হাতে আসে নাই, সে সমরে তথাকার লোক যেন সাপের মত ছিল,—সৰ্ব্বদাই কেবল বিবাদ বিসম্বাদ করিত। মগধ, মৈনবঙ্গ, দ্বারাবতী, চগদাগ, ও রহ্মবতী প্রভৃতি দেশের লোক মানুষ খাইত এবং সকলেই অতিশয় দুষ্ট ও নিষ্ঠুর ছিল, কেহ কাহারে বিশ্বাস করিত না। তৎকালে বুদ্ধদত্ত, তাহার আর একটী নাম শ্ৰীবৎ ঠাকুর, আরাকানে আসিলেন। কি মনুষ্য, কি বনের পশু, সকলকেই তিনি ধৰ্ম্মজ্ঞান দিয়াছিলেন, তাই পাচ হাজায় বৎসর রাজ্যে কোন বিশৃঙ্খল ছিল না। আমার শাসননীতি ঠিক সেই রকম। আর এখানকার কোন স্থানের মাটীতে বেশ এক প্রকার সুগন্ধ তৈল ছয় । আমার ক্ষমতাও সেই রূপ অন্যান্য রাজার চেয়ে শ্রেষ্ঠ। জাম্ফৰু নামে আমার প্রধান পুরোহিত আর আর ধৰ্ম্মযাজকদের সঙ্গে পরামর্শ করিয়া, ১৫ প্ৰষে (পৌষ ? ) ১১৪৮ সালে আমাকে জিজ্ঞাসা করিলেন,—আপনি কি শ্ৰীবৎ ঠাকুরের মতে চলেন ? বাস্তবিক আমি শ্ৰীবৎ ঠাকুরের মতানুসারেই চলিয়া আসিতেছি। বিশেষতঃ, আমি রাজ্যের ভিতর অনেক দেবালয় নিৰ্ম্মাণ করাইয়াছি এবং ঐতুম চুক্ৰমার আইনের প্রতি দৃষ্টি রাখিয়া দয়াদাক্ষিণ্য সহকারে প্রজাপলিন করি। o আরাকান রাজ্য চট্টগ্রামের সন্নিকটে। বাণিজ্যের নিমিত্ত ইংরেজের আমার সঙ্গে যদি সন্ধি করিতে চাহেন, তাহ হইলে সকল বিষয়েই একতা ও স্বদ্যতা 數 - ... [891 [ ১৮১ ] আদি অগ থাকা আবশুক। তাই আমি আপনাকে জানাইতেছি যে, চট্টগ্রামের বণিকেরা এখানে আসিয়া মুক্ত, হাতীর ীিত এবং মোম ক্রয় করিতে পারিবে এবং এখানকার লোকেও চট্টগ্রামে ফ্রব্যাদি ক্রয় করিতে যাইবে । কিন্তু চট্টগ্রামের মগের ধৰ্ম্মভয়, ধৰ্ম্ম জ্ঞান সকলি ছাড়িয়াছে। তজ্জন্ত তাহীদের চরিত্র সংশোধন কয়! আবগুক । आमि जिभ छम ८णाटकब्र गठन फ्रांब्रिगै शाउँौद्र मैाउ পাঠাই। ঐ সকল লোক এই পত্রের প্রত্যুত্তর লইয়া আসিবে ।” - ১৭৮৭ খৃঃ অব্দের ২৪ জুন আরাকানের রাজা, চট্টগ্রামের সর্দারকে এক খালি পত্র লিখিয়াছিলেন। ফিউতী নামে জনৈক দমু্য আরাকান হইতে পলাইয়। চট্টগ্রামে গিয়া আশ্রয় লইয়াছিল। রাজা, সেই দন্থ্যকে ধরিয়া দিবার নিমিত্ত প্রার্থনা করেন। উপরের পত্রখানিতে অনেক কথা রহিয়াছে । তখনকার ইতুিহাস একটু পাওয়া গেল ; তখনকার আচার ব্যবহার অনেকটা বুঝা গেল। রাজ নিজমুখে আত্মগৌরব গাইয়াছেন, সে কথা ছাড়িয়া দিই। কিন্তু ছত্ৰে ছত্রে তিনি রাজাদের যে গুণগুলি বলিয়াছেন, তেমন কথা অসভ্য কি অশিক্ষিত লোকের মুখে আসে না, তাহ অবশু স্বীকার করিব । রাজা নিজে বৌদ্ধ ছিলেন, তবু তাহার অন্য ধর্শের প্রতি অনাস্থা ছিল না । আগে মগের মানুষ খাইত। আর, এই “কেরোসিন তেল’ তখনও ছিল । তাহার পর চট্টগ্রামের পাহাড়ী কুঙ্গথা জাতি, বোধ হয় আরাকানেরই অসভ্য লোক। ইহার, লুসাই, কুকী, প্রভৃতি অন্যান্ত জাতির সঙ্গে মিশিয়া গিরাছে, এখন তাই তাহাদের আদি ধরিতে পারা যায় না । ग्निशूद्रोब्र भूझन्न, कूशैौ द किल्लेशैौ, भूझब, cथझेत्र, বুঙ্গী, পান্থস, লুসাই বা কুকী, সিন্ধু বা লখের প্রভৃতি জাতির সঙ্গে তুঙ্গখাদের অনেক সাদৃশু{ঐ ঐ শবদেখ । কেহ কেহ এমনও অনুমান করেন যে, কতকগুলি পাহাড়ী পূৰ্ব্বে আদিবুদ্ধের সেবক ছিল বলির লোকে । তাহাদিগকে আদি মগ বলিত। এখন ক্রমে টাস্থার অন্ত জাতির সঙ্গে মিশিয়া যাইতেছে। :് তুঙ্গথার স্বত্র নয়। গায়ের রং মেটে মেটে, তাহাতে একটু তামায়বর্ণ মিশানে। শরীরের গড়মঞ্জ ভাল নয়। নাঙ্কটা ধান, মধ্যস্থলের ডাটা নাই বঞ্চি লেই চলে। অঙ্গে রূপ ও ধরেন, অথচ ভাষারই