পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


पयः । [ R ] অখণিম্ বিশেষে নঞের এই ছয় প্রকার অর্থ হয়— ( দুর্গাদাস ) । অৎসাদৃশ্যমভাবশ্চ তদন্যত্বং তদয়ত । অগ্রশস্তং বিরোধশ্চ নঞর্থ যুট, প্রকীৰ্ত্তিতাঃ । ১ । তাহার সাদৃশ্যে,—ন ব্রাহ্মণ অব্রাহ্মণ, ব্রাহ্মণসদৃশ। অর্থাৎ ব্রাহ্মণসদৃশ অন্য কোন জাতি, ক্ষত্রিয় কিম্বা বৈশ্য । ২ । তাহর অভাবে,—ন পাপং অভাব । ৩ । অন্য পদার্থের বোধে,—ন ঘট: অঘট: । ঘটভিন্ন অপাপং । পাপের অন্য কোন পদার্থ, যথা পটাদি । ৪। তাহার অল্পতায়,—অমুদরী, অর্থাৎ অল্লোদরী । বাহার ছোট পেট । ৫ । অপ্রাশস্ত্যে,—ন কাল; অকাল: । অর্থাৎ অপ্রশস্ত কাল । ৬। বিরোধে,—ম সুরঃ অমুরঃ । অর্থাৎ সুরবিরোধী। এই রূপ নঞ সমাসে উক্ত ছয় প্রকারের মধ্যে কোন না কোন একটা অর্থসঙ্গতি হয় । অধিক্ষেপে { তিরস্কারে ) ক্রিয়াপদ পরে থাকিলে নঞের স্থানে অ হয় । * । নঞো নলোপস্তিঙি ক্ষেপে অ পচfস ত্বং জালু । ( কাশিকা ) সম্বোধনে—অ ! অনন্ত অগিচ্ছ ভোঃ । বঙ্গালা ভাষায় এইরূপ স্থলে ও, উঃ এবং অl; প্রচলিত হইয়াছে। ও মূখ! তুমি কিছুই জাম না ? উঃ! কি মনস্তাপ ? আঃ ! কষ্টের রাত্রি পোহায় না। অ অনন্ত, এখানে পূৰ্ব্বে অকার এবং পরপদের আদিতে অকার আছে; কিন্তু এক স্বরের সঙ্গে সন্ধি হইল না। * । নিপাত একাজনাঙ, পা ১ । ১ । ১৪ । অ৷ ভিন্ন অন্ত যে নিপাত একাচ তাহ প্ৰগ্ৰহ সংজ্ঞক হইবে ( সুতরাং সন্ধি হইবে না ) । [ প্ৰগৃহাশক দেখ ] । অ (পুং ) বিষ্ণু [ ওঙ্কার দেখ ] (স্ত্রী) উীপ, ঈ লক্ষ্মী। কুন্ত্ৰাপি আকারে ব্রহ্মকে বুঝায়। যথা—অকার কেবল ব্ৰহ্ম একাক্ষর কোষে । ( অন্নদামঙ্গল।) তন্ত্রে আকারের আরও অনেক গুলি পর্য্যায় দেখা যায়। ৰথী-হুষ্ট, শ্ৰীক , মেধ, কীৰ্ত্তি, নিবৃত্তি, ব্ৰহ্মা, বামাদ্যজ, লারস্বত, অমৃত, হর, নরকারি, ললাট, একমাত্রিক,কণ্ঠ, ব্রাহ্মণ, বাগীশ, প্রণবাদ্য । । অ-উ-ম, এই তিন বীজবর্ণে প্রণবের উৎপত্তি যোগ সাধনের এইখানে একটা গৃঢ় সন্ধান আছে। যোগীর। বলেন, মন একাগ্র করিতে হইলে প্রথমাবস্থায় একেবারে, সমস্ত ওঙ্কাষ উচ্চারণ করিবে না। আগে ওঙ্কারের আদ্যचन ८करण चकाबू बभ रुद्रां क्राई । उाशं★ निद्रष uहे, o –পদ্মাসন বন্ধন পূৰ্ব্বক উন্নতভাবে বসিয়া মস্তক সন্মুখে বক্র করিবে এবং বক্ষের উপর চিবুক লাগাইবে। পরে, কণ্ঠের নিম্ন হইতে পুঁত অনুদাত্ত স্বরে অকার উচ্চারণ করিতে থাকিবে। ফ্রমে তরঙ্গের ন্যায় বক্র করিয়া অল্পে অল্পে স্বর উদ্ধে তুলিবে এবং প্লুত উদান্ত স্বরে অকারের উচ্চারণ করবে। পরিশেষে, ক্রমশঃ আবার স্বয় নামইয়া ত স্বরিত স্বরে অকার উচ্চারণ করবে। এই রূপ নীচ স্বরের অকার হইতে অল্পে অল্পে স্বয় উপরে তুলিতে গেলেই উকার আপনি আইসে। পরে, উপর হইতে স্বর নামাইবার সমর স্বল্পপতন কালে অনুনাসিক অকার আপনি আসিয়া পড়ে। ইহার সঙ্কেত এইরূপ — অ আ ~~আউউ ॥ উম্ — —— যাহারা যোগিদের মুখে প্রণবগাম শুনিয়াছেন,তাহা দেরই ঐ সুর হৃদয়ঙ্গম হইবার সম্ভাবনা । প্রথম প্রথম নির্জন স্থানে উচ্চৈঃস্বরে এই বীজবর্ণ উচ্চারণ করিতে হয়। উত্তমরূপ অভ্যাস হইয়। অসিলে, তখন উন্নতমস্তকে ধীরে ধীরে ঐ মন্ত্র জপ করিবে, যেন জিহ্বা ও ওষ্ঠাদি নড়ে না। এ প্রকার সাধনের ফল এই—জাপকের মন একাগ্র হয়, তিনি দীর্ঘজীবী হন, র্তাহার অন্তরস্থ বায়ু পিত্ত ও শোণিত শুক্র শোধিত হইতে থাকে, এবং সমাধির পূর্বাবস্থার মত সাধক নিদ্রাउिडूउ इन । ? কতকালের পুরাতন কথা এখানে লিখিলাম বলিয়। হয় ত অনেকে হাসিয়া ফেলিবেন । কিন্তু আর হাসিবার দিন নাই। পূৰ্ব্বে আমাদের দেখিয়া যাহার হাসিতেন, এখন তাহারা ও মাথায় হাত দিয়া ভাবিতে বসিয়াছেন। - ংস্থতপ্রিয় মোক্ষমূলর সাহেৰ ( Max Muller ) লিথিয়াছেন—“ওঙ্কার জপ করিয়া দেখ । প্রথমে ইহা অসার বোধ হইতে পারে, কিন্তু বাস্তবিক তাহ ময় । পুনঃ পুনঃ প্রণব উচ্চারণ করিলে ওঙ্কার জপ করা হয়। মনের একাগ্রতাসাধন এবং ব্রহ্মরূপ মহাকেজে চিত্তসন্নিবেশ করা উহার উদেণ্ড । হিন্দুরা যাছাকে মনের একাগ্রতা সাধন বলেন, আমরা তাহার মৰ্ম্ম জানি না” । অখণিন (ত্রি) ন খণ-ইন্‌ অস্ত্যর্থে। নঞ তৎ। কোন কোন পুস্তকে এই প্রকার রূপসিদ্ধি গৃহীত হইয়াছে। যথা—অখণী চাপ্রধাণী চ স বারিচর মোদতে । ( মহাভারত বনপৰ্ব্ব)। নঞ তৎপুরুষ সমাসে স্বর বর্ণ পরে থাকিলে আ স্থানে অন হয়। * । তন্মান্নড়চি। পা ৬। ৩। ৭৪। শ্বকারের হলস্বগ্রহণ সাধুসন্মত নহে। শুকায় অং