পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/৩৭২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অন্ত্রাবরোধ [૭8ઇ ] অন্ত্রাবরোধ श्राज्ञङ्ग ठिठtब्रङ्ग भश७ निम्न शिक इहेरठ उंt६ उँळेि उ थारक, cशष्य भूथ निब्र निर्शठ श्हेग्ना यांग । ५ ७थंकान অন্ত্রাবরোধে মলদ্বারে ঔষধের পিচকারী দিলে, রোগী মুখে তাহার আস্বাদ ও গন্ধ বুঝিতে পারে। ডাক্তার হাভেন্‌ ২৫৮ জন রোগীর অন্ত্রাবরোধ দেখিয়া এই পীড়ার কতকগুলি কারণ নিশ্চিত করেন । তাহার মীমাংসা, ১৮৫৫ খৃঃ অব্দে ফিলেডেলফিয়ার এক খানি পত্রে প্রকাশিত হয়। তিনি বলেন, অন্ত্রের ভিতরের শ্নৈগ্নিক ঝিল্লিতে এবং পেশীর পরদাতে কোন কোন পীড়া থাকিলে অস্ত্রাবরোধ ঘটিতে পারে। যথা— (১) অন্ত্রের ভিতরে কর্কট অর্থাৎ ক্যান্সার রোগ থাকিলে অন্ত্র যুড়িয়া যাইতে পারে। (২) কর্কট রোগ না থাকিলেও প্রদাহের জন্য, কিম্বা অন্ত্রে আঘাত লাগিলে অথবা অন্ত্রের মধ্যে দুষিত পদার্থ সঞ্চিত হইলে অন্ত্রের ছিদ্র বুজিয়া যায়। (৩) ক্ষতস্থান শুকাইয়া গেলে অন্ত্রও যুড়িয়া যাইতে পারে। (৪) জন্ত্রের ভিতয়ে অন্ত্রের কিয়দংশ প্রবিষ্ট (Intussusception ) হইলেও অন্ত্রের পথ রুদ্ধ হয় । (৫) বহুপদ (polyp ) নামে এক প্রকার কাঁটাগু আছে । ইহাদের দেহের উপরে সরু সরু শাখার মত বিস্তর অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বাহির হয় । মানুষের অন্ত্র প্রভৃতি শরীরের নানা স্থানে ঐ রূপ বহুপদ উপমাংস গজাইয়া থাকে। অন্ত্রের মধ্যে ঐ বহুপদ উপমাংস থাকিলে তখন অন্ত্রের তিতরে যদি অন্ত্র প্রবিষ্ট হয়, তাহা হইলে অন্ত্রের পথ রুদ্ধ হইয়া যায়। অস্ত্রের বাহির পৃষ্ঠের সিরস আবরণও বিকৃত হইলে অন্ত্রাবরোধ ঘটিতে পারে। যথা,— (১) অন্ত্র হইতে লসিকা অর্থাৎ লিম্ফ নির্গত হইলে তাহার দ্বারা অন্ত্র যুড়িয়া যাইতে পারে। (২) অন্ত্রে পাক লাগিয়া গুটাইয়া গেলে কিম্বা জয় আপনার স্থান হইতে সরিয়া গেলে অথবা কোন বক্রদিকে সরিয়া পড়িলে অন্ত্রাবরোধ ঘটে । (৩) অন্ত্রের বাহিরে অাব কিম্বা ফোড়া হইলে অস্ত্রাবরোধ হইতে পারে। (৪) স্থলান্ত্রের মধ্যে কিৰা মধ্যান্ত্রের মধ্যে অন্ত্রবৃদ্ধি, ইহায় জার একটা কারণ। ( e ) বক্ষের নিম্নস্থ আবরণে অর্থাৎ ডায়েফ্ৰামে অস্ত্রবৃদ্ধি । (৬) ওমেন্টম্ নামক পাকস্থলীর ও অন্ত্ৰবেষ্ট পরার ভিতর অন্ত্রবৃদ্ধি। (৭) রোধক অন্ত্রবৃদ্ধি। (৮) অন্ত্রের ভিতরে ফলাদির বীজ, ত্বক কিম্বা অন্ত কোন পদার্থ বদ্ধ হইরা গেলে, পাথরী আটকাইলে অথবা কঠিন মল বদ্ধ হইরা থাকিলে অস্ত্রাবরোধ হর । লক্ষণ— উদরে বেদন এবং বারম্বার বমনই এই পীড়ার প্রধান লক্ষণ । অস্ত্রাবরোধ ঘটিলে প্রথমে অল্প অল্প বমন হয়। বমনের সঙ্গে অজীর্ণ ভুক্ত দ্রব্য এবং শ্লেষ্মা বাহির হইয়া আসে। কিন্তু দুই তিন দিন পরেই বমনে বিষ্ঠার মত দুৰ্গন্ধ হয় ; শেষে বিষ্ঠাও নির্গত হইতে থাকে। এই সময়ে মলদ্বারে এরওতৈল কিম্ব অন্য ঔষধের পিচকারী দিলে, তাহার আস্বাদ মুখে জানিতে পারা যায়। কখন কখন সেই ঔষধও মুখের ভিতরে উঠিয়া আসে। তাহার পর পেটে অত্যন্ত বেদন উপস্থিত হর ; পেট ফাফিয়া উঠে ; টিপিলে হাতে শক্ত লাগে ; ঘন ঘন হিঙ্কা হইতে থাকে। ক্ষুদ্রান্ত্রের উপার ভাগ অবরুদ্ধ হইলে, ডায়েফ্রাম অধিক আকুঞ্চিভ হয় ; ভজন্ত দুরূহ হিকায় রোগীর প্রাণ ওষ্ঠাগত করিয়া তুলে। অন্তের স্বাভাবিক গতি বন্ধ হইয়া যায় বলিরা মল নিগত হয় না । রোগীর মন সৰ্ব্বদাই উদ্বিগ্ন, যন্ত্রণায় ক্ষণ কালের নিমিত্তও স্বস্তি হর না, রাত্রিতেও নিদ্রা আসে না । দেহের সন্তাপ কখন অল্প, কথন বা অতিশয় বুদ্ধি হয়। ক্রমে নাড়ীও ক্ষীণ এবং দ্রুতবেগে চলিতে থাকে। কঠিন অস্ত্রাবরোধে প্রায় এই অবস্থায় রোগীর মৃত্যু হয়। অস্ত্রাবরোধ হইলে ভিতরের অবরুদ্ধ স্থান একটু ফুলিয়া উঠে। পেটের উপরে হাত দিয়া সাবধানে পরীক্ষা করিলে ঐ ফুলা প্রথম হইতেই স্পষ্ট জানিন্তে পারা যার। ফুলার উপরে অঙ্গুলি দিয়া ধীরে ধীরে প্রতিঘাত করিলে, পূৰ্ব্বের মত ফাফা শব্দ হয় না। এই পীড়ার সঙ্গে কঠিন পেরিটোনাইটিসও অনেক স্থলে দেখিতে পাওয়া যায়। অধিক দিন অস্ত্র অবরুদ্ধ হইয়া থাকিলে ক্রমে ক্রমে নাড়ী পচিতে থাকে। কিন্তু অন্ত্রের কিরদংশ অন্ত্রের ভিতরে প্রবিষ্ট হইলে অতি শীঘ্র ও অধিক পচিয়া যাইবার সম্ভাবনা। অন্ত্রের উপর দিকে দ্বাদশাস্কুল্যন্ত্রের কোন স্থানে অবরোধ হইলে প্রথম হইতেই অত্যন্ত বমন হইতে থাকে। অন্ত্রের নিয় দিকে অবরোধ হইলে, প্রথম হইতে বমন না ঘটিতে পারে।