পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/৩৭৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অন্ধকূপ [ ৩৫১ ] অন্ধকূপ অন্ধকাসুহৃৎ (পুং ) অন্ধকস্ত অসুস্থাৎ শক্র । শিব। অন্ধকূপ (পুং) অন্ধয়তি ইত্যন্ধ: স চাসে কৃপশ্চেতি । অন্ধকারযুক্ত কৃপ। অন্ধঃ কপো যত্র। ৭-বহুত্ৰী। নরক বিশেষ। এই নরক অন্ধকারে আবৃত। এই জন্মে যে সকল লোক আত্মমুখের নিমিত্ত নীচ প্রাণীদিগকে কষ্ট দেয়, তাহারা ঐ নরকে গিয়া ক্লেশ ভোগ করে । অন্ধস্ত দৃষ্ট্যভাবস্ত কুপ ইব। মোহ। অন্ধকারবিশিষ্ট ঘর। তওয়াখানা। উত্তর পশ্চি মাঞ্চলে স্থানে স্থানে মাটর ভিতরে ঘর আছে । তাহার নাম তওয়াখানা বা অন্ধকূপ। গ্রীষ্মকাল পড়িলে রৌদ্রের তাপ অতিশয় বৃদ্ধি হয়, অগ্নির স্ফলিঙ্গের মত বাতাস ও লু চলিতে থাকে। তজ্জন্ত ধনবান লোকের দিবসে রৌদ্রের সময়ে সেই তওয়াখানার ভিতরে বাস করেন। বরফ ব্যবসায়ীরাও বরফ ধরিয়া অন্ধকূপের ভিতরে সঞ্চয় করিয়া রাখে, তাহাতে বরফ শীঘ্ৰ গলিয়া যাইতে পারে না । তাহার পর কলিকাতার অন্ধকূপ বৃত্তান্ত। আর সেই অন্ধকূপের মধ্যে ১৭৫৬ খৃঃ অব্দের ২১ জুনের রাত্রি। ৰত দিন চন্দ্র স্বৰ্য্য আকাশে ঘুরিয়া বেড়াইবে ; আর শীতের পর বসন্ত, বসন্তের পর গ্রীষ্ম আসিবে, সেই অন্ধকপ আর সেই কাল রাত্রি ততকাল সকলের মনে জাগিয়া উঠিবে। কলিকাতার পুরাতন দুর্গের বারিকের ঠিক দক্ষিণ দিকে একট ছোট ঘর ছিল। তাছাই এই অন্ধকূপ । এখনও অনেকে ট্যাঙ্গ স্কোয়ারের কোণে সেই অন্ধকূপের স্তান দেখাইয়া দেন। ১৮৩৪ সালে লায়েল ম্যাকিণ্টস, কোম্পানি তাহারই নিকটে দোকান করিয়াছিলেন । अझढ़* पहल्ले २४ कि मैौर्ष, २४ क्रेि ****** ১৪ ফিট উচ্চ। তাছাতে কেবল একটী দ্বার ছিল, এবং উপরে বারাণ্ডার কাছে দুইটী ছোট ছোট জানাল ছিল; তাহাও লোহার ডাণ্ড দিয়া অ'টা। ইংরাজ সেনার মধ্যে কেহ কোন অপরাধ করিলে তাহাদিগকে এই अकढ्रश्न भूद्विग्ना ब्राथः श्रेष्ठ ।। ७भन ** বাস করাই ষমদণ্ডের চেয়ে অধিক শাস্তি,—কাজেই অপরাধীর শাসনের নিমিত্ত আর বড় কিছু করিতে इड्रेऊ न । ১৭৫৬ সালে ২১ জুন সিরাজ-উ-দৌল আপনার সেনাপতি মিরজাফর ও সৈন্য সামন্ত লইয়া কলিকাতার अनिएनन। कल्ला श्षश्रङ श्हेन। किर्ड देखा" টকা বৈ পাইলেন ۰۰۰ره ها latft filه না। যে জাতি সমূদ্র পায় হইয়া এই দূরদেশে বাণিজ্য করিতেছে, তাহদেয় তহবিলে পঞ্চাশ হাজার টাকা স্থিত, একথা শুনিতেই অসম্ভব। তজ্জন্ত নবাব, ইংরাজদের তখনকার অধ্যক্ষ হলওয়েল সাহেবকে ডাকাইয়া অনেক ভয় দেখাইলেন, কত ভৎসনা করিলেন। কিন্তু তাহার, মনস্কামনা পূর্ণ হইল না। হলওয়েল সাহেব টাকার কথা কিছুই ব্যক্ত করিলেন না। অগত্যা সিরাজউ-দোলা, মিরজাফয়েয় হস্তে ইংরাজ বনিদিগকে সমর্পণ করিয়া সেখান হইতে প্রস্তান করিলেন । তখনকার এক এক জন ইংরাজ বণিকের দৌরাত্ম্য সাত শত সিরাজ-উ দোলার চেয়ে অধিক । তাছাদের অত্যাচারে বাঙ্গালা দেশ ব্যক্তিব্যস্ত হইয়াছিল । তাই নবাবের সেনাগণ ইংরাজ বন্দিদিগকে শাস্তি দিতে পরামর্শ করিলেন। ১৪৬ জন কয়েদীকে সেই ভয়ঙ্কর অন্ধকূপের ভিতরে প্রবেশ করাইয়া দ্বার রুদ্ধ করা হইল। সুহ্ম কালি করিয়া দেখিলে অন্ধকূপেয় মধ্যে ১৪৪ হাত স্থান হয়। প্রত্যেক হাতের ভিতরে এক এক জন মানুষ গায়ে গায়ে ঠাসাঠাসি করিয়া দাড়াইলেও দুই জনের স্থান হয় না। সিপাহীরা, তবু সেই ঘরের ভিতরে ১৪৬ জন মাহূব পূরিয়া দিল। ক্ষুদ্র ঘর, দ্বার রুদ্ধ ; ষে জানালা ছিল, তাহাও না থাকিবার মধ্যে। তাহাতে বাঙ্গালার জ্যৈষ্ঠমাসের রাত্রি ; আবার লোকের উপর লোকের ভিড়। যন্ত্রণার যত কিছু আয়োজন, সকল গুলিই এক ঠাই হইয়াছিল। গৃহের ভিতরে প্রবিষ্ট হইলেই সকলের প্রাণ द%iन्न কাছে আসিয়া পড়িল। গ্রীষ্মে সৰ্ব্বাঙ্গে দর দর করিয়৷ ঘৰ্ম্ম ছুটিতেছে, দারুণ পিপাসায় বক্ষঃস্থল ফাটিয়া যাইতেছে, বন্দির কেবল ঠেলাঠেলি করিয়া ক্ষুদ্র জানালার কাছে যাইবার নিমিত্ত চেষ্টা করিতে লাগিল। কিন্তু ঘর সঙ্কীর্ণ, এক পা অগ্রসর হইবার স্থান নাই। তবু হলওয়েল সাহেব অতি কষ্টে জানালার কাছে আসিলেন। আসিয়া এক জন জমাদারকে বলিলেন,—“তুমি আমাদিগকে অন্ত ঘরে কয়েদ করিয়া রাখ ; আমি তোমাকে এক হাজার টাকা পুরস্কার দিতেছি। জমাদার নব।বের অনুমতি লইতে গেল। হতভাগ্য বন্দিরা আশাপথ চাহিয়া থাকিলেন। কিঞ্চিৎ কাল পরেই জমাদার ফিরিয়া আসিল, কিন্তু অভীষ্টসিদ্ধি হয় নাই। হলওয়েল সাহেৰ দুই হাজার টাকা দিতে চাহিলেন। এবার নবাব নিদ্রিত ছিলেন, তাহাকে কেহ জাগাইতে পারিল না।