পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/৪৬৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অভিচার ऊडिशांङिम, ( जि) अउिइख् िअडि-इन्-निनि । नऊ । নাশক । অভিঘাত সংযোগ কারক। অভিঘাতয়তি অভি-হন্‌-শিচ-গিনি । শক্র। যে নাশ করায়। অভিঘার (পুং ) অভিঘাৰ্য্যতে অভিতোইগ্নেী সিচ্যতে অভি-স্তু সেচনে-স্বার্থে ণিচ ভাবে ঘঞ । হোম। ঘুতের সংস্কার বিশেষ। কৰ্ম্মণি ঘঞ সিচ্যমান ঘৃত। অভিঘারণ (ক্লী ) অভিতোঘারণং জলাদিভিঃ বিধিন। সেচনং। অভি-স্ব-ণিচ ভাবে লুটি। য়ুতাদির সংস্কার বিশেষ । অভিচক্ষণ (পুং স্ত্রী) অভিচষ্টে অভি-চক্ষ-লু। অতিবিচক্ষণ । কৰ্ম্মকুশল । (স্ত্রী) টাপ, অভিচক্ষণ । * । চক্ষিঙঃ খ্যাঞ, । প। ২। ৪ । ৫৪ ৷ আৰ্দ্ধধাতুক প্রত্যয় পরে থাকিলে চক্ষি ধাতু স্থানে থ্যা আদেশ হয় । এই স্বত্রানুসারে এখানে ‘অভিথ্যান’ এই প্রকার রূপ হইতে পারিত। কিন্তু বিশেষ বাৰ্ত্তিক দ্বারা ইহার নিষেধ আছে । * । অসনয়োশ্চ প্রতিষেধে। বক্তব্যঃ । অস এবং আন প্রত্যয় পরে থাকিলে চক্ষি স্থানে থ্যা’ আদেশ হয় না। যেমন, অস্—মৃচক্ষ রাক্ষস। অন–বিচক্ষণ, অভিচক্ষণ পণ্ডিত ইত্যাদি । অভিচর (ত্রি ) অভিতঃ আজ্ঞাপালনার্থং সম্মুখে চরতি অভিচের-আচু। ভৃত্য। সন্মুখে আগত। ( স্ত্রী ) উীপ, অভিচরী । [অনুচর শবো স্বত্র দেথ ] | অভিচরণ (ক্লী) অভি-চয়-লুটি । শক্ৰ মরণের মিনিত্ত বিহিত শুেন যাগাদি । মারণাদি ক্রিয়া । অভিচরণীয় (ত্রি) অভিচরণমর্হতি । অভিচর-ছ। যে শক্রকে মারি বার জন্য অভিচার করা আবশুক । অভিচার (পুং) অভি-আভিমুখ্যেন বিঘাছ্যুৎপাদনাৰ্থং চার আচরণং । অভি-চর-ভাবে ঘএ । হিংসা কৰ্ম্ম। পূৰ্ব্বে অথৰ্ব্ববেদোক্ত মারণ উচ্চাটনাদি অভিচার এবং মূল কৰ্ম্ম প্রভৃতি নানা প্রকার ক্রিয়া সম্পন্ন করা হইত। তন্ত্ৰে পাচ প্রকার অভিচারের উল্লেখ আছে। যথা,— ১ মারণ, ২ মোহন, ৩ স্তম্ভন, ৪ বিদ্বেষণ, ৫ উচ্চাটন, ৬ বশীকরণ। ১ মারণ—ক্রিয়াদি দ্বারা কাহার প্রাণ নষ্ট করা। ২ মোহন—কাহারও মনকে ভুলান। পূৰ্ব্বে রাজসভা প্রভৃতি স্থানে যাইতে হইলে কোন কোন ব্যক্তি এক একটা ক্রিয়ার অনুষ্ঠান করিয়া যাইতেন । লোকের এই রূপ বিশ্বাস ছিল যে, প্রভুরা তদ্বারা মুগ্ধ হইয় গুহার প্রতি সন্তুষ্ট হইতেন । ৩ স্তম্ভন,—ম স্ত্র প্রভৃতির দ্বারা মন্ত্র অগ্নি প্রভৃতির শক্তি নষ্ট করা। পূৰ্ব্বে [ 88૭] ভক্তিচার লোকের এই রূপ বিশ্বাস ছিল ষে, এমন মন্ত্র ও ঔষধাদি আছে, যদ্বারা শরীরে অস্ত্রাঘাত লাগে না, আগুন দিলে পুড়িয়াও যায় না। ৪ বিদ্বেষণ—দুই জনের পরস্পর অতিশয় প্রণয় আছে, কিন্তু বিশেষ ক্রিয়াদি দ্বার তাহাদের মন ভাঙ্গিয়া বিরোধ জন্মাইয়া দেওয়া । ৫ উচ্চাটন—মন অস্থির করিয়া দেওয়া। উন্মত্ত করিয়া দেওয়া । ৬ বশীকরণ-কোন স্ত্রীলোক প্রভৃতিকে বশীভূত করা। ১ মারণ—পূৰ্ব্বে মারণ অনেক প্রকারে করা হইত। এখনও কোন কোন স্থানে অজ্ঞলোকের মধ্যে এই ক্রিয়া চলিত আছে। তন্ত্রসারের মতে মারণ প্রক্রিয়। এই রূপে সম্পন্ন করিতে হর । প্রথমে যথানিয়মে দেবীর পুজা হোমাদি করিবে। তাহার পর বধ্য শত্রুর মাম ধরিয়া খড়গ অভিমন্ত্রিত করা আবশ্বক। ওমৃ বিরুদ্ধে রূপিণি চণ্ডিকে বৈরিণমমুকং দেহি দেহি স্বাহা। পরে একটা ছাগল লইয়া— ছাগাদিকমমুকোসি—এই রূপে শত্রুর নাম করিয়া অভিমন্ত্রিত করবে। এই প্রকরণ শেষ হইলে ছাগলের মুখের তিনস্থান রক্তবর্ণ স্থতার দ্বারা বাধিয়া শত্রুর নাম উচ্চারণ পূর্বক তাহার প্রাণপ্রতিষ্ঠা করিতে হয়। তাহার মন্ত্র এই,—ওম্ অয়ং স বৈরী যো দ্বেষ্টি তমিমং পশুরূপিণং । বিনাশয় মহাদেবি স্ফেং স্ফেং খাদয় খাদয় । এই মন্ত্র পাঠ করা হইলে ছাগলের মাথায় পুষ্প দিয়া তাহার পূজা ও বলিমন্ত্র পাঠ করিবে। পরে এই মন্ত্র পড়িয়া বলিকে উৎসর্গ করিতে হয়,—অদ্যাখিনে মাসি মহানবম্যাং অমুকগোত্রোইমুকদেবশৰ্ম্ম অমুকশত্রুনাশায় ইমং ছাগং অমুক দৈবতং ভগবত্যৈ দুর্গায়ৈ তুভ্যমহং সম্প্রদদে । অতঃপর,—আং ক্রুং ফট-এই মন্ত্র পড়িয়া বলিকে ছেদন করিবে। এতক্রধিরং দুর্গায়ৈ নমঃ,— এই বলিয়া রক্ত ও মস্তক দিয়া শেষে মূল মন্ত্র পাঠপূৰ্ব্বক অষ্টাঙ্গের মাংস দিয়া হোম করিলে তৎক্ষণাৎ শক্রর প্রাণ নষ্ট হয় । তান্ত্রিক লোক এবং সাধারণ দুষ্টব্যক্তিরা এখনও মারণাদি অভিচার করিয়া থাকে। কথিত আছে, শতভিষা নক্ষত্রে রাত্রি দুই প্রহরের সময় জলে ডুবিধ। শত্রুর নাম করিয়া র্যাতি দ্বারা এক চাপে একটা মুপারি বাটিলে শক্রর প্রাণ নষ্ট হয়। মাময় প্রাচীন লোকদেয় মুখে গল্প শুনিয়াছি, পূৰ্ব্বে যাহারা মারণাদি অভিচার ক্রিয়া করিত, রাজা এবং বাঙ্গালার জমিদারের। লে