পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/৫২০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আছে যে, মহারাজ মামসিংহ এই মহাদেবকে যশোহর হইতে আনিয়াছিলেন। ক্রমে দুই ক্রোশ পথ ফুরাইল, বাকি এক ক্রোশ । কিন্তু এই এক ক্রোশ স্থাটিবার শ্রম একযোজনের চেয়ে বেশী। সোজা চালু পথ ক্রমে ক্রমে উপর দিকে উঠিয়াছে ; তাঞ্জাম প্রভৃতি লইয়া যাইতে হইলে বেহারাদিগকে গলদঘৰ্ম্ম হইতে হয়। চারি জন বেহার। তাঞ্জাম কাধে বহন করে, দুই জনে সম্মুখের বাট ধরিয়া টানে, আর দুই জনে দুই পাশ ধরিয়া থাকে, তবে উপরে উঠিতে পারা যায়। নামিবার সময়েও এই রূপ কষ্ট। উট, হাতী, ঘোড়া, গোরু প্রভৃতি বলবান পশুরাও ধীরে ধীরে পা ফেলিয়া উঠিতেছে আর নামিডেছে। এই রূপ চুরারোহ পথ দিয়া কিছু কম অৰ্দ্ধ ক্রোশ উঠিয়া আবার নামিতে হয়। তাহার পর অম্বর সহর । প্রথমে ধাম ভাগে ‘দিলারাম’ বাগ। এই উদ্যানে নানাবিধ ফলের ফুলের গাছ ; মধ্যস্থলে অনেক গুলি জলের ফোয়ারা ; পশ্চিম দিকে অট্টালিকা। বাগানে পালে পালে বস্ত ময়ুর চরিয়া বেড়াইতেছে ; কেহ গাছের উপর হইতে দীর্ঘ পুচ্ছ ঝুলাইয়া দিয়া চাহিয়া আছে ; কেহ মাটর উপর ছায়ায় গুইয়া ঘুমাইতেছে; কেহ বা চাদসাজান পাখা ছড়াইয়া ঘুরিয়া ঘুরিয়া নৃত্য করিতেছে। কাছে যাও, শঙ্কা নাই। জয়পুরের মহারাজের আজ্ঞায় এ প্রদেশে ময়ূরকে কেহ হিংসা করিতে পারে না । দিলারাম বাগানের পশ্চিম পাশে মহৎ সরোবর । এই উদ্যান হইতে বাহির হইয়া একটা পথ উত্তর দিকে ভগ্ন নগরে চলিয়া গিয়াছে, আর একটা পথ কিঞ্চি দূরে পশ্চিমে রাজ প্রাসাদের দিকে আসিয়াছে। সহরে আর কিছুই নাই, কতকালের ধূমধামের পর নগর এখন ঘুমাইয়া আছে, হাট বাজার ভাঙ্গিয়৷ গিয়াছে। পূৰ্ব্বে এই খানে উৎকৃষ্ট বন্দুক এবং নান৷ প্রকার অন্ত্ৰ শস্ত্র প্রস্তুত হইত। এখনও সেই সকল অস্ত্র জয়পুরের রাজবাটীতে রহিয়াছে ; দেখিলে বিলাতী অন্ত্র অকিঞ্চিৎকর বলিয়া বোধ হয়। মহারাজ মানनिश्tश्द्र शरउद्र गाठी uहे थाप्न थखङ श्रेब्राझ्नि । বিধাতার হাতেয় নৈপুণ্য সন্ধ্যার আকাশে, আর কতকটা ময়ূরের পাখার ; মানুষের হাতের নৈপুণ্য মানসিংহের সামান্ত একগাছি লাঠীতে,--জগতে এমন । श्रमाद्र श्राद्र किडूहे नाहे । णाठीह ठेथप्न इशक्ङ्ग ; रुष्ठ [ ৪৯৬ ] অম্বর -T- FF রঙ, কত চিত্র বিচিত্র। প্রায় তিন শত বৎসর হইতে চলিল, আজও নুতন, আগাগোড়া সৌন্দর্য্য-ভরা,-- এখনও কেমন ঢল ঢল করিতেছে। সে কালে এই नाच्न अछाकु श्राङ्ग७ श्रानक जिल्ल काट्छन्न प्लेझठि হইয়াছিল। এখন অম্বরের শিল্পীয় জয়পুরে উঠিয়া আসিয়াছে। এখানে আর ধনী লোক নাই, কেবল সামান্ত অবস্থার প্রজারাই কষ্টে স্বষ্টে বাস করে। দোকানে ভাল খাদ্য সামগ্ৰী মিলে না, কেবল ছোলা ভাজা, গম, যব, ছাতু প্রভৃতি সামান্ত দ্রব্যই পাওরা যায়। তবে কোন কোন দোকানে ক্ষীরের মিষ্টান্নও মিলে। অম্বরের রাজ প্রাসাদ উচ্চ পৰ্ব্বতের নিয়ে একটা উন্নত স্থানে নিৰ্ম্মিত। ইহার পূৰ্ব্বদিকে একটা বৃহৎ সরোবর। এই সরোবরের নিকটে দিলারাম বাগ, তাহার পর রাজপথ। রাজপথের পুৰ্ব্বদিকে আর একটা পৰ্ব্বতমালা। রাজ বাটার দক্ষিণে উচ্চ পাহাড়ের উপরে বিখ্যাত জয়গড়। মানসিংহের ভ্রাতা-জগৎসিংহের পৌত্র মহারাজ মির্জা জয়সিংহ এই কেল্লা সম্পূর্ণ করিয়াছিলেন। জয়গড়ে মানসিংহের বহুমূল্য সম্পত্তি ভাণ্ডারে বন্ধ আছে। দ্বারে মোহর করা । সেই ভাণ্ডার কাহারও খুলিবার অনুমতি নাই। জয়পুরের স্বয়ং মহারাজও তাহা চক্ষে দেখিতে পান না। মিনার। অম্বর রাজবংশের পরমবিশ্বাসী প্রজা। পূর্বে তাহার রাজপুতনার চারিদিকে চুরী ডাকাইতি করিয়া বেড়াইত, কিন্তু এখানকার রাজাদের কখন কোন ক্ষতি করে নাই। অম্বরের সমস্ত রাজভাণ্ডার এখনও এই মিনা জাতির হাতে আছে। তাহার। অষ্টপ্রহর সেই সম্পত্তি চৌকী দেয়। মহারাজ মানসিংহ বাঙ্গালা জয়ের পর এক অত্যুচ্চ বিজয় স্তম্ভ এই জয়গড়ে স্থাপিত করিয়াছিলেন। সেই কীৰ্ত্তিস্তম্ভ আজও বিনষ্ট হয় নাই। রাজ বাটীর পশ্চিমে কিঞ্চি দূরে উচ্চ পাহাড়ের উপর প্রাচীন কুন্তলগড়। এই গড় হাজার বৎসরের পুরাতন ; এখন ভাঙ্গিয়া গিয়াছে, চারি দিকে জঙ্গল গঙ্গাইয়াছে । ভিতরে বাঘ ও বনশূকর লুকাইয়া থাকে। কুন্তলগক্ষের আরও উপরে ভূতেশ্বর মহাদেবের মন্দির। ইহাও অতিশয় প্রাচীন। উত্তর দিকের প্রাচীরের কাছে একট বৃহৎ মসিদ আছে। আজমীর হইতে যাতায়াতের সময়ে জনৈক মুসলমান সম্রাট এই মসিদ নিৰ্ম্মাণ