পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/৫৪২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অযোধ্য। রাক্ষসী । - বৈদিক ভাষায় সকল লিঙ্গেই সমাসাস্ত বহুব্রীহি সমাসে দস্ত শঙ্গ স্থানে দতৃ আদেশ হইতে পারে। কিন্তু লৌকিক ভাষায় কেবল স্ত্রীলিঙ্গে সংজ্ঞাবিষয়ে দতৃ फाटाभं झग्न । * । छ्मानेि 5 । *ीं ¢ । 8 । »8२ । * । প্রিয়াং সংজ্ঞায়াম্। পা ৫। ৪ । ১৪৩। এখানে দতৃ ইহার ঋকার স্ত্রীলিঙ্গে ঙীপ বিধানের নিনিত্ত গৃহীত হইয়াছে। ঋন্নেভো উীপ ইতি। অযোধ্য (ত্রি ) যোদ্ধং শক্যং যুং-গাং। নঞ তৎ। যুদ্ধ করিতে অশক্য। যাহার সঙ্গে কিম্বা যেখানকার লোকের সঙ্গে যুদ্ধ করা অসাধ্য। - অযোধ্যা (স্ত্রী) সুৰ্য্যবংশীয় রাজগণের রাজধানী। এখানকার রাজাদিগকে যুদ্ধে কেহ পরাস্ত করিতে পারিত না, তজ্জন্ত তাহাদের রাজধানীকে লোকে অযোধ্যা কহে। ' অযোধ্য প্রদেশ বা আউধ। পূৰ্ব্বে এই প্রদেশ কোশল নামে প্রসিদ্ধ ছিল। ইহায় উত্তর পুৰ্ব্ব দিকে নেপাল রাজ্য ; উত্তর পশ্চিম দিকে রোহিলখণ্ড ; দক্ষিণ পশ্চিমে গঙ্গা ; পূৰ্ব্বদিকে বন্তি এবং দক্ষিণ পূৰ্ব্বদিকে ধারাণসী বিভাগ। অযোধ্যাপুরী কোশলের প্রাচীন রাজধানী। মুসলমানদের সময়ে লঙ্কে নগরে রাজধানী ছিল। অযোধ্যা প্রদেশের মধ্যে চারিট প্রধান বিভাগ আছে। যথা,-লক্ষ্মেী, সীতাপুর, ফৈজাবাদ এবং রায়বেরিলী। লক্ষে বিভাগের অন্তর্গত আবার তিনট উপবিভাগ আছে ; লক্ষেী, উনাও এবং যারবাকি। সীতাপুরের অন্তর্গত তিনটা উপবিভাগ; সীতাপুর, হৰ্দ্দই এবং খেরী। রায়বেরিলীর অন্তর্গতও তিনট উপবিভাগ; রায়বেরিলী, সুলতানপুর এবং প্রভাপগড়। সমস্ত আউধ প্রদেশের পরিমাণ প্রায় ২৩,৯৯২ বর্গ মাইল । লোক সংখ্যা ১১,২২০,২৩২ ৷ এখানকার তালুকদারের প্রতিবৎসর গভর্ণমেণ্টকে প্রায় ১০,•••, • • • টাক} রাজস্ব দিয়া থাকেন। অতি প্রাচীনকালেই ভারতবর্ষের মধ্যে অযোধ্যা অতি প্রসিদ্ধ স্থান হইয়াছিল। স্বৰ্য্যবংশীয় নৃপতির। এই খানে রাজৰ করিতেন। রামায়ণে লিখিত আছে ८रु, श्रङ्गश् भन्नु अत्याशााभूौ निर्वा५ करङ्गन । हेराङ्ग পরিমাণদৈর্ঘ্যে ১ংযোজন এবং গ্রন্থে২ৰোজন। মহাকবি '[ Ów ] दादीकि थरे नभशै८र ऋग वर्णन कविहारश्न, डारा | · অযোধ্য। --- --~ পড়িয়া বোধ হয় সে সময়ে অযোধ্য রাজধানী বিশেষ नभूझिक्षांशैौ श्ब्राझिण। वांझ१७६१ शशिद्गः त्रिशनिश्रटक বিদ্যাধ্যয়ন করাইতেন, শিল্পীর নানা প্রকার শিল্পকাৰ্য্য করিত, মান দেশ হইতে বণিকেরা আসিয়া পণ্য দ্রব্য ক্রয় বিক্রর করিতেন। এখন যেমন কলিকাতা প্রভৃতি নগরের রাজপথে প্রত্যহ জল ছড়াইয় দেওয়া হয়, পূৰ্ব্বে অযোধ্যা নগরীতেও এই নিয়ম চলিত ছিল। মনু হইতে এক শত বার পুরুষ এখানে রাজত্ব করিয়াছিলেন। তাহার পর রাজা সুমিত্র অযোধ্যাপুরী পরিত্যাগ করেন। সুমিত্র অযোধ্যা নগরী পরিত্যাগ করিলে সমস্ত অট্টা লিক ভাঙ্গিয় গেল, ক্রমে চারিদিক্ জঙ্গলে পরিপূর্ণ इहेग्रां ऊँणि । সূৰ্য্যবংশীয়ের অযোধা পরিত্যাগ করিলে অনেক দিন পর্য্যন্ত এখানে বৌদ্ধ ধৰ্ম্মের বিশেষ প্রাচুর্ভাব হইয়াছিল। তাহার পর বিক্রমাজিৎ নামে জনৈক রাজা এখানকার জঙ্গল কাটাইয়া রামায়ণের লুপ্ত কৃতি উদ্ধার করিতে লাগিলেন। আমাদের শাস্ত্রে অযোধ্যাকে মোক্ষদায়িকা পুরী বলিয়া উল্লিখিত হইয়াছে। (অযোধ্য। মধুর মায়া কাশী কান্ধী অবস্তিকা। পুরী দ্বারবতী চৈব সপ্তৈতা মোক্ষদায়িক ) । অযোধ্যার এরূপ মাহাত্ম্য দেখিয়া বোধ হয় বিক্রমাজিৎ এই পুরীর প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রাখিয়াছিলেন। প্রথমে তিনি সরযু নদীর স্থান নির্দেশ করেন। তাহার পর তিনি নাগেশ্বর মহাদেবের মদির উদ্ধার করিলেন। বৌদ্ধ বিপ্লবের সমরে এই মন্দির বিনষ্ট হয় নাই। কথিত আছে বিক্রমাজিৎ রাজা অযোধ্যায় ৩৬০টী দেবালয় নিৰ্ম্মাণ করাইয়া দিয়াছিলেন । কিন্তু এখন ৪২ টা মন্দিরের অধিক বিদ্যমান নাই। অযোধ্যার প্রাচীন লোকেরা এই রূপ গল্প করেন যে, মুসলমান সম্রাটদের রাজত্বকালে এখানে তিনটী বৈ প্রসিদ্ধ মন্দির ছিল না। তাই বোধ হইতেছে অন্যান্ত মন্দির গুলি অধিক প্রাচীন নহে । অযোধ্যার মধ্যে রামকোট বিশেষ প্রসিদ্ধ স্থান । কথিত আছে, প্রয়ামচন্দ্র এই খামে দুর্গ নিৰ্ম্মাণ করিয়াছিলেন। এই স্কুর্গের চারি দিকে বিশট বুরুজ ছিল। इशभान, श्रृंठौब, छाषूबान अंङ्कठि cननाभछिद्र ८गरे বুরুজের উপরে থাকিয়া নগর রক্ষা করিতেন। যুগের ভিতরে ৮ট রাজ গ্রাসাদ ছিল। । * : অযোধ্যায় গেলে এখন আমরা রামলীলা অনেক