পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/৫৮০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অর্ধান্তরন্যাস [ces] অর্থপত্তি বৃহৎ সহায় গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হইয়া সমুদ্রকে প্রাপ্ত হয়,—এই বিশেষ দ্বারা, ক্ষুদ্রতর ব্যক্তি মহতের আশ্রয় পাইলে কাৰ্য্য উদ্ধার করিতে পারে এই সামান্তের সমর্থন করা হইতেছে। সামান্ত দ্বারা বিশেষের সমর্থন যথা— যাবদৰ্থপদাং বাচমেবমাদায় মাধবঃ। বিররাম মহীয়াংসঃ প্রকৃত্যা মিতভাষিণঃ। মহৎ ব্যক্তিরা স্বভাবতঃ আল্লভাৰী । তাই মাধব, এই রূপ অর্থযুক্ত একটা বাক্য বলিয়া নিস্তব্ধ হইলেন। এখানে, শ্লোকের দ্বিতীয় পাদে,—মহৎ ব্যক্তিরা অধিক কথা কহেন না,—এই সামান্ত দ্বারা, শ্লোকের প্রথমপাদে—মাধব সারবান অল্প কথা কছিলেন, এই বিশেষের সমর্থন করা হইতেছে। কারণ সাধৰ্ম্ম্য দ্বারা কার্য্যের সমর্থন যথা— शृ९ि ! श्बिा उर ; फूछत्र ! शाब्रटेग्नना२; ত্বং কুৰ্ম্মরাজ ! তদিদং দ্বিতয়ং দধীথাঃ । দিক্কুঞ্জরাঃ ! কুরুত তত্রিতয়ে দিধীর্ষমাৰ্য্যঃ করোতি হরকাযুকমাততজ্যং । te জনকালয়ে রামচন্দ্র হরধমুক ভঙ্গ করিতে উঠিলে লক্ষ্মণ পৃথিবী প্রভৃতিকে কছিলেন,—হে পৃথিবি! তুমি স্থির হও। অনন্ত’! তুমি ইহঁাকে ধারণ কর। কুৰ্ম্মরাজ ! তুমি পৃথিবী ও মাগরাজ এই উভয়কেই ধারণ কর। হে অষ্টদিগগজ ! তোমরা এই পৃথিবী, অনন্ত, এবং কুৰ্ম্মরাজ এই তিনটকেই ধারণ করিতে ইচ্ছা কর ; কেন ন। আর্য্য রামচন্দ্র ধনুকে জ্যারোপণ করিতেছেন। এখানে, রামচন্দ্র ধমুকে জ্যারোপণ করিতেছেন— এই কারণ দ্বারা, পৃথিবী প্রভৃতির স্থির হওয়া ইত্যাদি কাৰ্য্যকে সমর্থন করা হইতেছে। কাৰ্য্য সাধৰ্ম্ম্য দ্বারা কারণের সমর্থন যথা— সহসা বিদধীত ন ক্রিয়ামবিবেকঃ পরমাপদাম্পদং বৃণতে হি বিমৃগুকারিং গুণলুদ্ধাঃ স্বয়মেব সম্পদঃ। সহসা কোন কাৰ্য্য করিবে না। কারণ অবিবেচনাই পরম আপদের স্থান। গুণামুরাগিণী লক্ষ্মী বিবেচক লোককে আপনিই বরণ করিয়া থাকেন। এখানে, লক্ষ্মী আপনিই বরণ করেন—এই কাৰ্য্য দ্বারা, সহসা কোন কাৰ্য্য করিতে নাই, এই বিবেচনা রূপ কারণের সমর্থন করা হইতেছে। উপরের সমস্ত শ্লোক গুলিই সমানধৰ্ম্মবিশিষ্টের উদাহরণ। বৈধৰ্ম্ম্য বিশিষ্ট যথা, - ইখমারাধ্যমানোপি ক্লিশাতি ভুবনত্রয়ম্। শাম্যেৎ প্রত্যপকারণে নোপকারেণ নিঃ তারকাসুর এই রূপে পূজ্য হইলেও ত্ৰিভুবনকে কষ্ট দিতেছে। কারণ, তুৰ্জ্জনের প্রতি অপকার করিলেই তাহারা শান্ত হয়, উপকার করিলে তাহার শাস্ত रुग्न नीं । - এখানে, দুর্জনের অপকার করিলে তাহার শাস্ত হয়, এই বৈধৰ্ম্ম্য দ্বারা, দুর্জনের প্রতি সদয়াচরণ করিলে তাহার শান্ত হয় না ইহাই সমর্থিত হইতেছে। এই শ্লোকে, দুর্জনেয় অপকায় করিলে সে নিরস্ত হয়,-- ইহাই সামান্ত ; এবং দুর্জনের প্রতি অনুকূলাচরণ করিলে সে শাস্ত হয় না,—ইহাই বিশেষ। এবং পূর্ব শ্লোকে,—সহসা কাৰ্য্য না করা আপদ কর মহে এই রূপ কাৰ্য্য বৈধৰ্ম্ম্যের সমর্থন করিতেছে। অর্থাপত্তি (স্ত্রী) অর্থন্ত অমুক্তার্থন্ত আপত্তিঃ প্রাপ্তিঃ সিদ্ধিরিতি যাবৎ । মীমাংসকের মতে, যে বিষয় প্রকাশ করিয়া বলা হয় নাই, কোন শব্দ দ্বারা সেই বিষয়ের সিদ্ধি। যথা,—“স্থলকায় দেবদত্ত দিবসে ভোজন করেন না’ । দেবদত্ত দিবসে ভোজন করেন ন}, অথচ তাহার শরীর স্থল। সুতরাং তাহার স্থলত্ব দেখিয়া এই রূপ বুঝিতে পারা যাইতেছে যে, তিনি রাত্রিতে ভোজন করেন। কারণ একেবারে অনাহারে থাকিলে তিনি কুশ হইয়া পড়িতেন। দেবদত্ত কৃশ হইতেন এই অকুপপত্তি জ্ঞান, দেবদত্ত রাত্রিতে ভোজন করেন সেই জ্ঞানের জনক হইল। কাজেই দেবদত্ত রাত্রিতে ভোজন করেন এই জ্ঞানকে অর্থপত্তি বলা যায়। নৈয়ায়িকের ব্যতিরেক ব্যাপ্তিজ্ঞান বলিয়া ইহাকে অনুমানের অন্তভূত কহেন, অতিরিক্ত প্রমাণ বলেন না। যে ব্যক্তি ബ് রাত্রিতে ও দিবসে ভোজন করে না, তাহার শরীরও স্থল থাকিতে পারে না, ইহাকেই তাহারা ব্যতিরেকব্যাপ্তি বলেন । অর্থস্তাপত্তিৰ্যস্মাং । ৫-বহুব্রী। অর্থাপত্ত্বির সাধন । উপপাদ্য জ্ঞান। যাছা ব্যতিরেকে যে দ্রব্যাদি উৎপন্ন হয় না, তাহার নাম উপপাদ্য। রাত্রি ভোজন ব্যতিরেকে স্থলত থাকিতে পারে না, এজন্য স্থূলত উপপাদ্য। আর যাহার অভাবে যে বস্তুর অসিদ্ধি হয়, তাহাকে সেই বস্তুর উপপাদক কহে। রাত্রি ভোজনের অভাবে স্থলত থাকিতে পারে না, অতএব রাত্রি ভোজনই উপপাদক। রাত্রি ভোজন কল্পনারূপ প্রনীতি