পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/৬৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অশ্বথ [ ૭8૦ ] 哆 অশ্বথামনৃ হয়। ইহার কোন কোন গাছের নূতন পাত ঈষৎ হরিৎ মিশ্রিত শ্বেতবর্ণ। কোন গাছের নূতন পাতা রক্তবর্ণ ; কবির। তাই ইহার সঙ্গে স্ত্রীলোকদের করপল্লবের তুলনা করিয়া থাকেন। অশথ গাছের গায় আঘাত করিলে শ্বেতবর্ণ অাটা বাহির হয়। ব্যাধেরা ঐ আটায় পার্থী ধরে । অশ্বখের আটায় গটাপার্চ প্রস্তুত হইতে পারে। এই বৃক্ষ ডুমুর জাতীয়, তজ্জন্ত ইহার ফুল ফুটে না । বৎসরের মধ্যে প্রায় দুইবার ফল ধরিতে দেখা যায়। ঐ ফল পাকিলে পাখীতে তাহ খাইয়া থাকে। হাতী, গোরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া প্রভৃতি জন্তু অশ্বখের পাতা থাইতে ভাল বাসে । অশ্বথ আমাদের দেশের পবিত্র বৃক্ষ । ইহার পাতা ছিড়িতে নাই, এই বৃক্ষ ছেদন করিয়া কাঠ করিতে নাই। কিন্তু এই নিয়ম সকলে প্রতিপালন করেন না । বৈশাখ মাসেই অনেকে ইহার পত্রদি ছিড়েন না এবং শূদ্রের প্রায় এই বৃক্ষ কাটিতে চাহে না। অশ্বখ বৃক্ষ স্বয়ং বিষ্ণুরূপী। পদ্মপুরাণে (উত্তরখণ্ড ১৬০ অধ্যায়ে ) লিখিত আছে যে, এক দিন হরপাৰ্ব্বতী নির্জনে ক্রীড়াকৌতুক করিতেছেন এমন সময়ে দেবগণ, অগ্নিকে ব্ৰাহ্মণবেশে সেই থানে পাঠাইয়া দিলেন। অগ্নি, তথায় উপস্থিত হইলে মুখভঙ্গের জন্ত পাৰ্ব্বতী ক্রুদ্ধ হইয়া দেবগণকে এই শাপ দিলেন—“তোমরা বৃক্ষযোনি প্রাপ্ত হও । সেই শাপে ব্ৰহ্মা পলাশবৃক্ষ, বিষ্ণু অশ্বথবৃক্ষ এবং রুদ্র বটবৃক্ষ হইলেন। ভগবদগীতাতেও লিখিত আছে যে, শ্ৰীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলিয়াছিলেন–‘সকল বৃক্ষের মধ্যে আমাকে অশ্বথবৃক্ষ বলিয়া জানিবে’ । অশ্বখবৃক্ষের মুল বাধাইয়া দিলে এবং বৈশাখ মাসে অশ্বথমূলে জল ঢালিলে মহা ফল হয়। অশ্বথবৃক্ষ দেখিয়া প্রণাম করিলে আয়ু ও সম্পদ বৃদ্ধি হইয়া থাকে। যদি বামাঙ্গ নৃত্য করে কিম্বা অন্য কোন ছুর্নিমিত্ত ঘটে, তবে অশ্বথমূলে জল দিলে কোন অনিষ্ট হইতে পায় মা । জল দিবার মন্ত্র এই,— চক্ষুঃম্পন্সং ভুজম্পনাং তথা দুঃস্বপ্নদর্শনম্। শতৃণাঞ্চ সমুখানমশ্বখ শময়াণ্ড মে। বৈদ্যশাস্ত্রমতে অশ্বখ, মধুর, কবীয় ও শীতল । ইহাতে কফ, পিত্ত ও দাহ নষ্ট হয় । ইহার ফল শীতল এবং অতিশয় হৃদ্য । ইহাতে রক্ত পিত্ত , বিষ, দাহ, ছদি, শোষ, অরুচি, এবং বোনিদোষ নষ্ট হয়। ইছার ত্বক সঙ্কোচক। কোমল ছাল এবং নুতন পাতার কলি পুরাতন প্রমেহ রোগে উপকার করে। ফল চুর্ণ করিয়া সেবন করিলে ক্ষুধাবৃদ্ধি হয় এবং তাহাতে কোষ্ঠ পরিষ্কার হইয়৷ থাকে। ইহার বীজ শীতল ও ধাতুপরিবর্তক । চৰ্ম্মরোগে ইহার ছালের কাথ সেবন করিলে উপকার দর্শে। ইহার নুতন পল্লবায়ুর বিরেচক । অবধূতের হরিতাল ভস্ম করিবার সময়ে অশ্বথভস্ম ব্যবহার করেন। হোমাদি কার্য্যে অশ্বখ কাঠ লাগে। শাইগাছে যে অশ্বখ জন্মে, ঋষিস্থা তাহাতে অরণি প্রস্তুত করিতেন। অশ্বথের তক্ত দীর্ঘকাল স্থায়ী নহে এবং তা হাতে পালিশও श्ध्न न ! (ত্রি) পৰ্ব্বতাদিব্যাপ্ত প্রদেশে স্থিত। যমশ্বথমুপতিষ্ঠন্তং। ঋক্ ১। ১৩৫। ৮ । পৰ্ব্বতাদিব্যাপ্তপ্রদেশে স্থিতম্। (সায়ন )। ংস্কার বৃক্ষ। অশ্বিনী নক্ষত্ৰ নক্ষত্রেণ যুক্তঃকাল । পা ৪। ২। ৩। ইতি অণু। সংজ্ঞায়াং শ্রবণাশ্বখাভ্যাম্। পা ৪। ২। ৫। ইতি অণে লোপ:। অশ্বথে৷ মুহূৰ্ত্ত: । সংজ্ঞা না বুঝাইলে—“আশ্বখ’ এই প্রকার রূপ থাকিবে। ইহার অর্থ অধিনী নক্ষত্র যুক্ত দিবস। ! * । दा*ानिउा इंश । (१ 8 । २ । v• ऋछ)। অখিল। •। উৎকরাদিভ্যস্থঃ। পী ৪ ৷ ২ ৷ ৯০ । অশ্বথীয়। এই দুই শব্দে অশ্বথের নিকটবর্তী দেশাদিকে বুঝায় । আগ্রহায়ণ্যখখাট ঠক। পা ৪। ২। ২২। আশ্বখক । অশ্বখক (পুং) অশ্বথস্ত ফলম্ অশ্বথঃ তামুক্তঃ কালোইপ্যশ্বথ, তম্মিল্ দেয়মৃণম্ ইত্যৰ্থে (কলাপ্যশ্বখ্যবসা বুন্‌। পা ৪। ৩। ৪৮) ইতি বুন্‌। যে সময়ে অশ্বখের ফল ধরে তৎকালে দেয় খণ। স্বার্থে কন্‌। অশ্বথবৃক্ষ। অশ্বখকুণ (পুং) অশ্বখন্ত পাক: পীৰাদি কুণচ ( পা ৫। ২ । ২৪ ) । পাকা অশ্বখেয় ফল । অশ্বথভেদ (পুং) অশ্বখন্ত ভেদে বিশেষে যত্র । নীবৃক্ষ। অশ্বথ ( স্ত্রী) পূর্ণিমাতিথি। অশ্বথাম (পুং) অশ্বস্তেব স্থাম শব্দে যন্ত পৃ• সকারস্ত তকারাদেশঃ। কৃপীর গর্ভে এবং দ্রোণাচার্য্যের ঔরসে জাত বীর বিশেষ । তিনি ভূমিষ্ঠ হইয়া উচ্চৈশ্ৰব৷ অশ্বের ন্যায় শব্দ করিয়া উঠেন। তজ্জন্ত তাহার অশ্বথামা এই নাম হইয়াছে। (অশ্বস্তেবাস্ত যৎ স্থাম নদতঃ প্রদিশে গতম্। অশ্বখামৈব বালোহয়ং তন্মান্নাম্না ভবিষ্যতি । মহাভারত অ16 প০ ১৩০ । ৪৭-৪৮ । স্থাম শম্ব সকারপ্ত