পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/৭১৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


جمعی जहिrशम so-o-o: [ ও৯২ ] आशिशम পম্প দ্বারাও উদর পরিষ্কার করা উচিত। বমনেয় পরে রোগীর মাথায় অবিরত শীতল জল ঢালিবে। রোগীকে কদাচ নিদ্রা যাইতে দিবে না, কিম্বা মুস্থির ভাবে রাখিবে না। দুই জনে বগল ধরির। তাহাকে হঁাটাইবে, এক জন পশ্চাতে কাপড়ের কোড়া পাকাইয়া মারিবে, কখন বা চুল ধরিয়া টানিতে থাকিবে । ঔষধের মধ্যে বেলেডোন এবং ধুতুরা উৎকৃষ্ট। বেলেডোনার অরিষ্ট ৫। ৬ বিন্দু জলের সঙ্গে এক ঘণ্টা অন্তর সেবন করাইবে । ইহার ক্রিয়া প্রকাশ পাইলে আর সেবন করাইবে না। আমাদের দেশের সন্ন্যাসীর বলেন যে, অল্প মাত্রায় ধুতুরার বীজ থাইতে দিলে রোগীর প্রাণরক্ষা পায়। সির্ক, নেস্থর রস, মাজুফলের কাথ, কাওয়া, চা প্রভৃতি দ্রব্যও কতক পরিমাণে উপকার করিয়া থাকে। রোগী অবসন্ন হইয় পড়িলে এমোনিয়া ও ব্ৰাওঁী থাইতে দিবে এবং বক্ষঃস্থলে সর্ষপ পলস্ত্রা লাগাইবে। শ্বাসকৃচ্ছ ঘটলে কৃত্রিম শ্বাস ক্রিয়। করাইবে। এ অবস্থায় তাড়িত ব্যবস্থা করাও কর্তব্য। অধিক আফিম উদরস্থ হইয়া যদি তাহ নির্গত না হয়, তবে রোগীকে বাচাইবার কোন সম্ভাবনা নাই । কখন কখন রোগীকে অধিক মাত্রায় আফিম প্রয়োগ করিলে শীঘ্র তাহার কোন ফল দেখা যায় না। কিন্তু হঠাৎ এক দিন সহসা মৃত্যু ঘটতে পারে। ডাক্তার পার্সিভাল এই রূপ একটা ঘটনার বিষয় উল্লেখ করিয়াছেন । যাহারা নিয়মিত রূপে আফিম, গুলি ও চণ্ডু থায়, সে সকল লোক কিছুতে আফিম ছাড়িতে পারে না। প্রথমে ইহাদের শরীর তাদৃশ বিকৃত হয় না। ক্রমে অধিক মাত্রায় দীর্ঘকাল আফিম প্রভৃতি খাইলে ক্ষুধামাল্য, শরীর কৃশ ও নিস্তেজ, মুখ মলিন ও অল্প পাণ্ডুবর্ণ; দেহু ক্রমে কুঁজী হইয়া পড়ে, স্মরণশক্তি একেবারে নষ্ট হইয়া যায়, কখনই উত্তম রূপ কোষ্ঠ পরিষ্কার হয় না, মধ্যে মধ্যে উদরাময় হর; এই অবস্থায় কিছুদিন ৰাচিয়। তাহার পর অকালে মৃত্যু ঘটে। আময়িক প্রয়োগ।-অস্ত্রাবরক ঝিল্লির প্রদাহ, অন্ত্র প্রদাহ এবং অতিসার রোগে ইহা উৎকৃষ্ট ঔষধ। অন্ত্রাবরক ঝিল্লি প্রদাহে ১ গ্রেণ . ক্যালামেল, সিকি গ্রেণ পরিষ্কার আফিম চূর্ণ এবং ২ গ্রেণ কপূর একত্র মিশ্রিত 'করিয়া একটা পুরিয়া করিবে। এই রূপ এক একটা পুরিয়া ৩। ৪ ঘণ্টা অন্তর সেবন করাইলে বিলক্ষণ ফল দর্শে। মস্তিষ্ক এবং ফুসফুস প্রদাহে আফিম গ্রয়োগ কর কর্তব্য নহে। শ্বাসনালী প্রদাহের প্রথমাবস্থায় ডাক্তার ਪ੍ਰਿਥੋਂ ইহার বিস্তর প্রশংসা করেন। কিন্তু শ্বাসরোধের সম্ভাবনা থাকিলে ইহা প্রয়োগ করা কর্তব্য নহে। অতএব মুখ ও ওষ্ঠ মলিন দেখিলে কদাচ ইহা প্রয়োগ করিবে না । মস্তিষ্কের উত্তেজন জন্ত প্রলাপাদি উপসর্গ থাকিলে অনেকে ইহা টার্টার এমিটিক্‌ কিম্বা ইপেক1. কুয়ানার সঙ্গে ব্যবস্থা করেন। ডাক্তার cठेन्नि কহেন যে, স্নায়ু এবং শ্লৈখ্রিক ঝিল্লিতে প্রদাহ থাকিলে অবসাদক চিকিৎস। সুব্যবস্থা নহে। তেমন স্থলে আফিম বিশেষ উপকারী। যে সকল পীড়ার অধিক যন্ত্রণার নিমিত্ত নিদ্রা হয় না, তাহাতে আফিম বিলক্ষণ হিতকর। জর বিকারে প্রলাপ, অস্থিরতা ও অনিদ্রা প্রভৃতি উপসর্গে আফিম ব্যবস্থা করিতে হইলে এই কয়েকটা বিষয়ের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রাখা আবশ্বক,— ১। যদ্যপি রোগীর নিদ্রা না হয় এবং পুনঃ পুন: প্ৰলাপ দেখিতে থাকে, তেমন স্থলে যদি অচৈতন্ত্যাবস্থা ঘটিবার কোন সম্ভাবনা না দেখা যায় তবে আফিম প্রয়োগ করিবে । ২। যদ্যপি অস্থিরতা ও প্রলাপ থাকে এবং তাহার সঙ্গে নাড়ী কোমল, জিহ্বা পরিষ্কার ও সরস থাকিলে আফিম ব্যবস্থা করা যায়। কিন্তু মুখমণ্ডল আরক্তিম এবং জিহব। শুষ্ক ও পাটলবর্ণ এবং নাড়ী কঠিন হইলে আফিম সেবন করানো নিষিদ্ধ। - ৩। দুৰ্ব্বলতা, গ্ৰলাপ, হস্তপদের পেশীর আক্ষেপ, অনিদ্রা, অস্থিরতা এবং উদরাময় থাকিলে আফিমে উপকার হয় । ৪। নাড়ী স্থল ও কঠিন, মুখমণ্ডল ও চক্ষু উজ্জল এবং রক্তবর্ণ প্রভৃতি লক্ষণ বিদ্যমান থাকিলে আফিম সেবন করাইবে না। ৫। যদি কনানিক অতি সামান্তও কুঞ্চিত থাকে, তবে কদাচ আফিম সেবন করাইবে না। এ অবস্থায় আফিম সেবন করাইলে রোগী শীঘ্রই অজ্ঞান হইয়া পড়ে এরং নিশ্চিত মৃত্যু ঘটে। ডাক্তার গ্রেবস্ কছেন যে, কলীনিক কুঞ্চিত থাকিলে বেলেডোর্নার সঙ্গে আফিম লেবন করাইলে কোন অপকার হয় না। কিন্তু ७कशों नर्संब मूब्रछ नारु ।