পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/৭১৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অহিফেন সবিরাম এবং স্বল্প বিরাম জরের কম্পের সময়ে আফিম দ্বারা বিলক্ষণ উপকার করে । জর আসিবার পূৰ্ব্বে হস্ত পদ শীতল হয়। তাহার পর কাহার অধিক, কাহার বা অল্প কম্প হইয়া থাকে। এরূপ স্থলে হস্ত পদ অল্প শীতল হইলেই ৭ । ৮ বিন্দু আফিমের অরিষ্ট ২। ৩ ঘণ্ট। অন্তর সেবন করাইবে। ইহাতে শীঘ্ৰ কম্প ভাঙ্গে, জরকালে অধিক কষ্ট হয় না এবং জরের ভোগের কালও কমিয়া আসে । মদাতঙ্ক রোগে আফিমের তুল্য ঔষধ নাই। সামান্ত অবস্থায় ১৫ । ২০ বিন্দু মাত্রায় ডিজিটেলিসের অরিষ্টের সঙ্গে কিম্বা কপূরের সঙ্গে আফিমের অরিঃ ৩। ৪ ঘণ্ট। অনন্তর প্রয়োগ করিবে। রোগী অত্যন্ত দুৰ্ব্বল ও অবসন্ন হইয়া পড়িলে সুরার সঙ্গেও ব্যবস্থা করা য়ায়। কিন্তু কনীনিক কুঞ্চিত এবং ব্রাইটস্ নামক প্রস্রাবের পীড়া থাকিলে আফিম নিষিদ্ধ। উন্মাদরোগে এবং স্থতিকোম্মাদ পীড়ায় আফিম সেবন করাইলে ফল হয়। কিন্তু নাড়ী পুষ্ট ও বেগবতী, মস্তক উষ্ণ এবং চৰ্ম্ম শুষ্ক থাকিলে অতি সাবধানে আফিম ব্যবহার কfরবে। পুরাতন কাস রোগে অধিক শ্লেষ্মা নির্গত হইলে আফিম সেবনের পর কাসির উগ্রতা কমিয়া আসে এবং অধিক শ্লেষ্মা বাহির হয় না । হুপিং কাসিতে সিকি বিন্দু হইতে ১। ২ বিন্দু মাত্রায় ১২ ঘণ্ট। অন্তর আফিম সেবন করাইলে শীঘ্রই যন্ত্রণার লাঘব হয় । সর্দি হইবার প্রথমেই সন্ধ্যার পর কিঞ্চিৎ আফিম থাইলে আর সর্দি হইতে পায় না। অতিসার রোগে, ইপেকাকুয়ান, ট্যানিক এসিড, খড়ীচুর্ণ, সীসশর্করা, তুতিয়া, নাইটেট অব সিলবর প্রভৃতি ঔষধের সঙ্গে আফিম সেবন করাইলে উপকার হয়। জয়ল রোগে ক্লোরিক ইখরের সঙ্গে আফিম সেবন করাইলে যন্ত্রণ থাকে না। কিন্তু অঙ্কিম সেবনের श्रान दिानफ़क 8ष५ ७:ब्रार्थ कब्र कé*"" अरिनक कनि खेलब्राभग्न ८ब्रार्थ, प्ले.ि " उरबारब ७वः अछाछ नैज़ाब गरज ऽनबसवs**** কখন কখন অল্পকাল মধ্যে প্রাণ বিনাশ इहेदtन्न गर्छाबना श्ङ्ग। cउशन श्रण আৰু ছটাক শ্বেতসারের সঙ্গে আফিমের অরিষ্টের পিচকারি দিলে জীবন রক্ষণ পায়। অন্ত্রাবরোধ পীড়ায় আফিম বিলক্ষণ হিতকর। অন্ত্রবৃদ্ধি অশ্বরী রোগ, মূত্রাশয়ের তরুণ প্রদাহ লীলপুল f *१8 } [ ও৯৩ ] জছিফেন خات-سیاسی-سیتی = প্রভৃতি রোগেও ইহা উপকার করে। উৎকট কোষ্ঠবদ্ধ রোগে আফিম ভিন্ন প্রায় অন্ত কোন ঔষধ নাই। ইহা ক্যালামেলের সঙ্গে প্রয়োগ করিতে হয়। মধুমেহ রোগে আফিম সেবন করিলে পীড়ার দমন হয় না, কিন্তু ইহাতে চিনির পরিমাণ কমির আসে এবং স্নায়বীয় উগ্রতাও থাকে না । মুত্রমেহ রোগেও আফিম মহৌষধ। গর্ডস্রাবের উপক্রম হইলে আফিমে উপস্কার হয়। কিন্তু গর্ভে সস্তান অত্যন্ত পীড়িত হইলে কিন্ধ৷ মরিয়া গেলে, পানমুচী হইতে জল ভাঙ্গিলে এবং জরায়ুর মুখ কোমল ও শিথিল হইয়া খুলিয় গেলে গর্ডস্রাব নিবারণ করা যায় না। তেমন অবস্থায় আফিম সেবন করাইলে অনিষ্ট ঘটে। প্রসব বেদনার পূর্কেও জরায়ু সঙ্কুচিত না হইয়া যদি আক্ষেপযুক্ত হয়, তবে আফিম সেবন করাইবে । প্রসবের পর হেঁতাল ব্যথায়, অধিক রক্তস্রাবে, ওলাউঠায়, স্নায়ুশূল রোগে এবং মূত্রবন্ধ হইলে ইহাতে উপকার হয়। কিন্তু ইউরিমিয়াতে ইহা ব্যবহার করিবে না । কতকগুলি বিশেষ ঔষধের সঙ্গে আফিম প্রয়োগ করিলে কাহার দোষ নষ্ট হয়, কাহারও ক্রিয়াধিক্য হইয় থাকে। কুইনাইনের সঙ্গে আফিম প্রয়োগ করিলে পরস্পর পরস্পরের দোষ নষ্ট করে। ইপেকাকুয়ানার সঙ্গে আফিম প্রয়োগ করিলে ইহার ঘৰ্ম্মকর গুণ বৃদ্ধি হয় । তজ্জন্ত ডোবৰ্গ চূর্ণ প্রশস্ত खेसृक्ष । বেদন বা আক্ষেপ নিবারণের নিমিত্ত পূর্ণমাত্রায় আফিম প্রয়োগ করিবে। অৰ্দ্ধ ঘণ্টার ভিতরে কোন উপকার দেখিতে না পাইলে পুনৰ্ব্বার সেবন করাইবে। কিন্তু যে পরিমাণে আফিম থাইলে বিষাক্ত হয়, কাচ তত আফিম এক দিনের মধ্যে সেবন করাইবে না। কারণ হঠাৎ এককালে উহার ক্রিয়া প্রকাশ পাইলে রোগীর মৃত্যু ঘটতে পারে। বেদনার বিরাম কালেই আফিম সেবন করা কর্তব্য। নিদ্রার জন্য আফিম oবন করাইতে হইলে শয়ন করিবার ২ ১ ঘণ্টা পূর্বে উহ! সেবন করা উচিত। কারণ আফিমের प्लाख्छन| কমিয়া না আসিলে ঘুম হয় না। আফিমে কনীলিকা কুঞ্চিত হয় ; বেলেডোনার shনিক প্রসারিত হয়। অতএব ইহানের পরম্পরের ক্রিয়া कि विनंत्रैौद्ध । ठबछ श्रांभिभद्रांब्र! विदाख्