পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/৮৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अझ [ છ8 ] मझ বোধগম্য হইতে পারে না । অম্বা (পুং) হন4যক।*। অয়্যাদর্শ। যগস্ত নিপাত্যন্তে। হন্তের্যক্ অভাগমঃ উপধালোপশ্চ । উণ ৪ । ১১১। অয়্যঃ—প্রজাপতিঃ । অয়্যা—মাহেয়ী। স্ত্রীগরী। অস্ত্রেয় (ত্রি) ন ভ্রাতুং অর্থঃ । দুর্গন্ধি দ্রব্য। (ক্লী) মদিরা। অন্ধ (পুং ক্লী) অঙ্ক-অৰ্চ। চিহ্ন ; যথা—পান্ধ। মৃগাঙ্ক। নাটকাদির পরিচ্ছেদ। ক্রোড় । সমীপ; যথা-অঙ্ককাগত সত্ববৃত্তি। রঘু ২। ৩৮। অন্ধঃ সমীপ উৎসঙ্গে চিহ্নে স্থানাপরাধয়োঃ ইতি কেশবঃ । স্থান ; অপরাধ ; পৰ্ব্বত; যুদ্ধভূষণ ; দেহ। * । পরেশ ঘাস্কয়োঃ । প। ৮। ২। ২২ । পরি উপসর্গের পর ঘ শৰী এবং অঙ্কশকা থাকিলে রেফস্থানে বিকল্পে লকার হয়। পরি-মঙ্ক পর্য্যক্ষ, পল্যঙ্ক । অঙ্ক শব্দের অপভ্রংশে—জাক। তিনি আঁকি কসিতেছেন। চিত্র কয়াও বুঝায়, যথা—“আঁকিছু অলক্ত দিয়া চরণরাজীব ।” এক হইতে নব সংখ্যা । যথা ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯ । আশ্চর্য্যের বিষয় এই, সকল সভ্য জাতিই মূল রূঢ় সংখ্যা গুলি এক হইতে নয় পর্য্যন্ত গ্রহণ করিয়াছেন। শূন্য একটা স্বতন্ত্র অঙ্ক, কিন্তু সংখ্যা নহে। এক একটা শৃঙ্গের আশ্রয়ে সকলেই এক দুই প্রভৃতি অঙ্কের দশগুণ করিয়া সংখ্যা বৃদ্ধি করেন। এই প্রথা সৰ্ব্বত্র কেন প্রচলিত হইল, তাহার ঠিক কারণ বুঝিতে পারা যায় না। ইয়ুরোপীয় পণ্ডিতেরা অনুমান করেন যে, মানুষ অসভ্যবস্থায় গণিতে জানিত না, তজ্জন্য তাহার হাতের অঙ্গুলিতে দ্রব্যাদির সংখ্যা নির্দিষ্ট করিয়া রাখিত। দুই হাতে দশটা অঙ্গুলি, তাহার একটা দিয়া গণনা করিলে অবশিষ্ট নম্বট থাকে। এই নয়ট অঙ্গুলি পুৰ্ব্বকালের লোকের সংখ্যা রাথিবীর উপায় ছিল, তাই রূঢ় অঙ্কের সংখ্যা কেবল নয়ট হইয়াছে। র্তাহারা কহেন, এই কারণে नष्ट्रtी क्रा, अरकन नाम ‘छिछिऐ’ अशी९ श्रब्रूणि । হাতের অঙ্গুলি দ্বারা গণনা করিত পারের অঙ্গুলি স্বারা সংখ্যা করিত না, তাহার কারণ কি ? অঙ্গুলিই প্রাচীনকালের লোকদের সংখ্যা রাখিবার প্রধান উপায় হইtল,অবশুই ভাস্থার অধিক সংখ্যা ঠিক করিবার সময় “हखभएमब्र अक्रूणि अंश्न कब्रिठ । छांश्! श्रण त्राइब्र সংখ্যাও রয়ের অধিক হইয়া পণ্ডিত । সে জন্ত বোধ হইতেন্তে, রূঢ় অঙ্ক এক ছইতে ময় পৰ্য্যৰ হইবার সম্ভ মিশরে দিকের ভারতবর্ষ হইতে অৱস্থিা আলেক্ট্র আমেরিকার অসভ্য জাতির পাচের অধিক গণিতে পারে না। অধিক সংখ্যা বুঝাইতে হইলে তাঙ্কার গাছের পাতা দেখাইয়া দেয়। অশিক্ষিত কাকিদেরও বৃদ্ধিশুদ্ধি এই প্রকার। তাহারাও অধিক সংখ্যা বুঝাইবার জন্য মরুভূমির একমুষ্ট বালি তুলিয়া দেখায় । আমাদের দেশের অজ্ঞলোকেরা, দড়ীতে গ্রন্থী দিয়া, প্রাচীরে চূণের ফোটা লাগাইয়া এবং বাশের কঙ্কীতে আঁক কাটিয়া সংখ্যা ঠিক করিয়া রাখে । সাওতালের ' দুগ্ধস্তৃতাদি বিক্রয় করিতে আসিবার সময় সঙ্গে এক গাছি দড়ী ও একটী চোঙ্গা আনে। এক এক চোঙ্গা ভূতাদি মাপিয়া দিয়া তাহারা দড়ীতে এক একটী গাইট বাধে। ঐ দড়ীই তাহাদের হিসাবের খাতাপত্র। বাঙ্গ:লার ইতর লোকের গৃহস্থের বাটতে দ্রব্যসামগ্ৰী যোগান দেয়। তাহার লিখিতে পড়িতে জানে না, সন তারিখ বুঝে না। প্রতি দিন পাচিলের গায়ে একটা করিয়া চুণের টোপা দেয়, সে সকল অজ্ঞ লোকের তাহাই জমাখরচের হিসাব। এদেশের সামান্ত লোকের। দোকান হইতে কোনদ্রব্য ধারে কিনিতে গেলে এক গাছি আঁকবাড়ী লইয়া যায়। একটা কণ্ঠীর মধ্যস্থলে চিৱিয়। তাহার আধখানি দোকানী আপনার নিকট রাখে, অঙ্গ আধখানি খাতকের কাছে থাকে। ধারে দ্রব্যাদি বিক্রয় করিবার সময় ছু-খানি কণ্ঠী মিলিত করিয়া দোকানী তাহার উপর একট আঁক কাটিয়া দেয়। বোধ হইতেছে, এইরূপ আঁক কাটা প্রথা বহুকাল হইতে ভারতবর্ষে প্রচলিত আছে এবং এই আঁক কাটা হইত্তে সংস্কৃত অঙ্ক শব্দের সৃষ্টি হইয়া থাকিবে। এখন দেখা আবশ্বক, প্রথম গণিত শাস্ত্রের উৎপত্তি কোন দেশে হইয়াছিল এবং রূঢ় অঙ্কগুলির সংখ্যা নয় পৰ্য্যন্ত হইল কেন ? “আবু জাফর মক্ষদ যেন মূষা আলখাল্লিমি গণিত পুস্তক, ভারতবর্ষের গণিতশাস্ত্রের অনু বাদ । আরবেরা স্পষ্টই স্বীকার করেন যে, ব্রাহ্মণের উহার মূল পুস্তকের লেখক। খৃষ্ট সপ্তম শতাব্দীতে ঐ জম্বুবাদ ৰোগদাদ নগরে প্রথম প্রকাশিত হয়। কিছু দিন পরে উহা লাটিন ভাষায় অনুবাদিত হইয়াছিল। (Max Müller's Chips from a German Workshop.) ইপিক অনুমান করেন যে, দুইটা প্রশস্ত উপায় দ্বার থাকিবে। খৃঃতৃতীয় শতাব্দীতে বাণিজ্যের সুবিধার জন্ত