পাতা:বিশ্বকোষ ষষ্ঠ খণ্ড.djvu/১৪৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চন্দ্রদ্বীপ [ s8० ] চন্দ্র দ্বীপ aus_saజాజ: श्रtण »s*8 न१दtड विनाभांन हिष्णन, शङग्नां१ छछtन व डैॉरुद्र কিছুকাল পূৰ্ব্বে কনোজের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন । २ ८वानामञ्जूलाग्र ब्राप्लेकूछेदश्मैग्न zथम ब्राजा, ईशंद्र भूत्वद्र নাম বিগ্রহপাল দেব । - ৩ উৎকলের একজন পুৰ্ব্বতন রাজা, কেশীবংশের পূৰ্ব্বে ইহার অভু্যদয় । উৎকলের ঐতিহাসিকগণের মতে ইনি ৩২৩ হইতে ৩২৮ খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন। ইনি নাম মাত্র রাজা ছিলেন, ঐ সময়ে যবনের উৎকল অধিকার করিয়t. ছিল । শেষে যবনেরাই ইহাকে বিনাশ করে । (Hunter's Orissa, Vol. I. p. 199.) কিন্তু কোন প্রাচীন গ্রন্থে অথবা প্রাচীন শিলাফলকে চন্দ্র দেবের নাম এখনও পাওয়া যায় নাই । চন্দ্রতাপন (পুং ) চন্দ্রং তাপয়তি তপ-শিচ্‌ কৰ্ত্তরি লু । দানব বিশেষ । ( হরিবংশ ২৪৯ তম: ) চন্দ্রদক্ষিণ (ত্রি ) চন্দ্ৰং সুবৰ্ণং দ্বিতীয়ং দক্ষিণ যন্ত বহুব্রী, শাক পার্থিবাদিত্বাং দ্বিতীয় পদস্ত লোপ: সুবর্ণ দক্ষিণ, যাহা BBBBS BBB S SBBB BBS SBB BBBBBS S ( শুক্ল যজুঃ ৭৪৫ ) ‘চন্দ্র দক্ষিণা: চন্দ্ৰং সুবৰ্ণংযজমানহস্তস্থঃ দ্বিতীয়ং দক্ষিণ ইতি প্রাপ্তে শাক পার্থিবত্বাং দ্বিতীয় পদস্য লোপ:।’ ( মহীধর । ) চন্দদশা ( স্ত্রী ) চন্দ্রস্ত দশা ৬তং । ফলিত জ্যোতিষ মতে এাছগণ নির্দিষ্ট সময়ে মানবগণের শুভ শুভ ফল প্রদান করেন । চন্দ্র যত কাল পর্য্যস্ত ফল দেন, তাহাকে চন্দ্রের ভোগ কাল বা দশ বলা হয় । [ দশ দেখ । ] চন্দ্র দায় ( পুং ) { বহু ) চন্দ্রস্ত দারা: ৬তৎ । ১ চন্দ্রের স্ত্রী, অশ্বিনী প্রভৃতি সাতাইশটা দক্ষক দ্য । ২ অশ্বিনী প্রভৃতি সাতাইশ নক্ষত্র । [ নক্ষত্র দেখ । } চন্দ্রদেব (পুং ) ১ পঞ্চাল বংশীয় একজন বীরপুরুষ । ইনি ধৰ্ম্মরাজ যুধিষ্ঠিরের পাশ্বরক্ষক ছিলেন, যুদ্ধে বিস্তর বিক্রম দেখাইয়া কর্ণের হস্তে নিহত হন । ( ভারত ৮৫০ অঃ ) ২ রাজতরঙ্গিণী বর্ণিত একজন তাপস ব্রাহ্মণ । ইহার তপস্তায় সন্তুষ্ট হইয়া মহাদেব নীলপৰ্ব্বতের উৎপাত হইতে দেশ রক্ষা করিয়াছিলেন এবং ষক্ষবিপ্লব ও ইহা দ্বারাই দূর হইয়াছিল । ( রাজতরঙ্গিণী ১। ১৮২–১৮৪ ) চন্দ্র দ্বীপ ( পুং ক্লী ) চন্দ্রেণধিষ্ঠিতোদ্বীপঃ মধালো । সমুদ্রপারে উত্তরকুরুর উত্তরভাগে অবস্থিত একটী দ্বীপ । ব্রহ্মা গুপুরাণের মতে এই দ্বীপে নাগ ও অসুরগণের বসবাসই বেশী । ইহার পরিধি হাজার ষোtঞ্জন, বিস্তার দশযোজন ও উচ্চতা ১• • যোজন । এই দ্বীপের মধ্যভাগে চন্দ্র কাজ, শ্বেত বৈদুর্ঘ্য ও কুমুদ প্রভৃতি পরিশোভিত একটা পৰ্ব্বত আছে । এই পৰ্ব্বত হইতে পুণ্যসলিল চক্স বর্তী নদী প্রবাহিত । ইহাতে নক্ষত্রাধিপতি চঞ্জদেবের একটী বাসস্থান আছে । গুহনায়ক চন্দ্র প্রায়ই এই স্থানে অবতরণ করেন । চঞ্জ পর্বত স্বর্গ ও মর্ত্য উভয় স্থানেই প্রসিদ্ধ । চন্দ্রদ্বীপবাসী মমুযাগণের শরীরকান্তি চক্রের স্থায় উজ্জ্বল ও গেীর, মুখখানি চঞ্জতুল্য । তাহারা সকলেই ধৰ্ম্মনিষ্ঠ, সদাচার, সত্য প্রতিজ্ঞ, তেজস্বী এবং চন্দ্রের উপাসক । ইহার এক হাজার বৎসর বাচিয়। খাকে । ( ব্রহ্মাও অনুষঙ্গ” ৪৭ অঃ ) চন্দ্রদ্বীপ, বাঙ্গালার অন্তর্গত সমুদ্রের নিকটবৰ্ত্তী একটা বিস্তীর্ণ জনপদ । আবুল ফজলের আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে ইহারই অধিকাংশ বগলী ( বাক্ ল ) সরকার নামে বর্ণিত । চন্দ্র দ্বীপ নামের উৎপত্তি সম্বন্ধে ছুইটী প্রবাদ প্রচলিত আছে । ১মটী---বিক্রমপুর পরগণায় চন্দ্রশেখর চক্র বস্ত্রী নামে ভগবতী মস্ত্রে দীক্ষিত এক ব্রাহ্মণ বাস করিতেন । ঘটনাক্রমে তিনি ভগবতী নামী এক কন্যাকে বিবাহ করেন । প্রথমে তিনি জানিতে পারেন নাই, জানিতে পারিলে তাহার অtর আশঙ্কার সীমা রহিল না –ভাবিলেন, লোকে কি আমাকে পত্নী উপাসক বলিবে ? বরং প্রাণত্যাগ করিব, তবু এমন দুষ্কৰ্ম্ম করিব না । তিনি নৌকায় করিয়া সমুদ্রযাত্র। করিলেন, তখন বিক্রমপুরের দক্ষিণসীমা পর্য্যস্ত সমুদ্র বিস্তৃত ছিল । একদিন সমস্ত রাত্রি নৌকা করিয়া সাগরে অtসিয়া পৌছিলেন, ভাবিয়াছিলেন যে এখানে আর কাহারও সহিত সাক্ষাৎ হইবে না, কিন্তু পরদিন প্রত্যুষে এক খানি ক্ষুদ্র নেী কায় এক ধীবর কন্যাকে দেখিতে পাইলেন । চন্দ্রশেখর অবাক । তিনি ভাবিলেন, বোধ হয় স্বয়ং ভগবতী ছলনা করিবার জন্য এই দুস্তর জলধি মধ্যে আবির্ভূত হইয়াছেন, তিনি অবিলম্বে সেই কন্যার তরণীতে উঠিয় তাহার প। জড়াইয়। ধরিলেন । প্রথমে ভগবতী ধীব রক দ্য বলিয়াই আপনার পরিচয় দিয়াছিলেন, শেষে যখন দেখিলেন চন্দ্রশেখর ভুলিবার ছেলে নয়, তখন পরিচয় দিলেন, “আমি তোমার ইষ্টদেবত ভগবতী । অামার বরে এইখানে চড়া পড়িয়া দ্বীপ : উৎপন্ন হইবে, তুমি এই স্থান অধিকার করিবে এবং তোমার । নামানুসারে ইহ চন্দ্র দ্বীপ নামে খ্যাত হইবে।” বর দিয়া ভগবতী অস্তুৰ্হিত হইলেন । সঙ্গে সঙ্গে এখানকার জল সরিয়া চয় দেখা দিল (১) । ২য় প্রবাদ এই–চন্দ্রশেখর চক্রবর্তী নামে এক সন্ন্যাসী ছিলেন । দনুজমর্দন দে নামে তাহার এক শিষ্য ছিল । ( ১ ) ব্রজসুন্দর মিত্র প্রণীত চন্দ্রীপের রাজবংশ ৯১ পৃঃ ।