পাতা:বিশ্বকোষ ষষ্ঠ খণ্ড.djvu/৩০০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চিতোর দেবমন্দিরশোভিত মধুর গুজনশীল ভ্রমরকুলপূর্ণ-উপবন-বিয়াজিত সকল সংসায়সার অচল তুর্গ নিৰ্ম্মাণ করেন । [ ১৮৭ ] উক্ত প্রমাণ দ্বারা স্থিরীকৃত হইতেছে যে ১৫০৫ বিক্রমসংবতে মাখমাসে উক্ত কীৰ্ত্তিস্তম্ভ নিৰ্ম্মিত হয়। ট"সাহেব যে ১৫১৫ সম্বতে “বৃশ্ব” নামক দেবমন্দির নির্মাণের কথা লিথিয়াছেন, তাছাও সম্পূর্ণ ভ্ৰমাত্মক, বাস্তবিক কীৰ্ত্তিস্তস্তে উৎকীর্ণ ১৮° শ্লোকে উক্ত বর্ষে কুম্ভমেরু নিৰ্ম্মাণের কথাই লিখিত আছে * । বিখ্যাত টড় সাহেবের মতে এই জয়স্তম্ভ দিল্লীর কুতকৃ মিনার অপেক্ষ উৎকৃষ্ট। কিন্তু কনিংহাম সাহেবের মতে এই স্তম্ভ কুতব-মিনারের সমকক্ষ হইতে পারে না । তিনি বলেন, ইহার আপাদমস্তক সূক্ষ্ম ভাস্করকার্য্যে পরিপূর্ণ থাকার ইহার সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি না হইয়া বরং হ্রাসই হইয়াছে । এরূপ না হইয়া যদি মধ্যে মধ্যে শাদ জায়গা থাকিত, তাহা হইলে সৌন্দর্য্য আরও বৃদ্ধি হইত। ইহাতে উঠিবার সোপানশ্রেণী অতি অপ্রশস্ত ও দ্বারগুলি অতি ক্ষুদ্র । অপর একটী স্তম্ভের নাম কীৰ্ত্তম অর্থাৎ ছোটকীৰ্ত্তম । ইহা সস্তখতঃ দেবোদেশে নিৰ্ম্মিত হয় । এই স্তম্ভ সম্প্রতি পতনোয়ুখ হইয়া আছে। প্রাচীরের স্থানে স্থানে ফাটিয়া গিয়াছে, এবং চূড়ার কতক অংশ খসিয়া পড়িয়াছে। চিতোরের মন্দিরগুলির মধ্যে মোক লক্ষ্মী-ক-মন্দির ও শিঙ্গারচৌরী নামক মন্দিরদ্বয়ই প্রধান । প্রবাদ অাছে— রাণা কুম্ভকৰ্ণ পিতা মোকলজীর স্মৃতিচিহ্নস্বরূপ উল্লিখিত মোকলজী-কা-মন্দির নিৰ্ম্মাণ করেন, আবার কাহারও মতে মোকলজী স্বয়ং ঐ মনির প্রতিষ্ঠা করেন । ইহা পূৰ্ব্বপশ্চিমে ৭২ ফিট দীর্ঘ এবং উত্তরদক্ষিণে ৬৯ ফিট বিস্তৃত। ইহার মধ্যস্থলে চতুষ্কোণ প্রকোষ্ঠ, উছার উপরের ছাদ খিলান করা এবং ক্রমে গোলাকার সূচীর আকার ধারণ করিয়া চূড়ায় পৰ্য্যবসিত হইয়াছে। এই প্রধান প্রকোষ্ঠেয় পশ্চাতে [ ২৯৭

  • কীৰ্ত্তিগুণ্ডের শিলালিপিয় প্রকৃত পাঠোদ্ধার করিতে ন পারিয়াই টড প্রভূতি পূৰ্ব্বতন ঐতিহাসিকগণ সকলেই প্রমে পড়িয়া ছন । এইরূপ ज*ब्रां★द्र भिणाजिश्रिब्र धकूछ नt#ाकोtब्रज अकांtव मशञ्चl t७ मे5िॐ नtशरttना शङिखि ष१िक1श्श् चम। श्व नः श्ा काङ्प्रिrt६ । श्ठङ्गtः यtडक निलोजिनििम्न बँौठिभङ •{tझै छोड्न झ् ६ङ्ग अरु%क ।

উক্ত কীৰ্ত্তিগুপ্তের শিলালিপিতে রাণী কুম্ভকর্ণের পূর্বপুরুষগণের DDBBSBBBB BBGG DSDS gD DDSBBDD DD DS DDD DDDD tक श्रै १*१ी छ ३शांब्र धवृठ *ा:#tझtन्न कtब्रन नारे । बाहणjछt; cक दल निहेि रान भाज उक उ कब्रिजाभ। WI ዓg } চিতোর মন্দিরের পূর্বাংশে অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র একটা গর্ভগৃহ আছে, তাহা অতিশয় অন্ধকারময়। মলিয়ের কোথাও আলোক যাইবার বন্দোবস্ত নাই। উজ্জল দিবাতাগেও দীপসাহায্য शाउँौठ किङ्कहे ६मल्लप्णेध्द्र श्ब्रु म । भलिष्ब्रब्र उखच्न, बकि ५ ও পশ্চিমদিকে তিনটী দরদালান ও প্রবেশদ্বার অাছে, তন্মধ্যে পশ্চিমদিকের দ্বারই প্রধান। পূৰ্ব্বদিকের প্রকোষ্ঠে একটা প্রকাও প্রস্তরমূর্তি স্তম্ভাকারে দণ্ডায়মান জাছে। প্রস্তরের তিনদিকেই মূর্তি খোদিত ও অত্যুৎকৃষ্ট ভাস্করকার্যশোভিত। এই মন্দিরের সর্বত্রই প্রস্তরখোদিত বহুসংখ্যক মূৰ্ত্তি পরিপূর্ণ। ইহার কোথাও বাদ্যকয়গণ, কেহ ঢোল, কেছ করতাল, কেহ বাণী, কেহ লাগড়া ইত্যাদি লইয়া বাদ্য করিতেছে ; কোথাও বিচারকগণ বিচার করিতেছেন, সম্মুখে প্রহরী কর্তৃক ধৃত অপরাধী ভীতি বিহালচিত্তে দণ্ডায়মান, কোথাও কোন মহিলা জলকুক্ত মস্তকে লইয়া আসিতেছে, সম্মুখে করজোড়ে জনৈক পুরুষ দণ্ডায়মান ; কোথাও কোন বীরপুরুষ যুদ্ধক্ষেত্র হইতে সশস্ত্র প্রত্যাগত, সম্মুখে শিশুক্রোড়ে করিয়া তাহার প্রিয়তম ভাষাঙ্গে তাছাকে অভ্যর্থনা করিতেছে, কোথাও যোদ্ধাগণ অসি চৰ্ম্ম লইয়া যুদ্ধ করিতেছে, ইত্যাকার নানা তাবের সুনার সুন্দর খোদিত মূৰ্ত্তি শত শত বর্তমান । শিঙ্গায়চৌরী নামক মন্দিরের গঠন ঢেরার মত । ইহার প্রধান গর্ভগৃহ মধ্যভাগে নিৰ্ম্মিত। তাহার চতুৰ্দ্দিকে চারিট দরদালান, তন্মধ্যে পূৰ্ব্ব ও দক্ষিণদিকে দ্বার নাই, উত্তর ও পশ্চিমদিক্ দিয়া মন্দিরে প্রবেশ করা যায়। হিন্দুদেবমন্দিরাদি প্রায়ই পূৰ্ব্বদ্বারী হইয়া থাকে, কিন্তু চিতোরের মন্দিরাদি প্রায় সবই পশ্চিমম্বারী। প্রবাদ যে এই শিঙ্গারচৌরী রাণা কুম্ভের জৈনধৰ্ম্মাৰলম্বী কোষাধ্যক্ষ কর্তৃক নিৰ্ম্মিত । শিঙ্গারচৌরীর মধ্য দিয়া মিবার-রাজ্যাপহারী বনবীর আত্মরক্ষার্থ এক প্রাচীর নিৰ্ম্মাণ করেন । ঐ প্রাচীর দ্বারা গড় দুইভাগে বিভক্ত হইয়া গিয়াছে। চৌম্বানের অদূরবর্তী সরোবর মধ্যে ভীমসিংহ ও রাণী পদ্মিনীর প্রাসাদ । সম্প্রতি এই প্রাসাদের সংস্কার হইয়াছে । একটী উচ্চভূমির উপর মিবারের অধিষ্ঠাত্রী কালিকাদেবীর মন্দির স্থাপিত । অনেকে অনুমান করেন এই মন্দিরের নিয়ভাগ এমন কি স্তস্তাদি পৰ্য্যন্ত রাণাদিগেরও পূৰ্ব্বে নিৰ্ম্মিত ; রাণাগণ ইহার সংস্কার করিয়াছেন মাত্র। এতদ্ভিন্ন কুকুরেশ্বরমন্দির, অন্নপূর্ণাদেবীর মন্দির, রত্নেশ্বরসিংহের প্রাসাদ, নবলক্ষভাণ্ডার প্রভৃতি আরও অনেক অত্যাশ্চর্য্য মন্দিরাদি এবং সূৰ্য্যকুণ্ড, মাতাজিকুণ্ড প্রভৃতি চিতোরের শোভাসস্বৰ্দ্ধন করিতেছে ।