পাতা:বিশ্বকোষ ষষ্ঠ খণ্ড.djvu/৪৩৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চৈতন্যচন্দ্র [ 8७९ ] করা উচিত নহে, আমি স্থানান্তরে যাইব ।’ এ কথায় সকলেই কাদিতে লাগিলেন । শচীমাতাও কাদিয়া আকুল হইলেন। শেষে স্থির হইল যে, নিমাই নীলাচলে থাকিবেন । কারণ সেখানে এদেশীয় লোক মধ্যে মধ্যে বাইর , থাকে, তথায় থাকিলে শচী প্রায়ই নিমাইয়ের সংবাদ পাইৰেন । नभांश् खननेंौद्र क्ष५iश्न , लश्मलं श्रॆशिन ५ुश् स्छखগণকে বলিলেন, “বাপ ধন ! তোমরা সকলেই আমার প্রাণত্যুল্য। প্রাণ থাকিতে তোমাদিগকে ভুলিতে পারিব না । তোমরা সকলেই স্বরে ধাইয়া কৃষ্ণনাম, কৃষ্ণকথা ও কৃষ্ণ-মারাধনা করিয়া, দিনাতিপাত কর । আমি নীলাচলে চলিলাম, মধ্যে মধ্যে আসিয়া তোমাদের সহিত দেখা করিব এবং তোমরাও সময় মত আমার সহিত দেখা করিতে পাল্লিবে ।” প্রভুকে ছাড়িয়া থাকিতে সকলেরই প্রাণ র্কাদিয়া উঠিল, কিন্তু নিমাইয়ের কথার পর কথা বলিতে কেহই সাহস করিল না । তাহার কঁাদিতে কাদিতে প্রভুকে নমস্কার করিয়া গৃহে যাইয় তাহার অনুমতি প্রতিপালন করিতে লাগিল । আচাৰ্য্যরত্বের অনুরোধে গৌরাঙ্গচন্দ্র আরও কএকদিন তাহার গৃহে অবস্থান করিলেন। পরে নিত্যানন্দ, জগদানন্দ, দামোদর ও মুকুন্দ এই চারিজনকে সঙ্গে লইয়। শাস্তিপুর মাধtয় করিয়৷ ছত্রভোগপথ দিয়া নীলাদ্রি চলিয়া গেলেন । যাইবার সময় স্বীয় জননীর প্রতিপালনের ভার অদ্বৈতাচাৰ্য্যকে অর্পণ করিলেন । (চৈতন্যচরিতামৃতরচয়িতা কৃষ্ণদাস গেীরচন্দ্রের সন্ন্যাস । গ্রহণ পর্য্যস্ত আদিলীল এবং তাহার উন্মাদ অবস্থায় তিন দিন রাঢ়দেশে ভ্রমণ অবধি মধ্যঙ্গীলা বলিয়। বর্ণনা করিয়াছেন। ) এই সময়ে গমনাগমনের বড়ই অসুবিধা ছিল, নৌকাপথে জলদস্থ্য ও তীরপথে ডাকাত ও হিংস্র জন্তুর ভয়ে গমনাগমন সকলের সাহসে কুলাইত না । ইহা ছাড়া পথরক্ষক রাজপুরুষগণের উৎপীড়নে অনেক পথিকই প্রাণ হারাইতেন। কিন্তু চৈতন্তের হৃদয় ভয়শূন্ত, তিনি নিৰ্ভীক চিত্তে কৃষ্ণনাম কীৰ্ত্তন করিতে করিতে চলিতে লাগিলেন। মধ্যাহ্ন সময় উপস্থিত হইলে নিকটস্থ গ্রামে যাইয়া ভিক্ষা করিতেন । তিনি যে গ্রামে যাইতেন, যে গ্রামবাসীর একবার তাহার শ্ৰীমুখ দর্শন কল্পিত, তাহারাই কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা হইয়া পরম বৈষ্ণব হইয়া উঠিত। চৈতন্ত এক গ্রামে একদিনের বেশী ভিক্ষা করেন নাই । একদিন পথে বিপদ ঘটিল, উপযুক্ত অর্থ না দিলে কেহই পার করিতে চায় না। সন্ন্যাসী চৈতন্তচন্দ্র নিঃসস্থল, কমণ্ডলু, বহির্বাস ও বংশ দগুটী ভিন্ন আর কিছুই সম্বল নাই, অথচ দানীরাও অর্থ না পাইলে ছাড়িবে না ; প্রস্তু জাহাদিগকে বলিলেন, “ৰাপ সকল ! আমরা সন্ন্যাসী, টাকা কড়ি কোথা পাইব, জামাদিগকে পার কন্ধিলে তোমাদের পূণ্য হইবে।” তাছাদের হৃদয়ে ধৰ্ম্ম বা দয়ার উত্রেক नॉई, ऊांश्tब्रl cन कथा छनिश मा, ८ल८श द्वल्लङछळछ *ति विरहांन्न कब्रिध्ना फैौर्डन श्रांब्रख कब्रिएलन, cनर्थिब्र उनिग्ना नांनैौ পুরুষগণের হৃদয় ভিঞ্জিয় গেল, তাছারাও "কৃষ্ণ ! কৃষ্ণ ! হরি হরি !" বলিয়া নাচিতে কাদিতে হাসিতে লাগিল । চৈতম্ভের পায়ে পড়িয়া পরম সমান্বরে পার করিয়া দিল । পথে আর কোন বিশ্ন হইল না, চৈতন্সচঙ্ক লক্ষ্মীগণের সহিত রেমুণায় আলিয়া উপস্থিত হইলেন । এখানে গোপীনাথ নামক একটা দেবমূৰ্ত্তি দর্শন করিয়া প্রেমাবেগে অনেক নৃত্যগীত করিয়াছিলেন । বৈষ্ণব কবির মতে খ্রীচৈতন্তু এখানে উপস্থিত হইবামাত্র গোপীনাথদেবেন্ধ চুড়ার পুষ্প তাহার উপহারের জন্ত খসিয়া পড়িয়াছিল। ইহাতে চৈতন্তু অতিশয় আনন্দিত হন । গোপীনাথের সেবকগণ প্রভুর ভাব দেখিয় তাহাকে সমাদর করিয়া সে রাত্রি সেইস্থানে রাখিয়াছিলেন । গোপীনাথের প্রসাদী ক্ষীর খাইয়া তিনি অতিশয় প্রীতিলাভ করেন । পূৰ্ব্বে ঈশ্বরপুরীর মুখে এই গোপীনাথের ক্ষীর চুরি করার বিষয় যে অদ্ভূত গল্প শুনিয়াছিলেন, প্ৰভু সেই গল্পট ভক্তগণকে শুনাইয়া বড়ই হর্ষ প্রকাশ করিলেন । [ কত্তাভজা ২২১ পৃ" দেখ । ] গৌরচন্দ্র পুরীর প্রশংসা করিতে করিতে পুীকৃত—- “অরিদীন দয়ার্দ্রনাথ হে মথুরানাথ কদাবলোক্যসে । হৃদয়ং শ্বদলোককাতরং দয়িত ! ভ্ৰাম্যতি কিং করোম্যহম্ ।” এই শ্লোকটী পড়িয়া মূচ্ছিত হন। পরদিন সেই স্থান হইতে চলিলেন। কিছুদিন পরে যাজপুরে উপস্থিত হন। যাজপুরে বরাহ মূৰ্ত্তি দর্শন ও প্রেমাবেগে নৃত্যগীত করিয়া কটক যাইয়া গোপাল দর্শন করেন । গোপাল দর্শনে প্রভুর ভাবাবেশ উপস্থিত হয়, আবেশে উন্মত্তপ্রায় হইয়া গোপালের স্তব করেন । নিতাই সাক্ষীগোপালের অলৌকিক প্রস্তাব বলিলে চৈতষ্ঠ আরও হর্ষযুক্ত হন। বৈষ্ণব কবিগণ বলেন যে, চৈতন্য গোপালের নিকটে দাড়াইলে ভক্তগণ উভয়কেই একরূপ দেখিত । এক রাত্রি এই স্থানে থাকিয়া জাবার চলিতে আরম্ভ করেন । চৈতন্ত যে গ্রাম দিয়া গমন করেন বা যে স্থানে কিছুকাল অপেক্ষ করেন, সেই স্থানবাসীরাই তগতপ্রাণ ও বৈষ্ণব হইয়া প্রেমে মাতিয়া উঠিতে লাগিল। চৈতন্ত छठ्द्र शैौम्न श्रद्दभांघ भखि नकांद्र कब्रिग्नां जभरष्ठ श्रृंथं क्लश्भ:2८भ মাতাইয়া ভূবনেশ্বরে উপস্থিত হন। তৎপরে কমলপুর, ভার্গবী নদীর পবিত্র সলিলে স্নান করিয়া কপোতেশ্বর দর্শন করিতে ধান । যাইবার সময় নিস্তাইয়ের হস্তে দগুটী অর্পণ করিয়া