পাতা:বিশ্বকোষ ষষ্ঠ খণ্ড.djvu/৫৮০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


स्रभंडावं -з=цензинен *** **w- - - অধিকাংশই ভ্ৰমমূলক। এখনকার প্রত্নতত্ত্বলিদ ফ্লিটুসাহেবও चौकांब्र कब्रिब्रां८छ्न, ¢र नक्लग्नांक्लब छे९कनब्रांज बषांखि ८क श्रृंग्रैौद्र জেরূপ সময় নিরূপিত হইবা থাকে, অন্ততঃ তাহার চারিশত বর্ষের পরে তাহার সময় স্থির করিতে হুইৱে * । স্বাস্তবিক আমরা নানা প্রমাণ পাইয়াছি য়ে মহারাজ শিবগুপ্ত খৃষ্টীয় ৮ম শত্তাব্দে অধিপত্য কৱিতেন । উৎকলের ঐতিহাসিকগণ রক্তৰাছ যুবনকে গ্রীক বলিয়া श्रष्ट्रमांन करइन, किड़ भूर्डीव्र vम भंडां८क ढौक कईक प्ले९कगপ্রান্ত আক্রমণের কথা অপর কোন ইতিহাসে শুনা যায় না । बदईौरश्रब्र अषिदांनैौशभ७ बरुन् दां छदम् नांरब थाऊ । भू*ीव्र ৮ম ও ৯ম শত্তান্ধে ধবীপীয়গণ অতিশয় প্রৰল হইছা অর্ণবপোতে গিয়া চীনসমুদ্রবর্তী কম্বোজ হইতে ভারতের পূর্ব উপকূলবর্তী মানাস্থান লুণ্ঠন কৱিস্কাছিল, তন্মধ্যে ৭০৯ শকে তাহার কম্বোজে যে ভীষণ উৎপত্তি করিয়াছিল, তথাকার প্রাচীন मश्कूङ शिशक्षिण८क ऊांश व्यशढ छाषांइ बगिंङ श्रां८झ् + । আমাদের বোধ হয়—কম্বোজের মত জবনগণ অর্ণবপোতে আসিয়া শ্ৰীক্ষেত্রেও লুণ্ঠন করিয়াছিল। পরাক্রান্ত জীবনসৈম্ভের ভয়েই রাজা শিবগুপ্ত জগন্নাথ স্থানান্তরিক্ত করিতে বাধ্য হইয়াছিলেন । শবররiজ শিৰগুপ্তের পর তৎপুত্র মহারাজ ভবগুপ্ত ত্ৰিকলিঙ্গের অধিপত্তি হইয়াছিলেন। উৎকল ও মধ্যপ্রদেশের | নানীস্থান হইতে ভবগুপ্তের সময়কার খোদিতলিপি আবিষ্কৃত হইয়াছে । ইনি মহাভবগুপ্ত নামেও আপনার পরিচয় দিয়াছেন। কটক জেলার কপালেশ্বর গ্রাম হইতে প্রাপ্ত তবগুপ্তের তাম্রশাসনে উৎকীর্ণ সম্বং জঙ্ক কৃষ্টে বোধ হয়, ইনি বহু দিন রাজস্ব করিয়াছিলেন। মহারাজাধিরাজ তবগুপ্তের রাজত্বকালে উৎকলের বিখ্যাত ब्रांज षषाडिब्र निङ छनप्यजद्र माझडूङ इन । ५थनकांद्र কোন কোন ঐতিহাসিক লিখিয়াছেন যে, মহারাজ যযাতিকেশরী মগধ হইতে আসিয়া উড়িষ্যা জয় করেন, কিন্তু এ কথা ঠিক নহে, ব্রন্ধেশ্বরের শিলালিপিতে লিখিত আছে— যযাতির পিতা চন্দ্রবংশীয় জনমেজয় তিলঙ্গ হইতে আসিয়া ওড্ররাজকে পরাজয় করিয়া উড়িষ্যারাজ্য গ্রহণ করেন (১৩)।

  • Fleeta' Corpus Inscriptionum Indicavum, Vol. III. . 294. р t Inscriptions Sanskrites de Campa et du Cambodge par M. oញុំ p. 33. t 1894. )

(১৩) “তৰংশেখঞ্জনি গুপ্ৰীষ্ট্রিকুলে' ৰিষভয়াৰল্লভে ब्रख{aअनाथजब्रः न ब्रिगूश फूछचिशत्रfविP: । बछtप्रखिकब्रtकब्रिथबभिवरूctी ब्रि”*ाँ९ दिt** बt কুলগ্রংভোঁড়ুজেশল্পতেলক্ষ্মীং जमावृहेषांन् ॥" [ tar अनंबईधं भरणभूब श्रङ धात ७ कफे८कब्र क्रांप्नड़ेब्रैौ जाभिरन ब्रक्रिड झरेषांनि ऊांञ्चश्वांनएन थषांडिङ्ग गिङ बनcधबरग्नब्र मांम शांeद्रा बांबू, छिनि बिकणिकांश्निङि प्रकांब्रांज पङब७८छब्र श्रथैौटन ऐं९कजরাজ্য শাসন করিতেন ৬ । भश्ॉब्रांछ रुझांठिद्र एलांच्चत्रांजम बांद्रांe छांना बांझ cश् डिनि ভবগুপ্তের পুত্র মহারাজাধিরাজ ত্রিকলিঙ্গাধিপতি মহাশিব७एक्ष्ब्र (अर्थोप्न) जभएङ्ग ऊं९कणब्राछा भोगन कब्रिट्डने ? । উৎকলের ঐতিহাসিকগণ যযাতির পিতার নামোল্লেখ না করিলেও তাহার ১১শ পুরুষ পরে জনমেজয়কেশরী নামে কেশরীবংশীয় এক রাজার নাম লিখিয়াছেন । পুরুষোত্তমझब्रिको ७ङ्घछिद्र भएऊ छनष्मणब्र८कभौ ७१७-७४८ लक অর্থাৎ ৭৫৪-৭৬৩ খৃষ্টাব্দ পর্য্যস্ত রাজত্ব করেন : । পূৰ্ব্বে যেরূপ লেখা হইয়াছে, তাহাতে যযাতির পিতা खनाभस्नम्न मै जभप्झन्न cगोक श्हेप्ठरहन बग्ने । তাম্রশাসন পীঠে জানা যায়—যে শবরাধিপ ভবগুপ্তের সময়ে রাজা জনমেজয়দেব এবং ভবগুপ্তের পুত্র মহাশিবগুপ্তের সময় রাজা স্বৰাতি আবিভূত হন। উৎকলের ঐতিহাসিকগণের মতে ৩৯৬ শকে রাজা ষযাতি রাজত্ব করিতেন। পূৰ্ব্বেই লিখিয়াছি যে প্রকৃত ঘটনা হইতে যযাতির সময় কমবেশ চারিশত বৰ পিছাইরা লওয়া হইয়াছে, এরূপ স্থলে খৃষ্টীয় নবম শতাবো যযাতির আবির্ভাব স্বীকার করিতে হয় । রাজা ষযাতির তাম্রশাসনে উৎকীর্ণ বর্ণমালা দ্বারাe তাহাকে খৃষ্টীয় নবম শতাব্দীর পূর্বৰী বলিয়া গ্রহণ করা যাইতে পারে না । উৎকলখও ও তৎপরবর্তী গ্রন্থসমূহে শবর কর্তৃক যে পুরুষোত্তমের পূজাদি লিখিত আছে, তাহ শবর-রাজগণের সময়কার কথা হওয়াই সমধিক সম্ভব। যযাতি শবররাজধানী হইতে দারুত্ৰহ্মমূৰ্ত্তি আনিয়া নানা যাগ যজ্ঞ করিয়া ব্রাহ্মণ দ্বারা পুনঃ প্রতিষ্ঠা;করেন। বোধ হয় এই উপলক্ষ করিয়াই উৎকলখও প্রভৃতি গ্রন্থে ব্ৰহ্মা কর্তৃক দারুত্ৰহ্মের প্রতিষ্ঠার कथां दर्मिष्ठ झहेग्नः ५ॉकि८ द । নারদ বা ব্ৰহ্মপুরাণে শৰয় ৰ ব্ৰহ্মার প্রসঙ্গ না থাকায় আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস হইতেছে, যে শবরপ্রসঙ্গমূলক উৎকলখও ২য় ইঞ্জস্থায় উপাধিধারী যযাতির সময়ে বার্তাহার কিছু পরে ব্লঙ্কেশ্বক্ষঙ্গিপি ই লোক । « Journal Asiatic Society of Bengal, 1877, - Pt. 1 p. 163, 175.

  • छांअलानरन ऐ९कशग्रज छमरमबच स छ१५ज षकांखि cनtअषर*ौत्र *find tsassis 1–J. A. S. B. Vol. VII, p. 558,

† Dr. Hunter's Orissa, Vol. I, p. 209,