পাতা:বিশ্বকোষ ষষ্ঠ খণ্ড.djvu/৫৯৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


க 警* খৰ্গদ্বার। মহামন্দিরের নৈঋতকোণে অৰ্দ্ধমাইল দূরে লমুঞ্জের ৰেলাভূমিতে স্বৰ্গদ্বার। প্রবাদ এইরূপ ব্ৰহ্ম৷ ইজস্থ্যয়ের প্রার্থনায় এইখানেই প্রথম অবতরণ করেন। যাত্রীগণ এইখানে জাসিয়া সমুদ্রে স্নান করিয়া থাকে। এখানে যে কোন সময়ে স্নান করিলেই পুণ্যলাভ হয়। পুরুষোত্তমমাহায্যের মতে সূৰ্য্যগ্রহণের সময় এখানে সীন করিলে কোটী জন্মের পাপ দূর হয় । ইহার নিকট স্বৰ্গদ্বারসাক্ষী ও কাণপতি৷ হনুমান মূৰ্ত্তি আছে। প্রবাদ এইরূপ সাগরের তরঙ্গশব্দে সুভদ্র ভীত হইলে তঁtহার হাত উদর মধ্যে প্রবেশ করে, তাহাতে জগন্নাথ সাগরকে বলিয়া দেন “যেন আমার মন্দির মধ্যে তোমার শব্দ আর না মাসে ।” সেই জন্য ভগবানের আজ্ঞায় হনুমান কাণপাতিয়া সাগরের শব্দ শুনিতেছে ও সাগরের ঢেউ যাহাতে মন্দিরের নিকট না আসে সেজন্য চৌকী দিতেছে। লোকনাথ । খ্ৰীক্ষেত্রের পশ্চিমঙ্গীমায় লোকনাথের মন্দির । সাধারণের বিশ্বাস রামচন্দ্র এই লোকনাথ মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন । কিন্তু পূৰ্ব্বেই লিখিয়াছি লোকনাথ অধিক প্রাচীন নহে, মন্দিরের গঠন দৃষ্টে বোধ হয় যে মহারাষ্ট্রদিগের সময়ে এই মন্দির নিৰ্ম্মিত হইয়া থাকিবে । আমাদের এদেশে যেমন তারকেশ্বর, উৎকলে সেইরূপ লোকনাথ । পুরীর লোকের জগন্নাথ অপেক্ষ লোকনাথকে অধিক ভয় করিয়া থাকে । লোকনাথ লিঙ্গ সৰ্ব্বদাই পীঠের মধ্যস্থ একটা কৃত্রিম উৎস মধ্যে ডুবিয়া আছে ; নিকটস্থ কোন সরোবরের সহিত ঐ উৎসের যোগ থাকায় মন্দির মধ্যে ধীরে ধীরে জল উঠিতেছে ও অতিরিক্ত জল পীঠের উপর দিয়া চলিয়া যাইতেছে । কেবল শিব চতুর্দশীর দিন লোকনাথলিঙ্গ বাহির হন । এই সময়ে এখানে বিশ ত্রিশ হাজার যাত্রী আসিয়া থাকে। এখানে অপর সময়েও হরপাৰ্ব্বতীর উদ্দেশে অনেক যাত্রী হইয়া থাকে। মঠ । জগন্নাথক্ষেত্রে নানা সম্প্রদায়ীর আগমনে এখানে বিস্তর সম্প্রদায়ীর মঠ স্থাপিত হইয়াছে। কেহ কেহ এখন ৭৫২ট মঠ গণনা করেন । উক্ত মঠ গুলির মধ্যে मिशाहेচৈতন্তের মঠ, বিদুরপুরী বা মূলকদাসের মঠ, সুদামাপুরী ও পাতালগঙ্গার নিকট নানকসাহী মঠ, অতলস্পর্শ স্বৰ্গদ্বার স্তম্ভের নিকট কবীরপন্থীর মঠ ও বালুসাইৗর শঙ্করমঠ প্রধান । ঐ সকল মঠে সেই সেই সম্প্রদায়ভুক্ত সন্ন্যাসীরা অtশ্রয় ও জাহারাদি পাইয়া থাকে। শঙ্করমঠে বিস্তর বৈদাস্তিক গ্রন্থ আমাছে । আঠারনালা । পুরীর বড় রাস্ত দিয়া গমন করিলে ঐক্ষেত্রে প্রবেশ করিবার সময়েই প্রথমে আঠারনালা সম্মুখে WI { ৫৯৭ - ] झ१ॉब्रांप्रं পড়ে। প্রবাদ এইরূপ রাজা মৎস্তকেশী মুটিয়ানী পায়পারের সুবিধার জন্য আঠারটা ফোকরযুক্ত একটা সেতু প্রস্তুত করিয়া দেন, তাহাই মাঠারনাল নামে খ্যাত । আবার কেহ বলে, ইন্দ্রদ্ধ্যয় যাত্রীদের পারাপারের সুবিধার জন্ত নিজের ১৮ট পুত্রের মাথা কাটিয়া ১৮টা নালায় প্রদান করেন, তাছাতে অtঠারনালা হইয়াছে । আবার কোন কোন বৈষ্ণব বলেন, চৈতন্তদেব এখানে আসিয়া নদী পার হইতে না পারায় জগন্নাথদেব তাহার সুবিধার জন্ত এক রাত্রি মধ্যে ঐ নালা প্রস্তুত করিয়া দেন । বাস্তবিক কখন ঐ আঠায়নালা হয়, এখনও তাহ স্থির হয় নাই। জলবায়ু। জগন্নাথক্ষেত্রের জলবায়ু ভাল নহে। এই জন্ত অধিক যাত্রীর সমাগম হইলেই এখানে নানাপ্রকার পীড়t সংক্রামিত হইয়া পড়ে। এখানে দাতব্য চিকিৎসালয় অাছে, তাহাতে সাধারণে বিনা অর্থব্যয়ে চিকিৎসিত হয় । কার্য্যালয় । সমুদ্রের ধারে আদালত প্রভৃতি আছে । পূৰ্ব্বে গ্রীষ্মকালে উৎকলস্থ বড় বড় সাহেব কৰ্ম্মচারীগণ এখানে হাওয়া খাইতে আসিতেন । নিষেধ । জগন্নাথের প্রীমন্দিরের প্রদক্ষিণার মধ্যে যবন ব্যতীত বাওরি, শবর, পাণ, হাড়ি, কাওর, চামার, ডোম, চগুলি, চিড়িয়ামার, সিউলী, তীবর, দুলিয়া, পাত্র, তত্ত্ববায়, কাণ্ডার ( চৌকিদার), কসবী, সৰ্ব্বপ্রকার জঙ্গলিয়া, রাজদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি, কুস্তকার, রজক এই কয় জাতির প্রবেশ নিষিদ্ধ। এতদ্ভিন্ন নীলাদ্রিমহোদয়ে লিখিত আছে— পাক কৰ্ম্মে অধিকারী ভিন্ন যতি, ব্রাহ্মণ, সন্ন্যাসী, ব্রহ্মচারী, বাণপ্রস্থাশ্রমী ও শূদ্র অথবা উহাদের পুত্ৰগণ দেবের পাকশালায় যাইতে পারিবে না, পাকশালায় প্রবেশ করিলে সমুদয় ভোক্ষ্য-ভোজ্য দীর্ঘখাতে ফেলিয়া দিবে (২৬ )। জগন্নাথ (পুং) জগতাং নাথঃ ৬তৎ। ১ পরমেশ্বর । ২ বিষ্ণু। জগন্নাথ, ১ কিন্মুর বংশীয় একজন রাজা। ইহারই অনুগ্রহে কবি নরসিংহ ভট্ট অদ্বৈতচন্দ্রিক এবং ভেদাধিকারটীকা প্রণয়ণ করেন । [ নরসিংহ দেখ । ] (২৬) “পাক কৰ্ম্মণি ৰে মৰ্বোtছধিকারী তং জনং বিল। म शप्रशान्न ९ ८क९णि नि:क्षj: ...! कभलिब्रtनश्र्णीन् । य टt प्र! डाक्रन्tटे-क्लक नम्नााभी द्धकठोब्रिण: । স্বাণপ্ৰস্থাপ শূত্রাশ যে কেচিক্ষ তথাক্ষ্মস্থাঃ । মঞ্চেইলি পাকশালাং লৈ গছে, নন্ত্রেখর । वन ऐश वt९ •ाकणtणा१ थडriषrt"छ विघ्नंखि ६१ ॥ डशा ठणू,नानिक ब्रः कौर्ष४icङ मि”ाङtइ९ ॥" x * { वीणाजिनप्रारब १ चt) c a