পাতা:বিশ্বকোষ ষষ্ঠ খণ্ড.djvu/৬৪৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


छझिाङ्ग কোনও স্থানে সরকারপক্ষীয় রাজস্ব আদায়কারী কৰ্ম্মচারী বিশেষকেও বুঝায়। 畿 • জমিদার শব্দের অর্থ ভাল করিয়া বুঝিতে হইলে, फूभि সৰ সম্বন্ধে কিছু জানা আবখক । ভূমি কাছার সম্পত্তি, ভূমির প্রকৃত অধিকারী কে, প্রথমতঃ এই প্রশ্নের মীমাংসা করিতে হইবে। ময়ু বলিয়াছেন, — "পৃখোরপীমাং পৃথিবীং ভাৰ্য্যাং পূৰ্ব্ববিদে বিত্নঃ ” (ময় ৯৪৪) ইহাতে বুঝা যাইতেছে যে রাজাই ভূমির সত্ত্বাধিকারী, কারণ তিনি পৃথিবীপতি । মন্থ আবার বলিয়াছেন,— “স্থাণুচ্ছেদস্ত কেদারমাহঃ শল্যবতো মৃগম্‌ ৷” (মমুসং ৯৪৪ ) লীকারীর মধ্যে যে প্রথম মুগকে শরবিদ্ধ করে, সেই যেমন শীকারলদ্ধ মৃগ পায়, সেইরূপ যে বন কাটিয়া ভূমি উদ্ধার করিয়া কৰ্ষণাদি করে, ভূমি তাহারই হইয়া থাকে। সুতরাং রাজা এবং কৃষক উভয়েই ভূমির অধিকারী । [ ७8१ ] অধিকন্তু রাজা উৎপন্ন শস্তের যষ্ঠাংশভাগী, কিন্তু প্ৰজাগণ । অবশিষ্ট সমস্তেরই অংশভাগী । পুরোহিত, গুরুমহাশয়, স্বত্রধায়, কৰ্ম্মকার, রজক, নাপিত প্রভৃতি গ্রামসমিতি এই অবশিষ্ট্র শস্যের যথাযোগ্য অংশ প্রাপ্ত হইত। সুতরাং প্রকৃতপক্ষে রাজা, কৃষকগণ এবং সমিতি ইহাদের সকলেরই তুমিতে সুনাধিক অধিকার অাছে । সমীপবর্তী গ্রামসমূহের কর আদায় রাজধানী হইতে সহজে নিম্পন্ন হইত, কিন্তু দুরবর্তী স্থানসমূহের জন্য রাজা গ্রামাধি পতি, দশ গ্রামপতি প্রভৃতি নিযুক্ত করিতেন । “গ্রামস্তাধিপতিং কুৰ্য্যাৎ দশগ্রাম পতিং তথা । বিংশতীশং শতেশঞ্চ সহস্ৰপতিমেব চ |” ( মনু ৭।১১৫ ) গ্রামস্থ ভূমি প্রজাগণের মধ্যে বিভাগ করিয়া দিয়া গ্রামাধিপতি শগুচ্ছেদন সময়ে শস্তের পরিমাণ নির্ণয়পূর্বক রাজার প্রাপ্য অংশ আদায় করিয়া রাজকোষে প্রেরণ করিতেন, প্রজাদের মধ্যে কোনও বিবাদ উপস্থিত হইলে তাহাকে তাহার মীমাংসা করিয়া দিতে হইত। এই সকল কার্যের জন্তু তিনি রাজার নিকট হইতে শস্তের অংশ প্রাপ্ত হইতেন, কিম্বা অল্প খাজনার ভূমি ভোগ করিতে পাইতেন । এইরূপে ভূমি বিভাগ হইলে পর প্রজাগণের স্ব স্ব অংশ কালক্রমে তাহাদের নিজ সম্পত্তি হইয়া দাড়াইল । প্রজাগণ তাহার চতুদ্ধিকে বেড়া দিয়া রাখতে পারিত এবং পরক্ষেত্র হইতে কেহ কোনও বস্তু অপহরণ করিলে তজ্জন্ত সে দণ্ডনীয় হইত। “গৃহং ভড়াগমারামং ক্ষেত্রং বা ভীষয় হরন । শতানি পঞ্চ দণ্ড্যঃ স্তাদজ্ঞানাৎ দ্বিশতো দম: " (মমু ৮২৬৪) | छशिलां#ाँ সে সময়ে প্রজাগণের বেশী জমি থাকায় নিজে সমস্ত কর্ষণ করিতে পায়িত না। নিজের উপযোগী ভূমি রাখিয়া অবশিষ্ট অপরকে বিলি করিয়া দিত। তাহার রাজস্ব এবং ভূম্যধিকারীর थाशा अरण निरङ चॅौकृङ इहेही डूभि बप्लांबख कब्रिव्र गरेङ । এইরূপে রায়তের উৎপত্তি হইল এবং সমিতির প্রজাগণের উপরে ভূমির সত্বাধিকার জম্মিল । তৎপরে ভারতবর্ষ মুসলমানগণের হস্তগত হইলে প্রাচীন প্রথা অনেক স্থলে পরিবর্তিত হইয়া গেল। হিন্দুগণ পৈতৃক প্রথা ত্যাগ করিতে অসন্মত ; কিন্তু মুসলমানগণ তাহ সমূলে উৎপাটিত করিতে প্রাণপণে সচেষ্ট । মুসলমান শাস্ত্রানুসারে শাসনকৰ্ত্তাই ভূমির একমাত্র সত্বাধিকারী। ভারতবর্ষের যে যে স্থানে মুসলমান অধিকার বিস্তৃত হইয়াছিল, সেই প্রদেশে ভূমির উপরে শাসনকৰ্ত্তার সত্ত্ব স্থাপিত হইল। কৃষকগণের নিকট হইতে যাহ। কিছু আদায় করা হুইত, তৎসমস্তই রাজস্ব, সমস্তই রাজকোষে প্রেরিত হইত। রাজা ভিন্ন অপর কেহ তাহার অংশ তাগী ছিল না । রাজস্ব আদায় করিবার নিমিত্ত বুহুবিধ কৰ্ম্মচারী নিযুক্ত হইল। যথা—আমিল, জমিদার, তালুকদার ইত্যাদি। দূরবর্তী প্রদেশসমূহের শাসন জন্ত এক এক জন সুবাদার নিযুক্ত হইল । সুবাদারগণ নিজ নিজ সুবার রাজস্ব সংগ্ৰহ এবং বিচারপতির কার্য্য নিৰ্ব্বাহ করিতেন । সুবাদারের অধীনস্থ জমিদারগণ রায়তদিগের নিকট হইতে রাজস্ব আদায় করিয়া সুবাদারের নিকটে এবং সুবাদার তাহ রাজসমীপে প্রেরণ করিতেন। নিজ নিজ জমিদারীর প্ৰজাগণের মধ্যে বিবাদ উপস্থিত হইলে জমিদারগণ তাহার মীমাংসা করিয়া দিতেন । সুতরাং প্রজাগণের রক্ষণাবেক্ষণ, জমিদারীর তত্ত্বাবধান এবং রাজস্ব সংগ্রহের জ্ঞার জমিদারের উপরে হ্যস্ত থাকিত। ভূমিতে তাহদের কোনও সত্ত্বাধিকার ছিল না । এখন প্রশ্ন এই—কাহার উপরে এই সমস্ত কার্য্যের ভার দেওয়া হইত, অর্থাৎ কে জমিদার পদের অধিকারী হইত ? বাঙ্গালা, বিহার এবং উড়িষ্যায় বহুদিন হইতে মুসলমান আধিপত্য বিস্তৃত হইয়াছিল, সুতরাং সেই সেই স্থানে প্রাচীন হিন্দুপ্রথা সম্পূর্ণ লোপ পাইয়াছিল। ১৭৬৫ খৃঃ অব্দে ১২ই আগষ্ট তারিখে বাঙ্গালা, বিহার এবং উড়িষ্যার দেওয়ানী ইংরাজহস্তে সমৰ্পিত হইলে তাহাদিগকে রাজস্ব সংগ্ৰহকাৰ্য্যে প্রবৃত্ত হইতে হইল । তাহারা স্থির কল্পিলেন রাজ্যের উন্নতিসাধন করিতে হইলে, ভূমিতে যাহাদিগের