পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu/১১৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


লক্ষণ । [ ১১২ ] লক্ষণ শক্যসম্বন্ধরপ, তথাহি अवारक्षेत्रकागिसक्छ जैस्त्र शृशै-} cश्ल। धङिals ऋक्रयन क्रिह कड५थक श्रथ्छ+<रेशन ठफां९ छैौब्रञ्च ब्रप्रगश् छ७: *ांभायांषः” (नेिकांकडूसगरुशैौ) जभ+ांब्र विदग्न किहूcणषः श्रख्रश् । गथनांभई णषभl *क्वि

  • श्रूहेि रनिद्राहि, उ९*$(अशगत्र जष्ठ भलनपरकन नांभ गणन। ७थनं हैशग्न छैमांझ्ग्रण लांब्र ८मथ कालेरु । SSBBBB BB BBBBBS DHHHDD BB BB BBS BB একটা বাক্য, গঙ্গী বলিলে প্রবাহামির জলয়পকে বুঝায়। প্রবাহময়জলে ঘোষ খলি করিতে পারে মা, লোক ভূমিতেই বাস করিয়া থাকে, জলে বাস করা অসম্ভব, অতএব এই স্থলে শঙ্কার্থের কোন প্রতীপ্তি হয় মা, গঙ্গার ধাস কয়ে, ইহাতে কোন অর্থ বোধই হইল ম', অতএব ইত্যাদিরূপ স্থলে অর্থবোধের জন্য লক্ষণাশক্তি স্বীকার কয়িতে হয়। লক্ষণ স্বীকার করিলে অনায়াসেই তাৎপৰ্য্যার্থের বোধ হইয়া থাকে। ‘গঙ্গার ঘোষ বাস করে এই শব্দ বলিয়াছি, জলময় গঙ্গায় বাস যখন অসম্ভব, তখন গঙ্গার সমীপে কি আছে ? ইহার অনুসন্ধান করিলে প্রথমেই তীর দেখিতে পাই, অতএব গঙ্গা শম্বোর অর্থ লক্ষণাস্বারা গঙ্গাতীর বলিলে আর কোন গোল থাকে না, এবং ইহাতে তাৎপর্ঘ্যেরও উপপত্তি হয় ; অতএব এইস্থলে তাৎপর্যের উপপত্তি হওয়ায় শাকাবোধেরও কোন ব্যাঘাত হইল না । অতএব এইস্থলে গঙ্গাতীরে শক্যসম্বন্ধরূপ লক্ষণ হইল। এইরূপ যে যে স্থলে তাৎপৰ্যার্থ ধরিয়া অর্থ প্রতীতি হইবে, তথায় লক্ষণ হইবে।

শব্দশক্তিপ্রকাশিকায় লিখিত আছে যে, “জছৎস্বার্থীইজহৎস্বার্থ নিরূঢ়াধুনিকাদিকা । লক্ষণ বিবিধাস্তাভিলক্ষকং স্তাদানকধা ॥” ( শঙ্কাশক্তি০ ) শব্দশক্তিপ্রকাশিকার মতে এই লক্ষণ জহৎস্বার্থী, অজহৎস্বার্থী, নিরূঢ়া ও আধুনিকাদিভেদে অনেক প্রকার। সাহিত্যদর্পণে লিখিত আছে যে,— *মুখ্যার্থবাধে উদ্যুক্তে যয়ান্তোহর্থ প্রতীয়তে। রূঢ়ে; প্রয়োজনাত্বাসে লক্ষণাশক্তিরপিতা ॥৮ ( সাহিত্যদ০ ২।১৩) যে স্থলে মুখ্যার্থের বাধ হইয়া তযুক্ত অর্থাৎ মুখ্যার্থযুক্ত ছইয়া রূঢ়ি ( প্রসিদ্ধ ) বা প্রয়োজনসিদ্ধির জন্য যে শক্তি দ্বারা অন্ত অর্থের প্রতীতি হয়, তাহার নাম লক্ষণ । শষের তিনপ্রকার শক্তি-লক্ষণ, ব্যঞ্জন ও অভিধা। এই তিন প্রকার শক্তি দ্বারা সকল স্থলেই অর্থবোধ হইয় থাকে। অর্থবোধের জন্য এই তিম প্রক্ষার শক্তি স্বীকৃত হুইয়াছে। এই তিন প্রকার শব্দের শক্তি যদি স্বীকার মা করা যায়, তাহ হইলে কিছুতেই সকল স্থলে অর্থ প্রতীতি হয় মা। এই জন্ত শব্দশাস্ত্রবিদ পণ্ডিতগণ শব্দের তিন প্রকার শক্তি স্বীকার করিয়া बांग्र ८षां५ श्रेब थारू । वङगंज शश गक, छशहे मून করিয়া ষে শক্তি ভাৱ ঐ মূল অর্থের প্রতীতি হইবে, সেই স্থলেই লক্ষণ হইৰে । “বাচোর্থোৎভিধয়া'বোধ্যে লক্ষ্যে লক্ষণয় যত । ব্যঙ্গে ব্যঞ্জনয় তাঃ স্বস্তিস্ৰ শস্বস্ত শক্তয়ঃ * { नांश्ऊिान• २॥s४ ) কাব্যপ্রকাশে লক্ষণার লক্ষণ এইরূপ লিখিত আছে— “মুখ্যার্থধাৰে তাম্বোগে রূচিতোহথ প্রয়োজনাৎ ॥ অক্টোংখে লক্ষ্যতে বৎ স লক্ষণ রোপিতা ক্রিয় ॥” (কাব্যপ্রকাশ ২৯ ) মুখ্যার্থ্যের বাধ হইলে তাহার যোগে প্রসিদ্ধ শঙ্কের বা প্রয়োজনসিদ্ধির জন্ত যাহা দ্বারা অন্ত অর্থ লক্ষিত হয়, তাহাকে লক্ষণ কহে। “সা শাস্তাপিত স্বাভাবিকেতর ঈশ্বরাচুম্ভাবিত বা শক্তিলক্ষণ নাম” (সাহিত্যদ• ২ পরি, ) শব্দ সম্বন্ধে অৰ্পিত স্বাভাবিকেতর অর্থাৎ স্বাভাবিক হইতে ভিন্ন, বা ঈশ্বরামুত্তাবিত শক্তিবিশেষই লক্ষণাপদবাচ্য। কেহ কেহ বলিতে পারেন, এই লক্ষণ পণ্ডিতগণ-কল্পিত, কিন্তু বাস্তবিক তাহা নছে—এই শক্তি স্বাভাবিকী ও ঈশ্বরামুস্তাবিত। বিদ্বদগণ শব্দের শক্তি কল্পনা করিলেই যে তাহা গ্রহণীয় হইবে তাহা মছে। লক্ষণ অবিধা ও ব্যঞ্জন এই তিনটা শক্তি ঈশ্বরায়ভাবিত হইয়াছে। অতএব এই শক্তি স্থার তাৎপর্যার্থের গ্রহণ করিতেই হইবে। ইহা স্বীকার না করিলে কিছুতেই সকল স্থলে তাৎপর্যার্থের বোধ হইবে না। ‘কলিঙ্গ: সাহসিকঃ’ কলিঙ্গ সাহসিক, এই বাক্য বলিলে কলিঙ্গ শব্দ দেশবাচক, কলিঙ্গ বলিলে কলিঙ্গ দেশকে বুঝায়, কলিঙ্গদেশ সাহসিক, এই অর্থ সঙ্গত হয় না, অতএব এইস্থলে 'কলিঙ্গদেশ সাহসিক এই মুখ্যার্থের বাধা । এই স্থলে কলিঙ্গকে যোগ করিয়া কলিঙ্গ শৰে কলিঙ্গদেশবাসী এইরূপ অর্থ করিলেও অনারাসেই প্রয়োজন সিদ্ধির জন্য যে আধ প্রতীতি হয়, সেই অর্থগ্রহণ করিতে কেন না হইবে, অতএব এই স্থলে লক্ষশীশক্তি দ্বার কলিঙ্গ শব্দে কলিজদেশবাসী লোক, সমূহ সাহসিক বুঝাইতেছে, এবং সেই লক্ষণাশক্তি বলেই এখানে ঐৰূপ অর্থ প্রতীতি সহকারে বক্তার প্রয়োজন সিদ্ধি হইতেছে। অস্তএব এইস্থলে লক্ষণার দ্বারা প্রয়োজন সিদ্ধি হওয়ায় ইহা প্রয়োজনলিদ্ধির উদাহরণ বুঝিতে হইবে। রূচির উদাহরণ-“কৰ্ম্মাণ কুশল কৰ্ম্মেতে কুশল, এইস্থলে কুশল পরে মুখাৰি কুশ বাতি ইতি কুশল নি কুশ,