পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu/১২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


লক্ষ্মণরাজদেব { ১২২ ] লক্ষণাঞ্জট r------ করিলেন এবং সেই স্থান অধিকারে কৃতসঙ্কল্প হইয়া অরুণোদয়েই রওনা হইলেন। প্রভাতে তিনি প্রশান্ত নদীবক্ষে ঙি নিরূপণ করিতে না পারিয়া ভ্রমক্রমে ইতস্তত: ঘুরিয়া বেড়ান। এইজষ্ঠ তিনি সেই স্থানের নাম ভূলুয়া রাখেন। প্রধাণ, ১০ই মাঘ অথবা ১২০৩ খৃষ্টাব্দে এই ঘটনা ঘটে । তৎপূর্বেই মহম্মদ-ই-বখতিয়ার খিলিজি বাঙ্গাল আক্রমণ করেন। প্রবাদ-বর্ণিত কালনির্ণয়ে আস্থা স্থাপন না করিয়াও আমরা লক্ষ্মণমাণিক্যের বংশলতা হইতে জানিতে পারি যে, রাজা বিশ্বম্ভরের ১১শ পুরুষে রাজা লক্ষ্মণমাণিক্য প্রান্তর্ভূত হইয়াছিলেন। বিশ্বন্তরের মৃত্যু ও লক্ষ্মণের জন্ম এতদুভয়ের । মধ্যে ৩৫০ বৎসর । | এদিকে ঐতিহাসিক প্রমাণেও জানা যায় যে, ماه و খৃষ্টাব্দে চন্দ্রীপপতি রাজা কল্পনারায়ণ জীবিত ছিলেন। | রাজা লক্ষ্মণমাণিক্য র্তাহারই সমসাময়িক । কন্দপনারায়ণের মৃত্যুর পর, বালক রামচন্দ্র রায় রাজা হন। বালক রামচন্দ্রকে লক্ষ্মণমাণিক্য বিশেষ তুচ্ছতাচ্ছিল্য করিতেন। এই শ্লেষোক্তি চন্দ্রদ্বীপে রামচন্দ্র রায়ের কর্ণে উপনীত হইলে তিনি ক্রোধে অধীয় হইয়া ভুলুয়া আক্রমণার্থ রণতরীসমূহ সজ্জিত হইতে আদেশ দেন। তদনুসারে তাহার দলবল অস্ত্ৰ শস্ত্র লইয়া মেঘনা অতিক্রম করিয়া এবং ভুলুয়ায় উত্তীর্ণ হইয়া রাজা লক্ষ্মণকে সংবাদ প্রেরণ করিল। ভুলুয়ারাজ কোন আশঙ্কা না করিয়া প্রতিবেশী রাজার সম্বৰ্দ্ধনার্থ স্বয়ং উপস্থিত হইলেন, তাহার শরীররক্ষী প্রহরিদল কেহই সঙ্গে আসিল না। শক্রর নৌকায় আরোহণ করিবামাত্রই তিনি বন্দিভাবে চন্দ্রদ্বীপে আনীত হইলেন। এখানে কারাগৃহে অবস্থানকালে একদিন রামচন্দ্র তাহার সহিত সাক্ষাৎ করেন। ঐ সময়ে লক্ষ্মণমাণিক্য র্তাহাকে নিষ্ঠুরূপে আহত করায় তিনি ক্রোধে অধীর হইয়া লক্ষ্মণের প্রাণবিনাশের আদেশ প্রচার করেন। রাজাদেশ অচিরেই প্রতিপালিত হইল। [ বিস্তৃত বিবরণ বারভূয়া শব্দে দেখ। ] লক্ষণমাথুরকায়স্থ, লক্ষণাৎসব ও বৈয়সৰ্ব্বৰ নামক বৈঠক গ্রন্থপ্রণেতা । অমরসিংহের পুত্র। লক্ষণরাজদেব (পুং) চেনীরাজ্যের কলচুড়িবংশর একজন রাজা। কেয়ূরবর্ধ ১ম যুবরাজদেবের পুত্র। পিতার মৃত্যুর পর ৯৫০ খৃষ্টাব্দে পিতৃসিংহাসনের অধিকারী হন। ইনি রাজকন্তা রাহড়ার পাণিপীড়ন করেন । তীয় তনয়া বোম্বাদেবীর সহিত পশ্চিমচালুক্যরাজ বিক্রমাদিত্যের বিবাহ হয়। রাজ-দৌহিত্র ২য় তৈলপ ৯৭৩-৯৯৭ খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত প্রভূত প্রভাবের সহিত রাজ্যশাসন করিয়াছিলেন । বিলহরি-ফলক হইতে জানা যায় যে, রাজা লক্ষ্মণরাজদেব কোশলাধিপতিকে পরাজিত করিয়া পশ্চিমপ্রদেশ জয় করিতে গমন করেন এবং গুজরাতে সোমেশ্বরলিঙ্গের উপাসন করিয়াছিলেন। লক্ষণবন্দ্যোপাধ্যায়, একজন বাঙ্গালী কৰি। ইনি সম্ভবতঃ বশিষ্ঠকৃত অধ্যায়ুরামায়ণের বঙ্গানুবাদ সঙ্কলন করিয়াছিলেন। এই রামায়ণ গ্রন্থের দুইশতবৎসরের প্রাচীন পুথি পাওয়া গিয়াছে। লক্ষণবেদাস্তাচাৰ্য,স্থায়প্রকাশিকা নায়ী প্রভাষাটাকা-রচয়িতা। লক্ষণশান্ত্রিন, অমরকোষব্যাখ্যাপ্রণেতা। বিশ্বেশ্বর শাস্ত্রীর পুত্র। লক্ষণসিংহ, শতকেটমগুলপ্রণেতা। লক্ষণসেন (পুং) বাঙ্গালার সেনবংশীয় একজন রাজা। বল্লালসেনের পুত্র। ইহার সময়ে মুসলমানসৈন্ত বাঙ্গালা আক্রমণ করে। যাজ্ঞবল্কাদীপকলিকাপ্রণেতা শূলপাণি, হলাযুদ্ধ, পশুপতি, জয়দেব ও ধোয়ীকবি র্তাহার সভা উজ্জল করিয়াছিলেন । এই সকল পণ্ডিতগণের সহঁবাসে তিনিও একজন সুকবি হইয়া উঠেন। পদাবলীতে র্তাহার রচিত কতকগুলি কবিতা উদ্ধৃত হইয়াছে। প্রাচীন তাম্রলিপিতে তিনি দক্ষিণান্ধিবিজয়ী বলিয়া উল্লেখ দেখা যায়। মহম্মদ-ই-বখতিয়ারের আগমনে উৎকোচগ্রাহী পণ্ডিতগণের প্ররোচনায় বৃন্ধরাজা কিরূপে রাজ্য ছাড়িয়া জগন্নাথদর্শনচ্ছলে পলাইয়া যান, তাহাও সাধারণের অবিদিত নাই। কুলশাস্ত্রে তিনি কুলপদ্ধতিসংস্কারক বলিয়া প্রসিদ্ধ। { সেনরাজবংশ দেখ ] লক্ষণসোমযাজিন, সীতারামবিহারকাব্যপ্রণেতা। ওর্গটি শঙ্করের পুত্র। লক্ষণস্বামিন, বাশ্মীরস্থ মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত লক্ষ্মণ-মূৰ্ত্তি। ( ब्रांछऊ** 8॥२१७) লক্ষণ (স্ত্রী) লক্ষণমন্ত্যন্ত ইতি অর্শ আদিত্বাচি, টাপ । ১ শ্বেতকণ্টকারী। (রাজনি) ২ সারসী । ৩ ওযধিভেদ । (মেদিনী) পৰ্য্যায়-লক্ষ্মণকেন্দ, পুত্রকনা, পুত্রদ, নাগিনী, নাগাহা, নাগপত্রী, তুলিনী, মজ্জিকা, অস্ত্ৰবিলুচ্ছদ, পুচ্ছল। গুণ—. মধুর, শীতল, স্ত্রীবন্ধ্যতানাশক, রসায়ন, বলকর ও ত্রিদোষনাশক । ( রাজনি• ) ২ মদ্রাধিপতির এক কম্ভা । ( ভাগবত ১•৷৫৮৫৭ ) ৩ দুৰ্য্যোধনের কন্যা, এই কন্যা যখন স্বয়ম্বর হয়, তখন শ্ৰীকৃষ্ণপুত্র সাম্ব এই কন্যাকে হরণ করিয়া বিবাহ করেন। "দুৰ্য্যোধনমুতাং রাজ লক্ষ্মণাং সমিতিঞ্জয়ঃ। স্বয়ম্বরস্থামহরৎ সাম্বো জাম্ববতীসুত ॥” (ভাগবত ১৯৬৮১) ৪ জবাগাছ। এ মুচুকুন্দৰ্বক্ষ । (বৈস্তকনি• ) {so লক্ষণাচাৰ্য্য (পুং ) গ্রন্থকারভেম্ব। [ লক্ষ্মণ আচাৰ্য দেখ। ] , লক্ষণাঞ্জট (স্ত্রী) লক্ষ্মণামূল ।