পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu/২৫৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- লাহোর [ २¢७ ] লাহোরি বন্দর বেষ্টিত এবং তাহার চতুষ্পাখে পরিখা ও নগররক্ষণোপযোগী ছগ বুরুজাম্বিও বিনিৰ্ম্মিত হইয়াছিল। পরে ঐ পরিখা ভরাট করিয়া দেওয়া হয় এবং পূৰ্ব্বতন ৩• ফিট, উচ্চ প্রাচীর ভগ্ন হওয়ার সংস্কারকালে উহার ੋਂ ੨੪ ফিট, উচ্চ গ্রথিত হইয়াছে। প্রাচীরের চতুস্পাখৰ* পরিখার এক্ষণে নানা জাতীয় বৃক্ষপূর্ণ উদ্ধানে পরিশোভিত হইয়া নগরের চতুর্দিক বেষ্টন করিতেছে, কেবল মাত্র উত্তরদিকের কতক স্থান থালি আছে । ইরাবতী নদীর পলিময় সৈকতোপরি এই নগর স্থাপিত হইলেও কালবাশ বর্তমান নগরস্থান উচ্চ স্তপে পরিণত হইয়াছে । নগরের বপ্রস্থানের বহির্ভাগে একটী পাকা রাস্তা নগরকে বেষ্টন করিয়াছে। ঐ পথ দিয়া প্রাচীরগাত্রস্থ ১৩ট স্বারপথে নগরে প্রবেশ করা যায়। নগরের উত্তরপূৰ্ব্বকোণে প্রাচীন নদীখাত পৰ্য্যন্ত লাহোর যুগ বিস্তৃত। হুগের সন্মুখস্থ ময়দান দক্ষিণ ও পূৰ্ব্বদিকে বিস্তৃত রহিয়াছে। লাহোর নগরের রাস্তাগুলি সরু ও বক্রাকার হওয়ায় এবং তথাকার অট্টালিকাগুলি উন্নত মস্তকে ও শ্রেণীবদ্ধভাবে বিলম্বিত থাকায় নগরের কোনরূপ শোভা সম্পাদিত হয় নাই । ঘেসা ঘেসী বাড়ী থাকায় রাস্তাগুলি স্বভাবতঃই দেখিতে কদৰ্য্য, কিন্তু মোগলসম্রাট্রগণের রাজ্যকালে যে সকল অত্যুৎকৃষ্ট ও শিল্পনৈপুণ্যসমম্বিত সুবৃহৎ অট্টালিকা নিৰ্ম্মিত হইয়াছিল, তাহা স্থানীয় সাধারণ অট্টালিকাদির স্থাপত্যশিল্পের অভাব ঘুচাইয়া চিত্তবিনোদনে সমর্থ হইয়াছে। মোগলকীৰ্ত্তির মধ্যে নগরের উত্তরপূৰ্ব্বকোণে স্থাপিত অরঙ্গজেবের মসজিদ ও রণজিৎ সিংহের সমাধিমন্দির বিশেষরূপে উল্লেখযোগ্য। মস্জিদের শ্বেত মৰ্ম্মর নিৰ্ম্মিত গুম্বেজ ও চূড়ান্তস্তগুলি ; রণজিতের সমাধিমন্দিরের বারাও ও গোল ছাদ এবং অপব্যবহৃত ও অপৰিত্নীকৃত মোগলপ্রাসাদের সন্মুখদেশ ভারতীয় স্থাপত্যশিল্পসৌন্দর্য্যের উৎকৃষ্ট নিদর্শন । নগরপ্রাচীরের বহির্ভাগে লাহোরী দ্বারের সন্মুখে একটা রাস্তা দক্ষিণাভিমুখে আসিয়াছে। উহা আর্ণাকালী বা সদরবাজার রাস্ত নামে খ্যাত। ঐ পথ দেশীয় নগরভাগ য়ুরোপীয় নিবাসের ও আর্ণকালীর পূর্বতন সেল্লানিবাসের সহিত সংযুক্ত। লাহোর নগরের যুরোপীয় বিভাগে রাজকীয় কাৰ্য্যালয়সমূহ, আদালত ও ষ্টেশনচার্চ বিদ্যমান গ্রছে। আর্ণাকালী হইতে পূর্বাভিমুখে লরেন্স উষ্ঠান ও গৰমেন্ট হাউস্ পর্যন্ত প্রায় , ৩ মাইল বিস্তৃত স্থানে যুরোপীরগণের যে নুতন বসতি হইয়াছে, তাহা ডোনাল্ডটাউন নামে পরিচিত। স্বানীর ছোটলাট গল্প ডোনাল্ড মাকৃলিওডের সামানুসারে ঐ নগরের নামকরণ হয়। XVII ●8 --- ----- মল ( Mall ) নামক প্রশস্ত রাস্তা এই দুরোপীয় মগরভাগের मथा निद्रा श्रांभीरुणैौ भर्षीड़ भिग्नाटइ। uहे ब्रांद्यांङ्ग $खब्रांशr५ রেলষ্টেসন ও রেলওয়ে কৰ্ম্মচারীদিগের বাসস্থান এবং উহার দক্ষিণে মুজঙ্গ নামক নগরোপকণ্ঠে যুরোপীরগণের বাসভবন प्रडे श्छ । লাহো নগরে নিয়ােক্ত কটা বালী ও শিক্ষাবিজ্ঞানী প্রধান অট্টালিকা দৃষ্ট হয়; তন্মধ্যে পঞ্জাব-ইউনিভার্সিট ও সেমেট হল ( দেশীয় রাজা ও নবাববৃন্দের চাদায় প্রতিষ্টিত ), ওরিএন্টাল কলেজ, লাহোর গবমেণ্ট কলেজ, মেডিকাল স্কুল, সেন্টালটেনিং কলেজ, ল’স্কুল, ভেটারিনারী স্কুল, লাহোর হাইস্কুল, মেও হাসপাতাল, মিউজিয়ম, রবার্টুস ইনিষ্টিটিউটু,লরেন্সও মন্টগোমী হল এবং এগ্রিহটিকালচারাল সোসাইট গৃহ দেখিবায় সামগ্ৰী।. এখানকার প্রস্তুত রেশমি বস্তু, শাল, সোণালী ও রূপালী সাচ্চা জরি, ধাতব পাত্র, পাথরের খেলানা ও শস্তাদির বিস্তৃত কারবার অাছে। রেলপথে করাচী বন্দরে আনীত হইয়া অনেক মাল পত্র পোত যোগে বিদেশে রপ্তানী হইয়া থাকে। কলিকাতা, অম্বালা, পেশকার, মূলতান ও দিল্লী প্রভৃতি ভারতের প্রসিদ্ধ নগরে অবিশুক মত তদেশবালিকর্তৃক দ্রব্যাদি প্রেরিত হইতেছে। স্থানীয় এবং য়ুরোপীয় বণিক্সমিতির অর্থসমাগমের সচ্ছলতা নিবন্ধন এখানে বেঙ্গল ব্যাঙ্ক, আগ্র ব্যাঙ্ক, সিমলা ব্যাঙ্ক ও এলায়েন্স ব্যাঙ্ক অব সিমলা প্রভৃতি অনেকগুলি ব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠিত আছে । লাহোরিবন্দর, বোম্বাই-প্রসিডেন্সীর সিন্ধু প্রদেশের করাচীর অন্তগত একট প্রাচীন ও প্রসিদ্ধ বন্দর। সিন্ধু নদের পশ্চিমাভিমুখে প্রবাহিত বাঘিয়ার নামক শাখার বামকুলে অবস্থিত। অক্ষা২৪°৩২'উঃ এবং দ্রাধি” ৬৭°২৮ পূঃ । পিতি মোহান হইতে ১• ক্রোশ অদূরে অবস্থিত। সমুত্রের এই খাড়ির মুখে মৃত্তিক পড়ায় খাতের গভীরতা ক্রমশঃ কমিয়া আসিতেছে। এক্ষণে পণ্যদ্রব্যবাহী ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পোত সকল সেই খাড়ি দিয়া বন্দরে আসিতে পারে না। মর্পটন বলেন, ১৬৯৯ খৃঃ আৰো ইহা সিন্ধুপ্রদেশের একটী প্রসিদ্ধ বন্দর বলিয়া পরিগণিত ছিল এবং ২০ • টন বোঝাই এইরূপ পোতগুলি অনায়াসে এ বন্দরে প্রবেশ করিয়া মাল পত্র লইয়া যাইত। অষ্টাদশ শতাদের শেষভাগে এখানে ইংরাজ বণিক্দিগের একট, কুঠ প্রতিষ্ঠিত ছিল। এই স্বানের প্রকৃত নাম লাড়ী-বন্দর, কারণ ইহা প্রাচীন লটি বা লাড়দেশের অন্তভুক্ত বলিয়া ঐন্ধপ নামকরণ হয় । পরে মুসলমান ঐতিহাসিকগণ উহাকে পঞ্জাবের নিকটবর্তী জানিয়া লাহোর নগরের সামানুসারে উহার লাহোরী বন্দর নাম দেন। ১৯৩৯ খৃষ্টাৰে অলিম্বিকণী এই নগরকে লহরাণী