পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu/৫৯২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বর্ণলিপি [ ৫৯২ ] গীকদূত মোগস্থিনিস মগধরাজ্যের বর্ণনা উপলক্ষে লিখিয় গিয়াছেন যে, ভারতবাসী ১৪ ষ্টেডিয়াম্ অন্তর শাখাপথ ও তদন্তী স্থানের দুরত্ববিজ্ঞাপক ক্রোশাস্কযুক্ত প্রস্তরফলক ( mile-alone ) রাখিতেন। প্রস্তরে লিপি উৎকীর্ণ করিবার প্রথা সে সময় বিশেষ প্রচলিত ছিল ; অশোকের অনুশাসন এবং তাহারও বহুপূৰ্ব্বে কপিলৰান্তর নিকটবর্তী পিপরাবা গ্রাম হইতে আবিষ্কৃত বুদ্ধদেবের দেহাবশেষ-সংরক্ষিত প্রস্তরপাত্রের উপর উৎকীর্ণ খোদিত লিপি তাহার সাক্ষাদান করিতেছে। পিপাৰা-লিপি হইতে এখন দৃঢ় বিশ্বাস হইতেছে যে, খৃঃ পূৰ্ব্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীর পূর্কেও ভারতবর্ষে প্রস্তরে লিপি উৎকীর্ণ করিবার প্রথা প্রচলিত ছিল । মগধপতি জরাসন্ধের রাজধানী গিরিব্রজে জরাসন্ধ-কা-বৈঠক ও উমজরাসন্ধের রণরঙ্গভূমির মধ্যস্থলে চিত্রলিপি ও কালরূপ। শিল্পলিপির মধ্যাকারের লিপি পৰ্ব্বতগাত্রে উৎকীর্ণ রহিয়াছে। তাহার উপর দিয়া বহুকাল হইতে গোমহিযাদির গমনাগমনের পখ হওয়ায় সেই প্রাচীনতর লিপি অনেকটা অস্পষ্ট ও অবোধ্য হইয়া পড়িয়াছে। আমাদের বিশ্বাস, এ পর্য্যন্ত ভারতবর্ষে যতপ্রকার লিপি আবিষ্কৃত হইয়াছে, তন্মধ্যে সেই মগধলিপি সৰ্ব্বাপেক্ষ প্রাচীন। কে বলিতে পারে, তাহা জরাসন্ধের সময়কার লিপি নহে ? যাহা হউক, এখন মামরা জানিতেছি যে ২২ শতবর্ষ পূৰ্ব্বে ভারতবাসী ৬৪ প্রকার লিপি অবগত ছিলেন। ঐ ৬৪ লিপির মধ্যে কতকগুলি সম্রাটু অশোকেরও বহুপূৰ্ব্ব হইতেই তারতে প্রচলিত ছিল । জৈনদিগের সুপ্রাচীন “সমবায়ুসুত্র” নামক ৪র্থ অঙ্গে লিখিত আছে “বস্ত্রী এণং অঠারসবিহু লেখ কবিছানে। যন্ত জবণালিয়৷ দষউরিয়া • খরোটিয়া পুকুখরসারিয়া পহারাইয়া উচ্চমকুরির অখ কল্পপুথিা ভোমবইয় ; বেকুথেইয়া নিখকেইয়া $ মংকলিবি গণি মলিবি গন্ধৰ্ব্বলিবি আদস্সগলিবি মাহেসরলিবি রাহ্মী প্রভৃতি ১৮ প্রকার লেখন প্রক্রিয়ার নাম-ব্ৰাহ্মী ১, যৰনানী ২, দশোত্তরিক ৩, থরোষ্ট্রীকা ৪, পুষ্করসারিকা a, শকতিক ৬, উত্তরকুরুক ৭, অক্ষরপুস্তিকা ৮, ভেীমবছিক ৯, ! কক্ষপিকা ১•, নিক্ষেপিকা ১১, আঙ্কলিপি ১২, গণিতলিপি ১৩, | গন্ধৰ্ব্বালপি ১৪, জাদর্শকলিপি •, মাহেশ্বরলিপি ১৬, ভ্রাবিড়'লপি ১৭ ও বোলিদী বা পোলিদা লিপি ( )। | i l t জৈনদিগের ৪র্থ উপাঙ্গ পল্লবন (প্রজ্ঞাপন) সুত্রে উক্ত ১৮টা লিপির উল্লেখ আছে। লিপিকরের দোষে বিভিন্ন পুথিতে সামান্ত পাঠভেদ মাত্র লক্ষিত হয়। প্রজ্ঞাপনাসূত্রের টীকাকার মলয়গিরি লিথিয়াছেন— “ব্রাহ্মী যবনানীত্যাদয়ে লিপিভেদান্তু সম্প্রদায়াদবশেষঃ” অর্থাৎ ব্রাহ্মী, যবনানী ইত্যাদি ১৮ প্রকার লিপি বিভিন্ন সম্প্রদায় হইতে উল্লুক । জৈনশাস্ত্ৰ মতে জৈনাঙ্গসমূহ মহাবীর স্বামীর সময়ে প্রথম প্রচারিত এবং বীরনিৰ্ব্বাণের ১৬৪ বর্ষ পরে (৩৬৩ খৃষ্টপূৰ্ব্বাৰে ) পাটলিপুত্রের শ্ৰীসত্যে সংগৃহীত হয়। এরূপ স্থলে বলিতে পারা যায় যে, সম্রাটু অশোকের পূৰ্ব্বে ভারতে ব্রাহ্মী প্রভৃতি ১৮ প্রকার লিপি প্রচলিত ছিল । ধবনানী। যবনানীলিপি দেখিয়া কেহ কেহ বলিতে চান যে, মাকিদনবীর আলেক্সান্দারেব সময় এদেশে গ্ৰীক যবনগণ যে লিপি প্রবর্তন করেন, তাহাই যবনানীলিপি। এই যবনানী শব্দের উল্লেখ পাইয়া মোক্ষমূলর প্রভৃতি কোন কোন পাশ্চাত্য অধ্যাপক অষ্টাধ্যায়িত্বত্রকায় পাণিনিকে ও ঐ সময়ের লোক বলিতে চান । কিন্তু পাণিনিস্থত্রের বাৰ্বিককার ও মহাভাষ্যকার ‘যবনানী' শব্দের লিপি * অর্থ করিলেও পাণিনি কোথাও স্পষ্টাক্ষরে এরূপ অর্থ প্রকাশ করেন নাই, স্ত্রীলিঙ্গে যে সকল শব্দের উত্তরে ‘আগুক্ হয়, তিনি দৃষ্টান্তস্বরূপ সেই সকল শব্দের মাত্র উল্লেখ করিয়াছেন । যাহা হউক, যবনানী শৰ আধুনিক সন্দেহ করিবার কোন কারণ দেখি না। যবন ( Ionian )-দিগের অভু্যদয় অতি প্রাচীন। আমরা অন্তর দেখাইয়াছি যে, খু: পুৰ্ব্ব ১০ম শতাম্বে যবন বা যোনজাতির পরাক্রম সৰ্ব্বত্র ঘোষিত হইয়াছিল। তৎপূৰ্ব্বে যবনজাতির অভু্যদয়। রামায়ণ মঙ্গভারত প্রভৃতি প্রাচীন সংস্কৃত গ্রন্থেও যবনজাতির বিশেষ উল্লেখ আছে। যবনানী বলিলে বহু প্রাচীন কীলৰূপা (Cuneiform) লিপিই বুঝাইত। [ যবন দেখ। ] পুন্ধরসারী। সমবায়াঙ্গ ও ললিতবিস্তরে যে “পুন্ধরসারী” লিপির উল্লেখ আছে, তাহাও ভারতের এক অতি প্রাচীন লিপি। পাণিনি পুষ্করসারীর উল্লেখ করিয়াছেন । फँसत्रकूङ्गको ७ अकसिनिनि अकृडि । ঐতরেয়ন্ত্রাহ্মণে উত্তরকুরু ও উত্তরমত্রের উল্লেখ আছে। ואסןגזז"-'וtsfawאןזoי + ו זtwנווי -ןזףfואףאי • : 'cछ|भषग्नख,'--°{#ाखङ्ग । ? ':पद्रनष्ठित' ‘१िब्राशी ब्रा' षा'(चग*िछा मिह केद्रा'-गाiांकड

  • 'वषमान्निनान् ऐठि पडषाबू-शउिँक। 'tषांtष बाद श्वानौ । बबनlत्रि”ान् । वचनांमैौ जिनि: r-बशांडाषा ( sists० प्रज)

StBBBBBBBBBBBBBBD DDDBBBBBB ttttt