পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu/৬১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*==------- বর্ণাশ্ৰমধৰ্ম্ম +-o-o-o-o-o-o: স্বভাৰ, জ্ঞানবান, ভ্রাহ্মণ যদি অসৎ কাৰ্য্যের অনুষ্ঠান পরিত্যাগ করিয়া সৎপথে ধনলাভ করিতে পারেন, তাহা হইলে দারপরিগ্রহ করিয়া সন্তান উৎপাদন, দান ও যজ্ঞাঙ্গুষ্ঠান করা তাহার কৰ্ত্তব্য । ব্রাহ্মণ অন্ত কোন কার্য্যের অনুষ্ঠান করুন বা না করুন, তিনি বেদাধ্যয়ননিরত ও সদাচারসম্পন্ন হইলেই তাছার বর্ণশ্রম ধৰ্ম্ম রক্ষা হয় । ধনদান, যজ্ঞাম্বষ্ঠান, অধ্যয়ন ও প্রজীপালনই ক্ষত্ৰিয়ের প্রধান ধৰ্ম্ম । যাচঞ , যাজন বা অধ্যাপন ক্ষত্রিয়ের পক্ষে নিতান্ত নিষিদ্ধ। নিয়ত দস্যবধে উদ্যত হওয়া ও সমরাঙ্গণে ৰিক্রম প্রকাশ করা ক্ষত্রিয়ের অবশ্ব কৰ্ত্তব্য। দস্যবিনাশ ব্যতীত ক্ষত্রিয়ের প্রধান কার্য আর কিছুষ্ট নাই । দান, অধ্যয়ন ও যজ্ঞ দ্বারাই ক্ষত্রিয়দিগের মঙ্গল লাভ হইয়া থাকে । রাঙ্গ অন্ত কোন কাৰ্য্য করুন, বা না করুন আচারনিষ্ঠ হইয় প্রজাপলিন করিলেই ক্ষত্রিধৰ্ম্ম রক্ষা হয় । দান, অধ্যয়ন, যজ্ঞানুষ্ঠান, সত্ত্বপায় অবলম্বনপুৰ্ব্বক ধনসঞ্চয় এবং পুত্রনিৰ্ব্বিশেষে পশুপালন করাষ্ট বৈঙ্গের নিত্যধৰ্ম্ম । এতদ্ব্যতীত অন্ত কোন কায্যের অনুষ্ঠান করিলে বৈশ্বকে অধৰ্ম্মে লিপ্ত হইতে হয় । ভগবান প্রজাপতি ব্ৰাহ্মণাদি বর্ণবয়ের দাস হইবে বলিয়া ! শুদ্রের সৃষ্টি কবিয়াছেন। অতএব তিন বর্ণের পরিচর্য করাষ্ট শূদ্রের প্রধান ধৰ্ম্ম । শূদ্র অর্থসঞ্চয় করিলে ব্রাহ্মণ প্রভৃতি উৎকৃষ্ট ফ্রাতি তাঙ্গর বশীভূত ইষ্টতে পারেন এবং তন্নিবন্ধন তাহাকে পাপগ্ৰস্ত হইতে হয়, অতএব ভোগাভিলাষে তাহার অর্থসঞ্চয় করা অতিশয় নিষিদ্ধ। কিন্তু রাজার আদেশানুসারে | ধৰ্ম্মকার্য্যের অনুষ্ঠানার্থ অর্থসঞ্চয় করা শূদ্রের অবিচিত নছে । ব্ৰাহ্মণাদি বর্ণক্রয় শূদ্রকে ভয়ণ, পোষণ এবং ছত্র, বেষ্টন, শয়ন, | | আসন, উপানৎযুগল, চামর ও বস্ত্র সকল প্রদান করিবেন । । এই সকল দ্রব্য শূদ্রের ধৰ্ম্মলন্ধ ধন । শূদ্রের অর্থ সঞ্চয় করি । বার অধিকার নাই । তাহার যে ধন উদ্ধত হইবে, প্রভু ! তাহার সেই ধন গ্রহণ করিবেন । যজ্ঞ নানা প্রকার এবং তাহার ফলও বচুবিধ ৷ ব্ৰাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্ব ও পূদ্র এই চারি বর্ণষ্ট সকল যজ্ঞের অনুষ্ঠান কৱিবেন । শূদ্রের যজ্ঞে অধিকার থাকিলেও মন্ত্রে অধিকাৰ । নাই । চারি বর্ণের সমুদায় যজ্ঞ মধ্যে সৰ্ব্বাগ্রে শ্রদ্ধাযজ্ঞের দিগের পবিত্রতা সম্পাদন করিয়া থাকে। চারি বর্ণের মধ্যে অতিশয় শ্রদ্ধাসম্পন্ন হইলেই বজ্ঞানুষ্ঠানের অধিকার জন্মে । লোকে চৌধ্য প্রকৃতি পাপকার্থে আসক্ত হইয়াও যদি যজ্ঞাসুঠান করে, তাহা হইলেও সাধু, शनिग्रां निtá- कब्र याईटङ XVII > [ ৬১৭ ] অনুষ্ঠান করা কর্তব্য। শ্রদ্ধা মহদেবতাস্বরূপ । উহ যাক্সিক 登戴 বর্ণাশ্ৰমধৰ্ম্ম পারে এৰং মহর্ষিগণ ও প্রশংলা করিয়া থাকেন। খ্রিলোক মধ্যে যজ্ঞের তুল্য জার কিছুই নাই। অতএব ਬਿਜ মহাশূন্ত হইয়া পরম শ্রদ্ধাসত্ত্বকারে সাধ্যান্থরূপ যজ্ঞানুষ্ঠান করিৰে । লোকে বানপ্রস্থ, ভৈক্ষা, গার্হস্থ ও ব্রহ্মচৰ্য্য এই চারিট আশ্রম অবলম্বন করিয়া থাকে । ব্রহ্মচর্য্য আশ্রমে কেবল ত্ৰান্ধণেরই অধিকার। জাত্মজ্ঞানসম্পন্ন জিতেঙ্গিয় ব্রাহ্মণগণ প্রথমে উপনয়নাদি সংস্কারে সংস্কৃত হইয়া ব্রহ্মচৰ্য্যগ্রহণ, অগ্ন্যাধানাদি কাৰ্য্য সমাধান, বেদাধ্যয়ন ও তৎপরে তিনি গার্হস্থ ধৰ্ম্ম প্রতিপালন করিয়া কেৰল পত্নীর সহিত বানপ্রস্থ অবলম্বন করিবেন এবং ঐ আশ্রমে তিনি অরণ্যক শাস্ত্র সমুদয় অধ্যয়নপুৰ্ব্বক উদ্ধরেতা হইয় অনায়াসে ব্রাহ্ম লীন হইতে পারেন । ব্রহ্মচৰ্য্য সমাপন করিয়াই মোক্ষলাভার্থে ভৈক্ষ্য ধৰ্ম্ম আশ্রয় কর ব্রাহ্মণের দোষাবহ নহে । ঐ আশ্রমে তিনি সুখদু:খরচিত, নিকেতনবিহীন, বাচ্ছালন্ধজীবী, দান্ত, জিতেজিয়, সকলের প্রতি সমৃদৃষ্টিসম্পন্ন, ভোগকামনাশূন্ত ও নিৰ্ব্বিকারচিন্তু ছষ্টয়া পরিশেষে ব্ৰহ্মপদ প্রাপ্ত হন । ক্ষত্রিয়াদি বর্ণও ব্রাহ্মণদিগের দৃষ্টান্তানুসারেই বানপ্রস্থাদি আশ্রম অবলম্বন করিয়া থাকেন। স্বধৰ্ম্মনিরত ক্ষত্রিয়, বৈশু ও শুrদ্ররও স্তৈক্ষ্যধৰ্ম্মগ্রহণে অধিকার আছে । কৃতকাৰ্য্য পরিণতবয়স্ক বৈশুও রাজার অনুমতি লইয়া আশ্রমান্তয় গ্রহণ করিতে পারে। ক্ষত্রির বেদ ও রাজনীতি অধ্যয়ন, সন্তানোৎপাদন, সোমরস পান, রাজস্বয় ও অশ্বমেধ প্রভৃতি যজ্ঞের অনুষ্ঠান, বেদপাঠ করাইয়া ব্রাহ্মণকে দক্ষিণাদান ও শ্রাদ্ধাদি দ্বার পিতৃদিগের তৃপ্তিসম্পাদন করিয়া শেষাবস্থায় আশ্রমাস্তুর অবলম্বন করিতে পারেন । ক্ষত্রিয় গৃহস্থধৰ্ম্ম পরিত্যাগ করিয়া আপনার জীবনরক্ষার নিমিঞ্চই ভিক্ষাবৃত্তি অবলম্বন করিতে পারেন। ভিক্ষাবৃত্ত্বি অবলম্বন ক্ষত্রিয়াধি তিনবর্ণের কামাধৰ্ম্ম, নিত্য ধৰ্ম্ম নহে । মানবমণ্ডলীর মধ্যে এক ক্ষত্ৰিয়বর্ণই শ্রেষ্ঠতর ধর্গের সেবা করিয়া থাকেন । বেদে কথিত আছে যে, অষ্ঠ তিন বর্ণের যাবতীয় ধৰ্ম্ম ও উপধৰ্ম্ম সমস্তই ক্ষত্রিধর্মের আয়ত্ত । যেমন সমুদয় প্রাণীর পদচিহ্ন হস্তীর পদচিহ্নে লীন হইয়া যায়, তদ্রুপ সমস্ত ধৰ্ম্মই রাজধৰ্ম্মে লীন হষ্টয়াছে। পণ্ডিতগণ জন্তান্ত ধৰ্ম্মকে অরফলপ্রদ এবং ক্ষত্রিয়ধৰ্ম্মকে আশ্রমের সারভূত ও কল্যাণের একমাত্র নিদান বলিয়া কীৰ্ত্তন করিয়াছেন, ক্ষত্রিধৰ্ম্ম-সমুদয় ধন্ধের সারভূত। এক রাজধর্মের প্রভাবেই সমূদয় লোক প্রতিপালিত হইতেছে। দগুনীতি না থাকিলে বেদ ও সমুদ্ৰায় ५# ५ककाrण मट्टे शंझेब्रॉ याँहैठ । कांद्रि आथरभग्न थ*, दकिभू",