পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/১২৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জীবাত্মন ५क, बिछिब्र नtश् ।। ७ई छांटनब्रहे नांभांखग्न कङना ।। ६फ़उछ खान श्रेष्फू शृथकूडूठ नप्र ७बर ७हे खांन चक्रण ठेन्नङनाहे श्रीग्न, व्यंग्रां क्रडना डिब्र नरश् । अठ७व षषन खांप्नब्र थैका সিদ্ধ হইতেছে, তখন আত্মা সকলের পরম্পর ঐক্য এবং পূর্ণ চৈতন্য স্বরূপ ব্রহ্মের সহিত জীবাত্মারও যে ঐক্য সিদ্ধ হইবে, তাহ আর বলিবার আবশুক কি ? এই জীব ব্রহ্মের ঐক্যই “তত্বমসি শ্বেতকেতো” ইত্যাদি শ্রুতিতে প্রতিপাদিত হইয়াছে । আত্মার জন্ম, স্থিতি, পরিণাম, বৃত্তি, অপচয় ও বিনাশন্ধপ ষড়বিধ বিকারের মধ্যে কোন বিকার নাই । “ন জায়তে ম্ৰিয়তে বা কদাচিন্নায়ং ভূত্বা ভবিতা বা ন ভূয়: । অজোনিত্যঃ শাশ্বতোহয়ং পুরাণে ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে।” ( গীত ২২• ) ইহার জন্ম বা মৃত্যু নাই, ইনি পুনঃ পুনঃ উৎপন্ন বা বদ্ধিত হন না, ইনি অজ নিত্য ও পুরাণ, শরীর বিনষ্ট হইলেও ইহার বিনাশ নাই । আত্মা সৰ্ব্বত্ৰ সৰ্ব্বদাই দেদীপ্যমান রহিয়াছেন এবং আত্মাই পরম আনন্দ স্বরূপ। যেহেতু আত্মাই সকলের নিরতিশয় স্নেহের অদ্বিতীয় পাত্র। দেখ আত্মার প্রীতির নিমিত্তই পুত্র কলত্রাদিতে স্নেহ জন্মে । অন্যের প্রীতির নিমিত্ত আর কেহই কোন কালে আত্মাতে স্নেহ করে না। যদি আত্মার আনন্দরূপতা প্রতীতি না হয়, যদি আত্মার আনন্দরূপতা অজ্ঞাত রহিল, সুতরাং তাহাতে স্নেহ হইবার সম্ভাবনা কি ? এই দোষপরিহারার্থ যদি আত্মার আনন্দরূপতার প্রতীতি স্বীকার করা যায়, তাহ হইলে আত্মস্বরূপ পূর্ণানন্দ থাকিতে তুচ্ছ বিষয়ানন্দ পাইবার মানসে কোন জীৰ স্ৰকৃচন্দনাদি উপভোগে প্রবৃত্ত হইতে পারে? সিদ্ধ বস্তুর নিমিত্ত কি লোকের প্রবৃত্তি হইয়া থাকে ? অতএব আত্মার আনন্দরূপতার প্রতীতি বা অপ্রতীতি উভয়পক্ষই সদোষ হইতেছে, কিন্তু এই আপত্তি বদ্ধমূল হইত যদি আত্মার আনন্দরূপতার সম্পূর্ণ প্রতীতি বা সম্পূর্ণ অপ্রতীতি স্বীকার করা যাইত। বাস্তবিক আত্মার অনিন্দরূপতা অজ্ঞান স্বরূপ অবিদ্যার প্রতিবন্ধক বশতঃ প্রতীত হইয়াও অপ্রতীত হইতেছে অর্থাৎ সামান্ততঃ প্রতীত হইতেছে বটে, কিন্তু বিশেষতঃ প্রতীতি হইতেছে না । ইহার অবিকল দৃষ্টান্ত অধ্যয়নশীল ছাত্র মধ্যস্থিত চৈত্রনামক ব্যক্তির অধ্যয়ন শৰ । এই স্থলে অন্যান্ত বালকের অধ্যয়নরূপ প্রতিবন্ধক বশতঃ এইটা চৈত্রের অধ্যয়ন শব্দ এইরূপ বিশেষ জানা बांद्र मा वtछे, किरू जांभांछङः ¢हे भांज खांना यांञ्च, cष हेशंब्र यरथा क्लप्लाव्र अथाब्रम *क আছে। পরমাত্মার প্রতিবিম্ব, যুক্ত সত্ব, রজঃ ও তমোগুণাত্মক ও সৎ বা অসৎক্সপে অনির্ণের গদার্থ বিশেষৰুে অজ্ঞান কহে। এই অজ্ঞান জগতের VII ৩২ [ 3२¢ ] . छौशांझन् কারণ বলিয়া ইহাকে প্রকৃতিও বলা যায়, এই অজ্ঞানের খাবরণ ও ফুিক্ষপ ভেদে ইটা শক্তি আছে। যেরূপ মেঘ পরিमांप्ण अझ झ्हेग्रो७ झर्श्वकोएजेंङ्ग मम्रन आंझम्न कब्रिग्न दश् যোজন বিস্তৃত সূৰ্য্যমণ্ডলকে যেন আচ্ছাদিত করিয়াছে বোধ হয়, সেইরূপ অজ্ঞান পরিচ্ছিন্ন হইয়াও যে শক্তি দ্বারা দর্শকের বুদ্ধিবৃত্তি আচ্ছাদিত করিয়া যেন অপরিচ্ছিন্ন আত্মাকেই তিরোহিত করিয়া রাখিয়াছে। ঐ শক্তিকে আবরণশক্তি কহে । এই অজ্ঞান বাস্তবিক এক হইলেও অবস্থাভেদে দ্বিবিধ, মায়া ও অবিদ্যা । বিশুদ্ধ অর্থাৎ রজো ब ऊरयां९१ दांब्रां अनछिछूङ अङांनएक भांग्रा, श्रांब्र भनिन অর্থাং রজো বা তমোগুণ দ্বারা অভিভূত সত্বগুণপ্রধানকে অবিদ্যা কহে । এই মায়াতে পরমাত্মার যে প্রতিবিম্ব হয়, ঐ প্রতিবিম্বই ঐ মায়াকে স্বায়ত্ত করিয়া জগৎ সৃষ্টি করেন, এই কারণ ঐ প্রতিবিম্বই সৰ্ব্বজ্ঞ, সৰ্ব্বশক্তিমান ও অন্তর্যামীস্বরূপ ঈশ্বরপদবাচ্য। আর অবিদ্যাতে যে পরব্রহ্মের প্রতিবিম্ব পতিত হয়, এই প্রতিবিম্বই ঐ অবিদ্যার বশীভূত হইয় মনুষ্যাদি সমস্তই জীব পদবাচ্য হয়। অবিদ্যা নান, সুতরাং তৎপতিত প্রতিবিম্ব ও নানা বলিয়া জীবও নানা । স্থায় ও বৈশেষিক মতে জীবাত্মা, সাংখ্য ও পতঞ্জল মতে প্রকৃতি ও বেদান্ত মতে অবিদ্যা বা মীয়া প্রায়ই এক জিনিস, কিন্তু পরস্পরের সহিত এই বিষয় লইয়া বিশেষ মতভেদ ও তর্ক উত্থাপিত আছে। যেহেতু ন্যায় ও বৈশেষিক মতে জীবাত্মা জগতের কারণ, সাংখ্য ও পাতঞ্জল মতে প্রকৃতিই জগতের কারণ এবং বেদান্ত মতে অবিদ্যা বা মায়া জগতের কারণ। এই জন্ত এই তিনই এক পদার্থ বলিয়া অনুমিত হওয়া অসঙ্গত নহে। কিন্তু প্রত্যেক দর্শনকার প্রত্যেকের মত থগুন করিয়া নিজ মত সংস্থাপন করিয়াছেন f বাস্তবিক পরমাত্মা (ব্রহ্ম ) ভিন্ন সকল বস্তুই মিথ্যা, এ জগতে যাহা কিছু দৃষ্ট হইতেছে, তৎসমুদয় রজুতে সর্পভ্রমবৎ কল্পিতমাত্র। জীবাত্মাই পরমাত্মা অার পরমাত্মাই জীবাত্মা । অতএব এই জগতের স্বষ্টিক্রম এবং জীবাত্মা ও পরমাত্মার বিভাগ করা বন্ধ্যাপুত্রের নামকরণের স্তায় উপহাসাম্পদ। যদি পরমাত্মার ( ব্রহ্মের ) সহিত জীবের বাস্তবিক ভেদ না থাকে, জীবই পরমাত্মস্বরূপ হয়, তবে জীবের অনর্থক নিবৃত্তি এবং ব্ৰহ্মভাবপ্রাপ্তিরূপ পরম মুক্তি স্বতসিদ্ধই আছে, তল্লিমিত্ত তত্ত্বজ্ঞানের আবশ্যকতা থাকে না । সিদ্ধ বস্তুর সাধনে কে যত্নবান হইয়া থাকে ? কিন্তু এই আপত্তি কেবল জিগীষা ও স্থলদর্শিত প্রভৃতি দোষের কার্য্য বলিতে হইবে। কারণ সিদ্ধ বস্তুরও অসিদ্ধত্ব ভ্রম হয় এবং ঐ ভ্রমনিরীকরণার্থ