পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/১৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জাতি অর্থাৎ ফুটতা জন্মে। পরে লুটতা (স্কোট) দ্বারা বহির cयां५ झग्न ! “কৈশ্চিদ ব্যক্তয় এবাস্ত ধ্বনিত্বেন প্রকল্পিতা।” . ব্যক্তি সকল এই জাতির ধ্বনি বলিয়া কেহ কেহ কল্পনা করেন। জাতিকে যে স্ফোট বলা হইয়াছে, তাহ বাচ্য বাচকের একত্ব স্বীকার করিয়া বলা হইয়াছে, এইরূপ বুঝিতে হইবে। ১৪ নৈয়ায়িক মতে যোড়শ পদার্থের অন্তর্গত জাতি একরূপ পদার্থ। গৌতম সূত্রে ইহার লক্ষণ এইরূপ উক্ত হইয়াছে— “সমান প্রসবাত্মিক ৷” ( গেী ২১৩৪) ‘সমানঃ সমানীকারকঃ প্রসঙ্কো বুদ্ধিজন ন মাত্মস্বরূপং যস্তীঃ সী, তথা চ সমানাকারবুদ্ধিজননযোগ্যত্বমর্থঃ ।” (গো-বৃ" ২,১৩৪ ) যে পদার্থ সমান জ্ঞান জন্মে, তাহাকে জাতি বলে। উদাহরণ—মনুষ্যত্ব, পশুত্ব ইত্যাদি । মনে কর একজন ব্রাহ্মণ অার একজন শূদ্ৰ, এই উভয়কেই সমান বা এক বলিতে হইলে কিরূপে সমান বা এক বলা যায়। ব্রাহ্মণের ধৰ্ম্ম স্বতন্ত্র, পূদ্রেরও ধৰ্ম্ম স্বতন্ত্র । ব্রাহ্মণ সন্ধ্যা পূজা করেন, শূদ্র তাহার সেবা করে। ব্রাহ্মণের গলায় যজ্ঞোপবীত, শূদ্রের গলায় মালা, তবে এই স্থলে মনুষ্যত্ব লইয়া উভয়কে সমান বা এক বলা যাইতে পারে, মনুষ্যত্ব উভয়েই আছে, সুতরাং মনুষ্যত্ব জাতি হইল। সমান জ্ঞান যে জন্মায়, তাছার নাম জাতি বলিয়াই জাতির অপর নাম সামান্ত । জাতি বলিলে যাহাকে বুঝিতে হইবে, সামান্ত বলিলেও তাহাকেই বুঝিতে হইবে। এই জাতির অনেক প্রকারলক্ষণ ও নানাপ্রকার ভেদ আছে । “সাধৰ্ম্ম্যবৈধৰ্ম্ম্যাভ্যাং প্রত্যবস্থানং জাতিঃ ।” ( গেী* ১৫৮) ‘প্ৰযুক্তে হি হিতে যঃ প্রসঙ্গে জায়তে সা জাতিঃ স চ প্রসঙ্গ: সাধৰ্ম্মবৈধৰ্ম্ম্যাভ্যাং প্রত্যবস্থানমুপানন্তঃ প্রতিষেধঃ ইতি। উদাহরণসাধৰ্ম্ম্যাৎ সাধ্যসাধনং হেতুরিত্যস্তোদাহরণসাধৰ্ম্মোণ প্রত্যবস্থানং। উদাহরণ, বৈধৰ্ম্ম্যাৎ সাধ্যসাধনং হেতু রিত্যস্তোদাহরণবৈধৰ্ম্মোণ প্রত্যবস্থানং। প্রত্যনীকভাবাজ্জায়মানোইর্থে জাতিঃ । ( বাৎস্তায়ন ১২৫৯ । ) ব্যাপ্তি নিরপেক্ষ সাধৰ্ম্ম্য ও বৈধৰ্ম্ম্য দ্বারা যে দোষ কখন, তাহার নাম জাতি। “ছলাদি ভিন্ন দূষণ মর্থ মুত্ত্বরং” ছলাদি ব্যতিরেকে ঘোষের যে অযোগ্য, তাহার নাম জাতি । “श्वयTाषांउकभूडब्र६ ।” (cशोषू" sl4४) त्र¢ऊिदकरु উত্তরের নাম জাতি । বক্তা যে অর্থতাৎপর্ষ্যে যে শব্দ প্রয়োগ করেন, সে শঙ্কের যে অর্থ গ্রহণ না করিয়া যদি তদ্বিপরীত অর্থ কল্পনা [ $२ ] छांछि পূর্বক, মিথ্যা যে দোষারোপ করা যায়, তাহাকে ছল কহে, वर्ष-शब्रि७वनांनभश्छभद्रांमि । श्रांबि शब्रिग्न अंगांन छक्रम করিতেছি, ইত্যাদি স্থলে হরি শব্দের বিষ্ণুরূপ তাৎপৰ্যার্থ পরিত্যাগ করিয়া বানররূপ অর্থকল্পনাপূৰ্ব্বক, “কি ! ভূমি बांनtङ्गद्र ऊँछ्हेि उक्रणं कब्र* ऐठrांनेि ८लांबां८ब्रांश्रृं कब्रां । ५है প্রকার বাক্ছল, সামান্তচ্ছল ও উপচারচ্ছল রহিত অসদুত্তরকে অর্থাৎ বাদি কর্তৃক সংস্থাপিত মত দুষণে অসমর্থ, অথবা মিজ মতের হানিজনক যে উত্তর তাহাকে জাতি কছে, এই জাতি পদার্থ ২৪ প্রকার। যথা— “সাধৰ্ম্মবেধৰ্ম্ম্যোৎকৰ্ষাপকর্ষবণ্যাবর্ণবিকল্পসাধ্যপ্রাপ্ত্যপ্রাপ্তিপ্রসঙ্গ প্রতিদৃষ্টান্তামুৎপত্তিসংশয়প্রকরণহেত্বর্থাপত্যবিশেষোপপত্ত্ব পলন্ধ্যনুপলব্ধিনিত্যানিত্যকাৰ্য্যসমাঃ ” (গেী স্থ ৫১) সাধৰ্ম্ম্যসম, বৈধৰ্ম্মসম, উৎকৰ্ষসম, অপকৰ্ষসম, বণ্যসম, অবর্ণ্যসম, বিকল্পসম, সাধ্যসম, প্রাপ্তিসম, অপ্রাপ্তিসম, প্রসঙ্গসম, প্রতিদৃষ্টান্তসম, অমুৎপত্তিসম, সংশয়সম, প্রকরণসম, হেতুসম, উপপত্তিসম, উপলব্ধিসম, অমুপলব্ধিসম, নিত্যসম, অনিত্যসম, কাৰ্য্যসম এই চতুৰ্বিাশতি প্রকার জাতি। গৌতম স্থত্রে, তর্কভাষা এবং তর্কদীপিতেও উক্তপ্রকার জাতির বিবরণ লিখিত আছে । প্রভাকর মতে—আকৃতি দ্বারা ব্যঙ্গপদার্থকেই জাতি বলিয়া স্বীকার করা হয়, গুণত্বাদির জাতিত্ব স্বীকার করা হয় না । নৈয়ায়িকদিগের মতে গুণত্ব প্রভৃতিও জাতি হইয়া থাকে। তর্কপ্রকাশিকাতে এইরূপ জাতিলক্ষণ উক্ত হইয়াছে— “নিত্যাহনেকসমবেতম।” যে পদার্থ নিত্য অর্থাৎ ধ্বংস ও প্রাগৃভাবরহিত এবং সমবায় সম্বন্ধে পদার্থ সকলে বর্তমান আছে, তাহাকে জাতি বলে। যথা দ্রব্যত্ব গুণত্ব, ঘটত্ব, কৰ্ম্মত্ব ইত্যাদি। দেখ—ঘটত্ব অর্থাৎ ঘটগত যে একটী বিলক্ষণ ধৰ্ম্ম আছে, उठांशं निऊा, ¢कन न शक्ने विनष्टे श्रण७ धüश नष्ठे झग्न नां । ঘটত্ব নিখিল ঘটেই বিদ্যমান, যেহেতু একটা ঘট দেখিয়া আবার আর একটা ঘট দেখিলেও ঘট বলিয়া বোধ হইয়া থাকে। এই घाँस्न घाँक्नेलभोग्न गन्नाक बर्द्धमान श्राप्झ, श्रृङब्राश् चाँच्जलि হইল (১) । সিদ্ধান্তমুক্তাবলীতে ঐরাপই জাতিলক্ষণ কথিত হইয়াছে। ভাষাপরিচ্ছেদে জাতি দুই শ্রেণীতে বিভক্ত হইয়াছে। *जांभांछ१ धिविश९ ८धांङ१ श्रृंद्रशं★ब्रtभन्न छ ।” गांगांछ अथt९ छांङि छूहे थकांग्न, श्रृंब्रजांछि ७ जर्श्वग्न ( *) *षtiशैौनॉ१ कगाणtद्दशौ ! ৰুে ৰাজেশ্চ সৰহ্ম সমাধান্ত (ভাষাপরিচ্ছেদ ১