পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/১৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


६झन পালন করিয়া থাকেন । এমন কি কোন কোন জৈনসাধু বা ধৰ্ম্মাত্মা পথে চলিবার সময় পাছে কোন কীটাদি মাড়িয়া ফেলেন, এই জন্ত যেখান দিয়া যাইবেন, অগ্রে সেই সেই স্থান ঝাড় দিতে দিতে গমন করেন । বোঁদ্ধের যেমন অসংখ্য যুগ-পৰ্য্যায়ের অবতারণা করিয়াছেন, সেইরূপ জৈনেরাও বৌদ্ধ গণকে অতিক্রম করিয়া উৎসপিণী ও অবয়পিণীর কল্পনা করিয়াছেন । বৌদ্ধের যেমন প্রাচীন স্বৰ্য্যবংশের ইতিহাস আপনাদের ইচ্ছানুসারে সংশোধন করিয়া লইয়াছেন, র্তাহারা যেমন রাজা মহাসম্মতকে পৃথিবীর আদিরাজ এবং তৎপরে ২৮ বংশের পর ইক্ষুকু পৰ্যন্ত অসংখ্যে যুগ নামে উল্লেখ করিয়াছেন, তাহারাও যেমন মহাসন্মত হইতে ইক্ষুকু পৰ্য্যন্ত ২৫২৫৩৯ বা ১৪০৩০০ পুরুষ, গণনা করিয়া থাকেন, জৈনদিগের মধ্যেও উক্ত সকল বিষয়ে একরূপ ঐক্য দেখা যায়। ইহাতে স্পষ্টই বোধ হইতেছে, বৌদ্ধধৰ্ম্ম হইতেই জৈনধৰ্ম্মের স্বষ্টি । এতদ্ভিন্ন জৈনেরা ত্ৰাহ্মণগণের আগম পুরাণাদির নামের অনুকরণে বহুবিধ আগম ও পুরাণাদি সষ্ট করিয়াছেন। উক্ত পুরাবিদের মতে খৃষ্টীয় ১ম বা ২য় শতাদে জৈনধৰ্ম্মের বিকাশ হয় (৭) । ডাক্তার বেবরের মতে জৈন সম্প্রদায় বৌদ্ধদিগেরই এক প্রাচীনতম শাখা (৮)। অবশেষে বহু গবেষণা দ্বারা ক্লাটসাহেব স্থির করেন, প্রায় খৃষ্টপূর্ব ২৫০ অব্দে জৈনগণের শাখা প্রতিষ্ঠিত হয় (৯) । আমরা যতদূর প্রমাণ পাইয়াছি, তাহাতে জৈনধৰ্ম্মকে নিতান্ত আধুনিক বলিয়া গ্রহণ করিতে পারিলাম না। বিষ্ণু প্রভৃতি কোন কোন পুরাণেও জৈনধৰ্ম্মের উল্লেখ আছে। শ্বেতাম্বর ও দিগম্বর জৈনদিগের বহুতর গ্রন্থ পাঠে জানা যায় যে, শকরাজের ৬-৫ বর্ষ পূৰ্ব্বে (অর্থাৎ খৃঃ পূঃ ৫২৭ অব্দে ) শেষ তীর্থঙ্কর মহাৰ্বার বা বৰ্দ্ধমান নিৰ্ব্বাণলাভ করেন (১৯) । মখুর হইতে জৈনসম্প্রদায় কর্তৃক খৃষ্টীয় ১ম শতাব্দীতে উৎ কীর্ণ যে সকল প্রাচীন শিলালিপি আবিষ্কৃত হইয়াছে, তাহাতে জৈনদিগের কল্পস্থত্র-বর্ণিত স্থবিরগণের উল্লেখ আছে । (১১) এতদ্ভিন্ন কটক জেলার উদয়গিরি এবং জুনাগড়ের উপর (*) Lassen's Indische Alterthumskunde, Vol. IV. p. 755f. i (-) Weber's Indische Studien, Vol. XVI. p. 241. (s) Iudium Autiquary, Vol. XI. p. 246. (२०) :छन अझ् झिप्णt कभttङ्ग शिपिंछ"गगझo नषगण ग१थानबून भबिद्र बौब्रगिo चूहेtन नशब्रttछ ।" 4Hqzwi wotatota st(\ā Nel RF–Indian Antiquary, Vol. XII. p. 21ff. TržRI (do) Wiener Zeitschrift für die kunde des Morgenlandes, Vol. I, 1;ßf III, p. I, aud Epigraphia Indica, Vol. I. [ ১৬২ ] १छ्न। কোট হইতে রুদ্রামারও পূৰ্ব্ববর্তী যে প্রাচীন শিলালিপি আবিষ্কৃত হইয়াছে •, তৎপাঠে অবগুই স্বীকার ফরিতে হইবে, द्नेछनजटलोङ्ग बङ् ७ोझैौन । * আমাদের বিবেচনায় যখন শাক্য বুদ্ধ জন্ম গ্রহণ করেন নাই, তাহারও অনেক পূৰ্ব্ব হইতেই জৈন ধৰ্ম্ম প্রচলিত হইয়াছে। প্রাচীনতম জৈন অঙ্গে স্পষ্টতঃ বৌদ্ধ বা বুদ্ধদেবের প্রসঙ্গ নাই, কিন্তু ললিতবিস্তরাদি প্রাচীনতম বৌদ্ধ গ্রন্থে নিগ্রন্থ নামে জৈনের উল্লেখ আছে । বৌদ্ধ ও জৈন ধৰ্ম্মের কোন কোন বিষয়ে পরস্পর সোসাদৃশু থাকায় জৈনকে বৌদ্ধধৰ্ম্মের পরবর্তী বলা যুক্তিসঙ্গত নহে। পাশ্চাত্য পণ্ডিতগণ যে যে প্রমাণ দ্বারা বৌদ্ধধৰ্ম্ম হইতে জৈনধৰ্ম্মের উৎপত্তি স্বীকার করিয়াছেন, সেই সেই প্রমাণ দ্বারাই জৈন ধৰ্ম্ম হইতেও বৌদ্ধধৰ্ম্মের উৎপত্তি প্রতিপাদন করা যাইতে পারে। জৈন ও বৌদ্ধধৰ্ম্মপ্রচারকগণ সকলেই ব্রাহ্মণ্যধৰ্ম্মে লালিত পালিত হইয়াছেন, এরূপ স্থলে বরং ব্রাহ্মণ্য ধৰ্ম্মকেই জৈন ও বৌদ্ধধৰ্ম্মের জনক বলা যুক্তিসঙ্গত। যখন কোন নুতন ধৰ্ম্ম গঠিত হয়, সেই ধৰ্ম্মের প্রবর্তকগণ পূৰ্ব্বতন আচার অনুষ্ঠান এককালে পরিত্যাগ করিতে পারেন না, বহুবর্ষ পরে পুনঃ পুনঃ সংস্কার দ্বারা পূৰ্ব্বপ্রথা অনেকাংশে পরিবর্তিত হইয়া যায়। জৈন ও বৌদ্ধধৰ্ম্ম সম্বন্ধেও এইরূপ ঘটিয়াছে। বৌধায়নোক্ত নীতি ও যজুৰ্ব্বেদের “মা হিংসী পুরুষং জগৎ” এই মূলমন্ত্র অবলম্বন করিয়া জৈনধৰ্ম্মের স্বষ্টি । যে সময়ে ভারতে যাগযজ্ঞাদিতে পশুবধপ্রথা বিশেষ প্রবল ছিল, সেই সময়েই কোন কোন মহাপুরুষ দয়া হইয়া তন্নিবারণার্থ অভিনব ধৰ্ম্মপ্রচারে অগ্রসর হইলেন। এই অভিনব উত্থানে চারিবর্ণ-ই যোগদান করিয়াছিলেন। বেদে যজ্ঞার্থে পগুহিংসা নির্দিষ্ট আছে, কিন্তু অহিংসা-প্রচারকগণ আবিভূত হইলে বেদমার্গাবলম্বী হিন্দুগণ সকলেই তাহদের বিরুদ্ধ হইলেন এবং নাস্তিক ধৰ্ম্মত্যাগী প্রভৃতি বলিয়া তাহদের নিন্দ করিতে লাগিলেন। বিষ্ণুপুরাণে অলক্ষিতভাবে সেই পরিচয় পাওয়া যায়। কিন্তু প্রথমতঃ অহিংসাধৰ্ম্ম-প্রচারকগণ প ওহিংসাপ্রধান যাগযজ্ঞাদি পরিত্যাগ করিলেন বটে,কিন্তু রীতিনীতি আচার ব্যবহার ও পূৰ্ব্বপালিত অপরাপর ধৰ্ম্মশাস্ত্রাদি একবারে পরিত্যাগ করিতে পারেন নাই। যাহা বহুকাল হইতে চলিয়া অসিতেছে, একবারে কে তাহা পরিত্যাগ করিতে পারে ? এই জন্য প্রথম অহিংসামত প্ৰবৰ্ত্তক

  • Indian Antiquary,rvol XX, p. 363-64.