পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/১৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


हैङम শ্রমশ এক, অথবা অন্ত শ্রমণের সহিত বাস করেন, তখন বাঁহাতে,তাহার बष्ठ एठा' नां श्ा, डिक्षिष८झ विांश् भग्नiग्यांौ इहेरिबन ७स९ उ|श्च्न दिल्ल अङ्क दाउँौ७ अकृ ८कोन विश्रङ्ग আসক্ত হইবেন না। যখন শ্রমণ সৰ্ব্বপ্রকায় আসক্তি পরিত্যাগ করিয়া প্রকৃত ধৰ্ম্ম ও জ্ঞানশিক্ষায় রত হন এবং विश्* थकांग्र श्रदश्च कर्डशा अन्w*मम क८ब्रन, उथन ङिनि তাহার ব্রতপালন করিতেছেন, এইরূপ মনে করা যাইতে পারে । শুদ্ধ আত্মা ব্যতীত অন্ত বিষয়ে আসক্তি বন্ধনস্বরূপ ; সুতরাং শ্রমণগণ সে সমস্ত পরিত্যাগ করেন। সমস্ত পরিত্যাগ করিতে না পারিলে হৃদয় পবিত্র হয় না এবং হৃদয় পধিত্র ন হইলে কৰ্ম্মবন্ধন ছেদন করিবার সম্ভাবনা কোথায় ? কিন্তু এই সাধারণ সূত্রের বিশেয বিধি আছে । শ্রমণ যে কালে যে স্থানে বাস করেন, সেই কাল ও স্থানের প্রতি বিশেষ লক্ষ্য রাখিয়া যাহাতে তাহার উন্নত পরিণামের কোনরূপ অন্তরায় না হয়, এরূপ দ্রব্য গ্রহণ করিতে পারেন । শ্রমণের অনুকূল দৈহিক ক্রিয়া, গুরুর উপদেশ, বিনয় এবং সূত্রাধ্যয়ন শিক্ষা করা কৰ্ত্তব্য ; এ সমস্ত পরিত্যাগ করা যাইতে পারে না । যে সমস্ত পরিত্যাগ করিলে উন্নতির হানি হয়, তাহ পরিত্যাগ করিবে না। শরীর না থাকিলে উন্নতির সহায় সৰ্ব্ব প্রকার বিনয় শিক্ষা করা যায় না ; সুতরাং শরীর রক্ষা করা কৰ্ত্তব্য এবং তজ্জন্ত আহার গ্রহণ করা উচিত । জৈনশাস্ত্রে কথিত ৪২ প্রকার পাপ না করিয়া যদি ভিক্ষ দ্বারা খাদ্য লাভ করা হয়, তবে যে শ্রমণ উক্ত প্রকার খাদ্য ভোজন করেন, তাহ অনাহার বলিয়াই বর্ণিত হইয়া থাকে (৩২) । যে শ্রমণ শাস্ত্রবিধি অনুসারে আহার বিহার করেন ও কষায় ( প্রিয় এবং অপ্রিয় বস্তুতে প্রেম ও ঘৃণা ) হইতে পরিমুক্ত, তিনি ইহলোক বা পরলোক বিষয়ে চিন্তাকুল হন না। একমাত্র শরীরই শ্রমণদিগের সম্পত্তি এবং এই সম্পত্তিতেও তাহারা বীতস্পৃহ । মোক্ষ লাভ করিতে হইলে আর একটী বিষয়ের প্রয়োজন । যিনি একটা মাত্র বিষয়ে ব্যাপৃত থাকেন, তাহাকে শ্রমণ বলা যায় । দ্রব্যের প্রকৃতি সম্বন্ধে যাহার নিশ্চয়-জ্ঞান জন্মিয়াছে, তিনিই কেবল এক বিষয়ে সমাধিস্থ থাকিতে পারেন। এই জ্ঞান আগমপাঠে লাভ করা যায় ; সুতরাং আগম আধায়ন করা অতিশয় কৰ্ত্তব্য । যে শ্রমণ আগম অধ্যয়ন করেন এদে খলু মূলগুণ সমণাণং জিনবরেহিং পল্পত্তা । তেস্থ পমত্তে সমণে ছেদ্ভোবটুঠাবগোহোদি ॥” ৩৭-৮। (৩২) “জস্স অণেসণমল্প তং পি ত ও তঞ্জড়িছগা সমণ । অষ্ট্রং ভিধকমণেগণুমধ তে সমণ অণাহারা ॥” ৩২৬। ( సిసి 3 ) ; हैछन নাই, তিনি তাহার আত্মার প্রকৃতি এবং আত্মেতর বস্তু ত্র প্রকৃতি অবগত হইতে পারেন না । দ্রব্যের প্রকৃতি অবগত না হইলে কেছ কৰ্ম্ম বন্ধন ছিন্ন করিতে পারেন না । দ্রব্য ও তাহার গুণাবলী আগমে বিশেষরূপে বর্ণিত হইয়াছে ; সুতরাং শ্রমণগণ আগমপাঠে তাহ জানিতে পারেন। আগমে যেরূপ ভাবে বর্ণিত হইয়াছে সেইরূপ ভাবে দ্রব্য বুঝিতে না পারিলে কোন শ্রমণই সংযম লাভ করিতে পারেন না এবং সংযম না হইলে কিরূপে শ্রমণ হওয়া যাইতে পারে ? কেবলমাত্র আগম পাঠ করিলেই কেছ পূর্ণ লাভ করিতে পারেন না-আগমে বস্তু সম্বন্ধে যাহা কথিত হইয়াছে, তা বিশ্বাস করা প্রয়োজন। আবার কেবল আগমে বর্ণিত বিষয় বিশ্বাস করিলে ও কাহারও নির্বাতি হয় না, এই জষ্ঠ সংযম শিক্ষা করা কৰ্ত্তব্য । এই জন্যই জৈনশাস্ত্রে ত্রিরত্বের বিষয়ে উপদেশ দেওয়া হইয়াছে । ১ম জ্ঞান অর্থাৎ আগমবর্ণিত বস্তুর জ্ঞান। ২য় দর্শন অর্থাৎ আগমের উপদেশে বিশ্বাস। ৩য় চরিত্র অথবা ধৰ্ম্ম অর্থাৎ নৈতিক শিক্ষা (সংযম ) ! যদি কাহারও শরীর অথবা অন্ত কোন দ্রব্যে ঈষৎ আসক্তি থাকে, তাছা হইলেও সমগ্র আগম শিক্ষা করিলে ও তিনি পূর্ণত অথবা নির্বাতি পাইতে পারেন না। যে শ্রমণ পঞ্চসমিতি এবং তিন গুপ্তি সম্যক আচরণ করিয়াছেন, পঞ্চেস্ক্রিয় নিরোধ ও কষায় বিজয় করিতে পারিয়াছেন এবং সম্পূর্ণ জ্ঞান ও দর্শন লাভ করিয়াছেন, তাহাকে সংযত বলা যাইতে পারে । শক্র, মিত্র, সুখ, দুঃখ, নিদা, প্রশংসা, সুবর্ণ, মৃত্তিক তাহার নিকট সকলই সমান । যিনি যুগপৎ দর্শন, জ্ঞান এবং চরিত্রে পূর্ণতা প্রাপ্ত হইয়াছেন, তিনিই একাগ্রতা লাভ করিতে পারেন এবং তিনিই শ্রমণের যথার্থ প্রকৃতিসম্পন্ন । শুভোপযোগী শ্রমণগণ আস্রব-সম্পন্ন ; গুদ্ধেfপযোগীগণ আশ্রব-বিমুক্ত । শুভোপযোগী শ্রমণদিগের কর্তব্য কাৰ্য্য এইরূপ-অৰ্হৎদিগের উপাসনা, শিক্ষিতদিগের প্রতি করুণ, প্রধান ও শুদ্ধ শ্রমণদিগকে অর্চন, তাহাদিগকে অভ্যর্থনাকালে অগ্রসর হইয়া বিশেষ সন্মান প্রদর্শন এবং তাহাদিগের প্রত্যাবর্তনকালে পশ্চাৎ পশ্চাৎ গমন, জ্ঞান ও দর্শন প্রচার, শিষ্যগ্রহণ এবং তাহাদিগকে উপদেশ-প্রদান, জিনদিগকে অর্চনা করিৰার নিমিত্ত শিক্ষাবিস্তার, চরিশ্ৰেণীর শ্রাবক, শ্ৰাবিক, যতি, আর্য্যা এবং শ্রমণ সম্প্রদায়ের যথাসাধ্য উপকার, আপন শরীরের কোনরূপ ক্ষতি না করা, জিনধৰ্ম্মাবলম্বী ব্যক্তিবর্গের উপকার, কোনরূপ উপকার প্রত্যাশা না করিয়া সকলকে দয়া এবং কোন শ্রমণকে রোগ, ক্ষুধা