পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/২৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জৌনপুর हेशांब्र अक्षिकांश्*हे कलर्षी ८डांछन ७ श्ब्रिवह्म *ब्रिथांन করিয়া জীবন যাপন করে। কুৰ্ম্মি ও কাছি কৃষকগণের অবস্থা অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছল । ইহার পোস্ত, তামাক এবং অষ্টান্ত বহুবিধ শাকসবজি ও ফলমূলাদি আবাদ করে। সচরাচর অন্তান্ত কৃষক অপেক্ষ ইহার অধিকতর পরিশ্রমী ও অধ্যবসায়ী এবং অধিক হারে খাজনা দেয়, এই জন্য জমিদারগণ কুর্শ্বি ও কাছি প্রজা রাখিতে ভালবাসেন । জৌনপুর জেলার মৃত্তিক অনেকস্থলেই গলিত উদ্ভিজ্জমিশ্ৰিত, কর্দম ও বালুকাময়। পরিত্যক্ত নদীগর্ভ এবং শুষ্ক বিল পৰলাদিতে কৃষ্ণবর্ণ পঙ্কময় অতিশয় উর্বর মৃত্তিক দৃষ্ট হয়। জেলার সকল স্থানেই অতি উত্তমরূপ চাষ হইয়া থাকে। উৎপন্ন দ্রব্যের মধ্যে ধান্ত, বাজরা, ভুট্ট, জোয়ার, কার্পাস, গোধুম, যব, মটর, কলাই, সর্ষপ ইত্যাদি বহুবিধ শস্ত জন্মে। চাষের প্রণালী অপেক্ষাকৃত সহজ । প্রথমতঃ কৃষক ক্ষেত্রে লাঙ্গল দিয়া বীজ ছড়ায়, তৎপরে মই দিয়া মাটি চাপা দেয় ও জমী চৌম্বস করিয়া লয়। জমী সংবৎসর ধরিয়া প্রায় পড়িয়া থাকে না, তবে ষে জমীতে ইক্ষুর চাষ হয়, তাহ প্রায় ৬ মাস এক বৎসর ফেলিয়া রাখে। নগরের নিকটবৰ্ত্তী জমীতে আমন ও রবিশস্ত দুই জন্মে। ইক্ষুর চাষ সৰ্ব্বাপেক্ষা লাভজনক, কিন্তু উহাতে প্রায় এক বৎসর জমী ফেলিয়া রাথিতে হয় এবং জমীতে অধিক পরিমাণে সার দিতে হয় । ইংরাজশাসনভুক্ত হইবার পর হইতে এখানে নীলের চাষ হইতেছে। গবর্মেন্টের তত্ত্বাবধানে কুস্মিগণ পোস্ত চাষ করে। ঐ বৃক্ষের চেড়ী হইতে যে অহিফেন উৎপন্ন হয়, কৃষকগণ তাহ সমস্তই সরকারী কৰ্ম্মচারীদিগকে দিতে বাধা । উছার মূলা বাবত কৃষকগণ ৭• সারবান ঢেঁড়ীর প্রতি সের ৫ টাকা হিসাবে পাইয়া থাকে। কুষ্মি ও কাছিগণ পোস্ত, তামাক ও শাক ফলাদি আবাদ করে বলিয়া ইহাদের অবস্থা অন্তাত কৃষক অপেক্ষ অনেক ভাল । সমস্ত জেলার পরিমাণ ১৫৫৪ বর্গমাইলের মধ্যে ১৫১৯ বর্গমাইল গবর্মেন্টের তৌজিভুক্ত। ইহার মধ্যে ৯৬২ বর্গমাইলে আবাদ হয় । ১০৩ বর্গমাইল আবাদযোগ্য, অবশিষ্ট ২৫৪ বর্গমাইল উষর । ীৈ-বিড়ম্বন -এই জেলায় গোমতী নদীতে সময় সময় ভীষণ বন্ত আসিয়া উভয় কুল ছাপাইয় পড়ে এবং বহুদূর পৰ্য্যন্ত জনপদ ভাসাইয়া লইয়া যায়। ১৭৭৪ খৃঃ অব্দে এইরূপ বস্তায় বিস্তর ক্ষতি হয়। ১৮৭১ খৃঃ অক্সের বন্ত সৰ্ব্বাপেক্ষ उँौष१ । ऐशंtठ नश्नtब्रग्न थांब्र 8००० शृश् ७द१ जञ्चांना क्षांप्यग्न थांग्न २००० शृंश् दनTांब्र हtण खांनिग्नी षां★ । अनTांना { ২৩৪ ] জৌনপুর इन्निब्र फूलनांग्र ७षांtन अनाइट्टेि अषिक श्द्र नारें ।। ०११० খৃঃ অশে চতুৰ্দ্দিকৃস্থ জেলার ন্যায় এখানেও অনাবৃষ্টি ও अज्ञकडे श्छ, किरू ०१४० ७ २४१० शुः अकब्र छद्रfईट्टेिष्ठ ছভিক্ষ হয় নাই । ১৮৩৭-৩৮ খৃষ্ঠাম্বের ভীষণ ভিক্ষে জৌনপুর অপেক্ষাকৃত ভাল ছিল। ১৮৬০-৬১ খৃঃ অব্দের দুর্ভিক্ষ দুৰ্ব্বিপাক জৌনপুর পর্য্যন্ত পৌঁছে নাই। ১৮৭৪ খৃঃ অধো বাঙ্গালায় যে ভয়ানক ছুর্ভিক্ষ হয়, উহা ঘর্ঘরা নদীর পরপারস্থিত প্রদেশেও ব্যাপ্ত হইয়াছিল, কিন্তু জৌনপুর देश रुद्दे८ङ निरडांब्र श्रांग्र । »v११-१४ थुः अएक अनांबूटैि जना রবিশস্ত না হওয়ায় এখানে ফুর্ভিক্ষ হয়। দুর্ভিক্ষপ্ৰপীড়িত ব্যক্তিগণের সাহায্য জন্য গবর্মেন্ট রিলিফ ওয়াক (Relief work) স্থাপন করেন। জৌনপুর ও ইহার নিকটস্থ আজমগড়ে প্রায় সংবৎসরই বৃষ্টি হয় । সুতরাং কোন না কোন সময় বৃষ্টি হইলে একটা না একটা ফসল জন্মিয় থাকে, সুতরাং অন্নকষ্ট প্রায় হয় না । বাণিজ্যাদি ।—জৌনপুর কৃষিপ্রধান জেলা । কৃষিজাতই প্রধান বাণিজ্য দ্রব্য। যুরোপীয়দিগের তত্ত্বাবধানে নীল প্রস্তুত হইয়া থাকে। মরিয়াহ নগরে আশ্বিন মাসে এবং করচলি নগরে চৈত্র মাসে ছুইটী মেলা হয়। ঐ দুই মেলায় প্রায় ২০২৫ সহস্ৰ লোকের সমাগম হইয়া থাকে। অযোধ্য-রোহিল-থও রেলপথ এই জেলার ৪৫ মাইল স্থান দিয়া গিয়াছে। জলালপুর, জৌনপুর সদর, জৌনপুর নগর, মেহেরাবাস, খেতসরাই, শাহগঞ্জ ও বিলবাই এই কয়েকট ষ্টেশন আছে। এখানে ১৩৮ মাইল বাধা ও ৪ ১৮ মাইল কাচা রাস্তা আছে । বর্ষাকালে গোমতী নদী দিয়া বৃহৎ বৃহৎ নৌকাদি যাতায়াত করে। ঐ সকল নৌকায় অযোধ্যা হইতে শস্তাদি অানীত হয়। জৌনপুর জেলা ইংরাজশাসনভুক্ত হইবার সময় ইহা অযোধ্য গবর্মেন্টের অধীনে বারাণসী প্রদেশান্তর্গত করা হয়। ১৮৬৫ খৃঃ অঙ্গে এই জেলা অালাহাবাদ বিভাগের অন্তর্গত হয়। এখানে একজন মাঞ্জিষ্ট্রেট ও কালেক্টর, একজন জয়েণ্ট বা আসিণ্টাট মাজিষ্ট্রেট ও অপরাপর অধীনস্থ कईक्लार्द्रौ थां८कन । देशं८ठ २७ फ्री ७ॉक६ब्र श्रादइ, uद२ প্রত্যেক রেলওয়ে ষ্টেশনে তারঘর আছে। এই জেলায় বিদ্যাচর্চার উন্নতি অতি অল্প। জৌনপুরে দেশীয় ভাষা, আরবী ও পারসী ভাষা শিক্ষার বিদ্যালয় আছে। ইংরাজী ভাষা অনেক স্থলেই শিক্ষা দেওয়া হইতেছে। এই জেলা ৫ টা তহলীল ও ১৭ টী থানা বিভক্ত। কেবলমাত্র জৌনপুর नीनि भिषॆनिश्लिश्रेtगि्रौ स्रांताड् । {