পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/২৩৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জৌনপুর এই জেলার বায়ু অনেক সময় জার্ক্স থাকে, বারমাসই বৃষ্টি হয় বলিয়া" শীতগ্রীষ্মাদির আতিশযা নাই। ১৮৮১ খৃঃ অষা পীণ্ড পূৰ্ব্ব ৩• বৎসরের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ৪১° ৭১ ইঞ্চি । জৌনপুর, শাহগঞ্জ ও মছলিসহরে হাসপাতাল আছে। ২—উত্তরপশ্চিম প্রদেশের অন্তর্গত জৌনপুর জেলার একটা তহলীল। এই তহলীলে হবিলী জৌনপুর, খিয়ালসী, রারি, জাফরাবাদ, করিয়াত, দোস্ত, খপূরহ এবং তঃ সরেমু এই ৭ট পরগণা আছে। সৰ্ব্বশুদ্ধ পরিমাণফল প্রায় ৩২৭ বর্গমাইল, তন্মধ্যে প্রায় ২৩৩-৬ বর্গমাইলে চাষ হয়। অযোধ্যারোহিলখণ্ড-রেলপথ এই তহলীল দিয়া গিয়াছে। তদ্ভিন্ন রাস্তা প্রভৃতিরও মুবিধা আছে। গোমতী ও সৈ নদী এবং অন্যান্ত অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নদী এই তহসীলে প্রবাহিত। তহসীলের গ্রাম ও নগরের সংখ্যা মোট ৮২২, তন্মধ্যে কেবল ২টীতে ৩ সহস্ত্রের অধিক লোক বাস করে। ৩—উত্তরপশ্চিম প্রদেশের অন্তর্গত জৌনপুর জেলার সদর ও প্রধান নগর । অক্ষা ২৫° ৪৪৫৩′ উঃ, দ্রাঘি• ৮২• ৪৩৪৯′ পূঃ । এই নগর গোমতীর উত্তরতীরে গোমতী ও टेन नौद्र नक्रभ श्हेष्ठ अग्नि २९ माहेण मूब्र श्रदहिङ । অধিবাসীর সংখ্যা উপকণ্ঠ সমেত ৪২,৮১৯ । তন্মধ্যে ২৫৯৭৮ হিন্দু, ১৬৭৭১ মুসলমান এবং ৭• খৃষ্টান । জৌনপুর একটী প্রাচীন নগর । এই নগর ১৩৯৪ হইতে ১৪৯৩ খৃঃ অদ পর্য্যন্ত প্রায় শত বৎসর বুদাউন ও এতাব হইতে বেহার পর্যন্ত এক বিস্তীর্ণ সুসমৃদ্ধ স্বাধীন মুসলমান রাজ্যের রাজধানী ছিল । অসংখ্য প্রাচীন মন্দির, অট্টালিকা, মসজিদ ও তাহদের ভগ্নাবশেষ এখনও বিস্তমান থাকিয়া স্থপতিবিদ্যার যথেষ্ট পরিচয় প্রদান করিতেছে । ঐ সকল মন্দিরাদির অধিকাংশই জৌনপুরের স্বাধীন পাঠান শর্কি অধিপতিদিগের সময় নিৰ্ম্মিত হয়। এই শকিগণ যেমন একদিকে বহু সংখ্যক মসজিদ প্রভৃতি স্থাপন করিয়াছেন, তেমনি অন্ত দিকে প্রাচীন হিন্দু ও বৌদ্ধদিগের বহুসংখ্যক মনির নষ্ট করেন । বলা ৰাহুল্য ঐ সকল হিন্দু ও বৌদ্ধমন্দিরের ভগ্নাবcशय गहेब्राहे उठूश्नब्रि यांदउँौङ्ग भन्जिनानि यंखऊ श्हेब्रां८झ् । এই নগরের প্রাচীন নাম কি তাহ স্পষ্ট জানা যায় না । জৌনপুরবাসী ব্রাহ্মণগণ বলেন, ইহার প্রকৃত নাম জমদগ্নিপুর। অস্থাপি তথাকার সকল হিন্দুই ইহাকে জৌনপুর না বলির জমনপুর কছে । মুসলমানের বলে, ফিরোজশাহ এই স্থান দর্শন করিয়া জ্ঞাতিভ্ৰাত,জুনানের (মহম্মদ তোগলক ) यैडारद डाशत्र नामाष्ट्रनारत्र थे शप्नब नाम জৌনপুর রাখেন । হিন্দুরা ইহার উত্তরে বলে, ইহার নাম জমনপুর [ ९७४ ] জৌনপুর झिल, ऋङ्ग झिान्नाएअन्न जरूष्टि खछ मै नागहे छेष९ झोखब्रिड করিয়া জৌনপুর করা হয়। আবার একজন সুচতুর ব্যক্তি बtश्ङ्गि कन्निङ्गानि, जश्झ cलोनशूद् भग्स् ११२ ज१५ा।। सूक्षाङ्ग, ঠিক ঐ সংখ্যক হিজিরা শকে (১৩৭ খৃঃ জন্মে) ফিরোজশাহ জৌনপুরে আগমন করেন। যাহা হউক জৌনপুরের নাম যাহাই থাকুক, ইহা ফিরোজশাহের বহু পূৰ্ব্ব হইতে বিদ্যমান ছিল। ফেরিস্তায় উল্লেখ আছে, জৌনপুর (জমন शूद्र) निर्झौ रुहे८ङ दांत्रांशी यांहेबांद्ग *८५ श्रदहिङ । छांभिমসজিদের দক্ষিণ দ্বারে খৃষ্টীয় সপ্তম শতাধির শিলালিপিতে মৌখরিবংশীয় ঈশ্বরবর্ধার নাম আছে, তস্থার প্রমাণিত হয় যে, মুসলমানষ্টিগের বহুপূৰ্ব্বে ঐ স্থলে একটা সুসমৃদ্ধ হিন্দুনগর ছিল । • নদীতীরস্থ দুর্গের বিষয়ে প্রবাদ আছে, ঐ খানে করার নামে এক রাক্ষস বাস করিত, রামচন্দ্র উহাকে বিনাশ করেন। এখনও লোকে ঐ দুর্গকে করারকোট বলিয়া থাকে এবং করারবারের পূজা করে । দুর্গের উত্তরে করারবীরের একটা মন্দির আছে। জৌনপুরনগরে শর্কি রাজাদিগের নিৰ্ম্মিত বহুসংখ্যক মসজিদ বিদ্যমান। এই সকলের মধ্যে হাসেন প্রতিষ্ঠিত জামিমসজিদ সৰ্ব্বাপেক্ষা বৃহৎ ও মনোহর। ইহার ভিত্তি অন্যান্য মসজিদ অপেক্ষ অনেক উচ্চ। মসজিদের প্রস্তর সকল দৃষ্টে বোধ হয়, কোন হিন্দু মন্দিরের অংশ ছিল। অন্যান্য মসজিদের মধ্যে অতলা মসজিদ ইব্রাহিম শাহ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত। ৯ খানি শিলালিপি দ্বারা জানা গিয়াছে, ফিরোজ শাহ ১৩৭৬ খৃঃ অঙ্গে অতলাদেবীর মন্দিরের উপর ঐ মসজিদ আরম্ভ করেন এবং ১৪•৮ খৃঃ অব্দে ইব্রাহিম উহা শেষ করেন । ইব্রাহিম-নায়েব-বরাকের মসজিদ-ইহাই বর্তমান সকল মসজিদ অপেক্ষা পুরাতন। শিলালিপি দ্বারা জানা যায়, ১৩৭৭ খৃঃ অব্দে ফিরোজশাহের ভ্রাতা ইব্রাহিম-নায়েব-বাৰ্মাক কর্তৃক নিৰ্ম্মিত হয়। ইহার গঠন প্রণালী প্রাচীন বঙ্গীয় স্থাপত্যের সমান । মসজিদ খালিস্মুখলিস্-ইহাকে দরিব ও চরঙ্গুলীও কহে । বিজয়চন্দ্র ও জয়চ্চন্দ্রের মন্দিরের উপর ১৪১৭ খৃঃ অব্দে নিৰ্ম্মিত হয় । o নগরের উত্তরপশ্চিমে কিছুদূরে বেগমগঞ্জ নামক স্থানে বিবিরাজির মসজিদ বা লালদরজা মসজিদ আছে। মাস্ক - সাহের পত্নী বিবিরাজি ইহা প্রতিষ্ঠা করেন। নগরের কিছু দূরে চাচকপুর নামক স্থানে ইব্রামি-প্রতিঠিত ঝাৰরি-মসজিদেরকতক অংশ বিদ্যমান আছে।