পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/২৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জ্ঞান ঔষধপান আমার দুঃখনিবৰ্ত্তক, তাহারই ঐ সকল বিষয়ে ইচ্ছা জন্মে। আর যাহার ঐরূপ জ্ঞান না থাকে, তাহার কৰন্থই ঐ বিষয়ে ইচ্ছা জন্মে না। ইষ্টসাধনতা জ্ঞানের স্থায়, চিকীর্ষর আরও দুইট কারণ আছে। যথা—কৃতিসাধ্যতাজ্ঞান, আর বলবদনিষ্ট-সাধনত-জ্ঞানের অভাব । এই বিষয় আমি করিতে পারি, এইরূপ জ্ঞানের নাম কৃতিসাধ্যতাজ্ঞান । আর এই বিষয় করিলে আমার মহদনিষ্ট ঘটিবে, এইরূপ জ্ঞানের অভাবকে বলবদনিষ্ট-সাধনতা-জ্ঞানের অভাব বলে । দেখ, যোগাভ্যাস করা আমাদের কৃতিসাধ্য নহে, এইরূপ যাহাদের স্থিরনিশ্চয় আছে, তাহারা কখনই যোগাভ্যাসে প্রবৃত্ত হইতে পারে না । কিন্তু যোগাভ্যাস অনায়াসেই হইতে পারে, যোগিদের এইরূপ বিশ্বাস থাকাতেই তাহার যোগসাধনে রত হইয়া থাকেন । যে ব্যক্তি জানে যে, এই ফলটা সুমধুর বটে, কিন্তু সৰ্প দষ্ট হওয়াতে ইহা বিষাক্ত হইয়াছে, সুতরাং ইহা ভক্ষণ করিলে প্রাণহানি হইবে সন্দেহ নাই, সে ব্যক্তির কখনই সে ফলভক্ষণে প্রবৃত্তি জন্মে না । কিন্তু যাহার এ জ্ঞান না থাকে, সে তৎক্ষণাৎ এ ফলভক্ষণে অভিলাষী হয় । (স্তায়দর্শন ) জ্ঞায়তে অনেন, জ্ঞা-করণে লুটি । ৩ বেদ । ৪ শাস্ত্রাদি, যাহার দ্বারা জানা যায় । আত্মা মনের সহিত, মন ইঞ্জিয়ের সহিত ও ইন্দ্রিয় বিষয়ের সহিত সম্বন্ধ হইলে জ্ঞান জন্মে। বিবেচনা কর, একটী ঘট রহিয়াছে, দর্শনেন্দ্রিয় ঘটকে বিষয় করিল অর্থাৎ দেখিল, দেখিয়া মনের নিকট গিয়া বলিল, মন তখন আত্মাকে জ্ঞাপন করিল। তখন আত্মার জ্ঞান জন্মিল, আত্মা স্থির করিল ইহা একটা ঘট । “ত্বত্মনঃসংযোগএব জ্ঞানসামান্তে কারণম্।।” ( মুক্তাবলী ) জ্ঞান সামান্তের প্রতি ত্বত্মনঃসংযোগই একমাত্র কারণ, বিষয়ের সহিত ইঞ্জিয়ের, ইঞ্জিয়ের সহিত মনের, মনের সহিত আত্মার সম্বন্ধ এত দ্রুত হয় যে, তাহ বলিয়া শেষ করা যায় না। এক আঘাতে শত পত্র ছিদ্র করিলে, যেমন প্রত্যেক পত্রের ছিদ্র পরে পরে হইয়াছে, কিন্তু তাহা সময়ের স্বক্ষত বশত: অনুভব করা যায় না, তদ্রুপ বিষয় ইঞ্জিয় মন ও আত্মার সম্বন্ধ পর পর হইলেও স্থির করা যাইতে পারে না । ७क कांग्ण झूहे?ी दिशाग्नग्न ऊांन श्रऊ १itज़ न । भन অতিশয় স্বক্ষ, এই জন্ত তাহার দুইটী বিষয় ধারণা করিবার अंखि नाहे । "অযৌগপদ্মাজজ্ঞানানাং তস্তাগুঞ্জমিহেষ্যতে" (ভাষাপ ) মন অণু অর্থাৎ অতি সূক্ষ্ম, এই জন্ত জ্ঞানের অযৌগপদ্য, অর্থাৎ যুগপদ কোন জন হয় না, চক্ষুঃসংযোগ হইলেই যে, । [ చిలిసి ] उठ्न ख्ळांन श्ब्र, ऊांश नरङ् । भtन कद्र, भन ७कणै बिषग्न फ़िरू করিতেছে, কিন্তু দর্শনেক্রিয় (চক্ষু: ) একটী বিষয় দেখিল, দেখিবামাত্র কি তাহার জ্ঞান হইবে ? না, তাহা হইবে না । কারণ দর্শনেঞ্জিয়ের এমন কোন ক্ষমতা নাই যে, সে জ্ঞান জন্মাইতে পারে, তবে দর্শনেন্দ্রিয় গিয়া মনকে সংবাদ দিতে পারে ; মন, আবার আত্মার সহিত যুক্ত হইবে, পরে खांन छ्हे८व । “আত্মা মনসা যুজ্যতে, মন ইন্দ্ৰিয়েণ, ইন্দ্ৰিয়ং বিষয়েণ, তস্মাদধ্যক্ষং ইত্যুক্তদিশা জ্ঞানং জায়তে" (স্তায়দ" ) এই সম্বন্ধে লৌকিক একটা দৃষ্টান্ত দিলেই যথেষ্ট হইবে। মনে কর, একটী লোক অপর একটা লোকের সহিত সাক্ষাৎ করিতে গিয়াছেন, কিন্তু তাহার বাট যাইয়া দেখেন দ্বারদেশে দেীবারিকগণ নিরস্তর দ্বারদেশ রক্ষা করিতেছে, তিনি দ্বারদেশে বসিয়া থাকিয়া দ্বৌবারিক দ্বারা সংবাদ প্রেরণ করিলেন, দৌবারিক যাইয়া দেওয়ান্‌জীর নিকট সংবাদ দিল, দেওয়ান্‌জী নিজে যাইয় প্রভুকে সংবাদ দিল, প্রভুর তখন জ্ঞান জন্মিল যে, অমুক ব্যক্তি আমার সহিত সাক্ষাৎ করিতে আলিয়াছে, সেইরূপ চক্ষুঃ যাইয়া মনকে, আবার মন আত্মাকে সংবাদ দিল, তখন আত্মার জ্ঞান হইল। প্রত্যক্ষ, অনুমিতি, উপমিতি ও শব্দ এই চারি প্রকার প্রমাণ দ্বারা সকল প্রকার জ্ঞান হয়। “প্রত্যক্ষমপু্যমুমিতিস্তথোপমিতিশবাজঃ” ( ভাষাপ" ) চক্ষুরাদি ইন্দ্রিয় দ্বারা যথার্থরূপে বস্তু সকলের যে জ্ঞান হয়, তাছাকে প্রত্যক্ষজ্ঞান বলে। এই প্রত্যক্ষজ্ঞান ৬ প্রকার— ভ্ৰাণজ, রাসন, চাক্ষুষ, ত্বাচ, শ্রাবণ ও মানস । ঘ্ৰাণ, রসনা, চক্ষু, ত্বক, শ্রোত্র আর মন এই ৬টা জ্ঞানেন্দ্রিয় দ্বারা যথাক্রমে উল্লিখিত ছয় প্রকার প্রত্যক্ষজ্ঞান জন্মে। গন্ধ ও তদগত সুরভিত্বাদি ও অসুরভিত্বাদি জাতির ঘ্রাণজ প্রত্যক্ষাত্মক-জ্ঞান হয়। মধুরাদি রস ও তদগত মধুরত্বাদি জাতির রাসন, নীলপীতাদিরূপ ও ঐরূপবিশিষ্ট দ্রব্য নীলস্ব পীতত্ব প্রভৃতি জাতি, ঐ সকল রূপবিশিষ্ট দ্রব্যের ক্রিয়ায় চাক্ষুষ, শীতউষ্ণাদি স্পর্শ ও তাদৃশ স্পর্শবিশিষ্ট দ্রব্যাদি স্বাচ, শব্দ ও তদগত বর্ণস্ব ধ্বনিত্বাদি জাতির শ্রাবণ, এবং সুখ ও দুঃখাদি আত্মবৃত্তিগুণের আত্মার ও সুখত্বাদি জাতির মানস-প্রত্যক্ষাজুক-জ্ঞান হয় । ব্যাপ্য পদার্থ দর্শন করিয়া ব্যাপক পদার্থের যে জ্ঞান হয়, তাহাকে অনুমিতিজ্ঞান কছে । যে পদার্থ থাকিলে যে পদার্থের অভাব না থাকে, তাহাকে তাহার ব্যাপক কহে । যথা— কোন স্থানেই বহি ব্যতিরেকে ধূম থাকে না বলিয়৷ ধুম বহ্নির ব্যাপ্য এবং যে স্থানে ধুম থাকে, সে স্থানে বহির অভাব থাকে