পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/৩২০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


क्ब्र { সায়াহ্নে ও আহারের পর জরবেগের বৃদ্ধি, হাত ও পায়ের তলা অতিশয় উষ্ণ এবং পরিশেষে ঘৰ্ম্ম ও উদরাময় প্রকাশিত হয়। এই জরে রোগী ক্রেমশঃই ক্ষয় প্রাপ্ত হইতে থাকে । অনেক চিকিৎসক মনে করেন এই রোগ দৌৰ্ব্বল্য অথবা প্রদাহজনিত অবসাদ হেতু জন্মে। কেহ কেহ বলেন, উদর, হৃদরোগ ও গুটিল রোগের সহিত ক্ষয়জর সম্বন্ধ । ক্ষয় কাসরোগেও ইহা উৎপন্ন হয়। সাধারণতঃ পু্যসঞ্চয়, ক্ষত, বহুদিনস্থায়ী প্রদাহ, কোন ক্ষরণযন্ত্রের প্রদাহ, শারীরিক ঝিল্লীর কোনরূপ পরিবর্তন প্রভৃতি এই রোগের কারণ। এই জরের প্রথমাবস্থায় শরীর পাণ্ডু ও ক্ষীণ, মধ্যাহ্নে ও সায়াহে নাড়ী অতিশয় বেগবতী, সীমান্ত পরিশ্রমেই নিঃশ্বাস অতি দ্রুত ও গাত্ৰচৰ্ম্ম অত্যস্ত উষ্ণ হয়। জরের বেগ প্রথমতঃ অল্পপরিমাণেই বৃদ্ধি পায়—সায়ংকালে অতিশয় বৰ্দ্ধিত হইয়া পড়ে। রোগী জ্বরের পূৰ্ব্বে শীত এবং পরে উষ্ণতা অনুভব করে। গাত্ৰচৰ্ম্ম প্রথমে গুস্ক থাকে, পরে ঘৰ্ম্মসিক্ত হয়। ংকালীন উপসর্গগুলি প্রাতঃকালে আর দেখা যায় না। প্রথমাবস্থায় রোগীর কোষ্ঠবদ্ধ থাকে, উদরাময় আসিয়া দেখা দেয়। মূত্র কখন পাণ্ডু, কখন বা অতিশয় রঞ্জিত হয় ; কখন কখন মূত্রের নিম্নভাগে চুর্ণবৎ পদার্থ দেখা যায়। রোগ যতই বৃদ্ধি হইতে থাকে, ততই গণ্ডদেশে অধিক সময় রক্তবর্ণ লক্ষিত হয়। নলী ও গলদেশ লোহিত, শুষ্ক এবং প্রদাহযুক্ত, জিহবা পরিষ্কার রক্তবর্ণ মন্থণ ও কণ্টকপূন্ত, শেষে ওষ্ঠ ও নলীদেশের ক্ষত হইতে রস নিৰ্য্যাস, চক্ষু কোটরগত, কিন্তু উজ্জল, সমস্ত অবয়ব ক্ষীণ ও কৃশ, ললাটদেশ সঙ্কুচিত প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়। ক্রমে রোগীর চুল উঠিয়া যায়, গুলফ ও পদে শোথ দেখা দেয়, মুনিদ্রা হয় না । তাহার শরীয় সৰ্ব্বদাই অবসন্ন বোধ হয় ; কিন্তু উত্তেজনার হ্রাস হয় না। পরিশেষে উদরাময় প্রবল হইয়া উঠে । রোগী ঘন ঘন শ্বাস ছাড়িতে থাকে ও এত দুৰ্ব্বল হইয়া পড়ে যে, অনেক সময় রোগী কথা কহিবার বা উপবেশন করিবার উপক্রম করিবার কালেই মৃত্যুমুখে পতিত হয়। এই রোগী শেষাবস্থায় কখন কখন প্রলাপ বকিতে থাকে । শ্বাসযন্ত্রের বিকৃতি হেতু যে প্রকার ক্ষয়জর উৎপন্ন হয়, তাহাতে শ্বাসকৃচ্ছ, নিষ্ঠীবন, কাস প্রভৃতি উপসর্গ বিদ্যমান থাকে । অনেক ভিষৰূ ক্ষয়জরের তিনটী অবস্থা বর্ণন করিয়াছেন ;১, এই অবস্থায় ক্ষুধা ও বল সংপূর্ণরূপে নষ্ট হয় না ও জরবিরামকাল বুঝিতে পারা যায়। ২, এই অবস্থায় নাড়ী সচরাচর দ্রুত ও জরবৃদ্ধিকালে অতিশয় দ্রুত, রোগীর হাত ও পায়ের তলা অতিশয় উষ্ণ ও অবসাদ-উৎপাদক ঘৰ্ম্মোদগম छ्ब्र [ ساده ، ] णक्रिङ इग्न, cब्रां★ी अडि बैौखहे क्लनं श्हेब्रीं श्रृंtफ़ ।। ७, ७हे कांtण छेनब्रांमब्र, नंग्रैौ८ब्रब्र निब्रांशप्नं cशांथ, अङाख् कृत्रड ७ অতিশয় বলহানি হয় । , ক্ষয়জর নানাভাগে বিভক্ত—১, পাকস্থলীগত ২, বক্ষঃস্থলগত, ৩, জননেস্ক্রিয়গত, ৪, রক্তগত, ৫, ত্বকসম্বন্ধীয় ইত্যাদি। s otrgstofs (Gastri-hectic) șwstą fortni, মুখ শুষ্কতা, অগ্নিমান্য, উদগার, বুক জালা প্রভৃতি বিস্তুমান থাকে। ক্রমে রোগী অতিশয় কৃশ ও পাণ্ডু এবং তাহার নিঃশ্বাসে দুৰ্গন্ধ হয়। অবশেষে ক্ষয়জরের সমস্ত লক্ষণ প্রকাশ পায়। বালকগণ এই রোগে আক্রাস্ত হইলে नांक फूछे, तंग्निकtउन ७ झभि निर्शभ इहेब्रां थां८क । ২ কণ্ঠনলীক্ষত, কণ্ঠনলী কিংবা উপজিহবার প্রদাহ, বিভিন্ন প্রকার বায়ুনলীপ্রদাহ, ফুসফুসের কোনরূপ বিকৃতি, কিংবা বক্ষবরণের পরিবর্তন হেতু বক্ষঃস্থলগত (pectoral) ক্ষয়জর জন্মে । ৩ অতিরিক্ত মৈথুন, অথবা হস্তমৈথুন ও মূত্রযন্ত্রের উত্তেজনা হেতু জননেন্দ্রিয়গত (genital) ক্ষয় জর উৎপন্ন হয়। জননেন্দ্রিয়ের উত্তেজনা অথবা ফুসফুসের পীড়া হেতু যে ক্ষয়জর উৎপন্ন হয়, তাহাতে হস্তমৈথুনে বলবতী ইচ্ছা জন্মে ও এইজন্তই এই রোগ অতিশয় দুঃসাধ্য । ৪ ফুসফুস অথবা পরিপাচক শ্লৈয়িক ঝিল্লী হইতে রক্ত নির্গত হইতে থাকিলে IFETATF (hæmorrhagic) *I জর প্রকাশিত হয়। ৫ ষে সমস্ত কারণে পাকস্থলীগত ক্ষয়জর উৎপন্ন হয়, তাহার সহিত গাত্রে উদ্ভেদ বর্তমান থাকিলে চিকিৎসকগণ তাহাকে ত্বকৃগত (cutaneous) ক্ষয়জর বলিয়া থাকেন। এতদ্ব্যতীত আর একপ্রকার ক্ষয়জর সাধারণতঃ দৃষ্ট হয়, তাহা মানসিক চিন্তা হেতু উৎপন্ন। কোন প্রধান অভিলষিত বিষয়ে সৰ্ব্বদা চিন্তা করিলে, দুঃখ হেতু সৰ্ব্বদা চিন্তামগ্ন থাকিলে অথবা প্রিয়বস্তুর অভাব হেতু সৰ্ব্বদা দুঃখ প্রকাশ করিলে জীবনীশক্তি ক্রমশঃ ক্ষয় প্রাপ্ত হইতে থাকে । দুৰ্ব্বল ব্যক্তিগণ উক্তরূপ অবস্থাপন্ন হইলে তাহদের যকৃৎ ও ফুসফুসাদি যন্ত্র বিকৃত হইয়া কঠিন ক্ষয়জর উৎপাদন করে । শারীরিক মালিন্ত ও কৃশতা, জ্বরের বিবৃদ্ধি, অনিদ্রা, দেৰ্বিল্য, ঘন ঘন নিঃশ্বাস, শ্বাসকৃচ্ছ, কাস, প্রাতঃকালে ঘৰ্ম্ম, ফুসফুস বিকৃতি প্রভৃতি লক্ষণ ক্রমে ক্রমে প্রকাশিত হইয়া রোগ সঙ্কট হইয়া পড়ে । , , ক্ষয় জর অধিক দিন স্থী হয়। যে কারণে এই রোগ . উৎপন্ন হয়, তাহা নিবারণ করিতে না পারিলে রোগীর প্রাণ