পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/৫৬২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তমলুক গঙ্গার পশ্চিম মোহানার নিকটস্থ তমলুকের অধিবাসী शि*It'क अभणिक्षु वां ङमनिरपुं करश् । f তমলুক অতিশয় সমৃদ্ধিশালী বলিয়া অনেক পুস্তকে বর্ণিত আছে । - রত্নাকর নামে তমলুকে একটী সহর ছিল । এই নামের অস্তিত্ব ক্রমেই লোপ পাইতেছে । রত্নাকর নামেই প্রাচীন তমলুকের ধনশালিতার যথেষ্ট পরিচয় প্রদান করে । ७३ फे*निडाcशव्र छू-भब्रिभ१ ७२• दर्शभाईण । हेशद्र অধীনে ১৫২২ খনি গ্রাম আছে। ১৮৫১ খৃঃ মন্সের নবেম্বর মাসে তমলুক উপবিভাগে পরিণত হইয়াছে। এখানে ৫১৫ ५ीक द्र छमि छांब्रीब्र श्रt८छ् । 駕 ২ উক্ত তমলুক উপবিভাগের সদর। অক্ষা ২২° ১৭ ••র্ণ উঃ, এবং দ্রাঘি" ৮৭° ৫৭' ৩০" পূঃ, মেদিনীপুর জেলার দক্ষিণপুৰ্ব্ব অংশে ও রূপনারায়ণ নদীর উপর অবস্থিত। তমলুক সছরে মিউনিসিপালিটির বন্দোবস্ত আছে । এই স্থানে বিভিন্ন ধৰ্ম্মাবলম্বী লোক বাস করে ; হিন্দুর সংখ্যা সৰ্ব্বাপেক্ষা অধিক । তমলুক সহর মেদিনীপুর জেলার প্রধান বাণিজ্য-কেন্দ্র । আধুনিক ইতিহাসে তমলুক বৌদ্ধদিগের একটা বন্দর ৷ বলিয়া বর্ণিত হইয়াছে। খৃঃ ৫ম শতাব্দীর পুৰ্ব্বভাগে প্রসিদ্ধ চীনপরিত্রাজক ফাছিয়ান এই স্থান হইতে অর্ণব-মানে আরোহণ করিয়া সিংহলে গমন কবিয়ছিলেন। ইহার ২৫ বর্ষ। পরে হিউএন সিং; তমলুকে আসিয়াছিলেন। তিনিও । তমলুককে বৌদ্ধধৰ্ম্মের লীলাক্ষেত্র বলিয়। উল্লেখ করিয়াছিলেন । তাহার বর্ণনাপীঠে অবগত হওয়া যায় যে, এই স্থানে বহুসংখ্যক বৌদ্ধ মঠ ও বৌদ্ধসন্ন্যাসী এবং মহারাজ অশোক নিৰ্ম্মিত ২৫০ ফিটু উচ্চ একটী স্তম্ভ ছিল । বৌদ্ধ ধর্শের অবনতির পরও এই স্থান সামুদ্রিক বাণিজ্যের আগার । ৰলিয়া বর্ণিত আছে । বহুসংখ্যক ধনাঢ্য বণিক ও জাহাজ- | ধিকারী এই বন্দরে বাস করিত। নীল, তুত, পশম এবং ! বঙ্গ ও উড়িষ্যার বহুমূল্য দ্রব্যাদি প্রাচীন তমলুক নগর হইতে বিদেশে রপ্তানি হইত। পূৰ্ব্বে নগরের নীচেই সমুদ্র প্রবাহিত । ছিল ; সমুদ্র দূরে সরিয়া গেলেও ইহার বাণিজ্যের বিশেষ ক্ষতি হয় নাই। ৬৩৫ খৃঃ অন্ধে হিউএন সিয়াং এই নগরের | নিয়েই সমুদ্র দেখিয়াছিলেন ; কিন্তু এখন সমুদ্র নগরের ৬• ! भाश्ण भू८ङ्ग गब्रिज्ञा भिग्राप्छ् । अत्रीव्र ८भाशनाच्न भूखिकाखब्र | বুদ্ধি প্রাপ্ত হওয়ায় তমলুক এখন গঙ্গার নিকট হইতে দূরে । পড়িয়াছে। কৃষকগণ কূপ ও পুষ্করিণী খনন করিবার সময় ১• হইতে ২০ ফিটের মধ্যে অনেক সামুদ্রিক গুক্তি পায় । | প্রাচীন ময়ূরবংশের শাসনকালে পরিখা ও দৃঢ় প্রাচীর ६ब्र॥ ८१हेिड कब्रिग्रा४ माहेण फूभिद्र $श्रब्र ब्राबदा?ी निर्ऋ१ ه و 4 f J তমলুক করা হইয়াছিল। বৰ্ত্তমান কৈবৰ্ত্তরাজগণের প্রাসাদের পশ্চিমাসে উক্ত ময়ূরবংশের রাজবাটীর ধ্বংশাবশেষ দেখিছে *ांsप्र बांग्न ; ठेशव्र श्रश्न ८कांन छिझ नाहे । हेक वर्ड ब्रांछপ্রাসাদ রূপনারায়ণ নদীতটে ৩৯ একর জমীর উপর অবস্থিত । তমলুকের বর্গভীম ( কালী) দেবীর মন্দির সর্বাপেক্ষা প্রসিদ্ধ । এই মন্দির নিৰ্ম্মাণ সম্বন্ধে অনেকগুলি আখ্যায়িকা श्रt८छ् । निtभन वर्मनाफ़ी उमलूकब्र श्रथिकांश* अधिवानी বিশ্বাস করে । ময়ুরবংশীয় রাজা গরুড়ধ্বজের আদেশে একজন ধীবর রাজার ভক্ষার্থ প্রত্যহ শোলমাছ আনয়ন করিত। একদিন ধীবর দূরদৃষ্টবশতঃ প্রাণপণে চেষ্টা করিয়া ও শোলমাছ পাইল না। ইহাতে রাজা আতিশয় ক্রুদ্ধ হইয়। তাহার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিলেন। দরিদ্র ধীবর কোন উপায়ে কারাগার হইতে নিস্কৃতি লাভ করিয়া জঙ্গলে পলায়ন করিল। এই স্থানে ভীমদেবী তাহার সম্মুখে অবিভূতি হইয়া দুঃখের কারণ জিজ্ঞাসা করিলে সে যথাযথ সমস্ত প্রকাশ করিল । বর্গভীমা তাহকে কতকগুলি মাছ ধরিয়t শুকাইয়। রাখিতে বলিলেন । দেবী একটা কুপের উল্লেখ করিয়া ধীবরকে জানাইলেন যে, এই কুপের জল প্রক্ষেপ করিলে তাহার ইচ্ছামত মাছ জীবিত হইবে । ধীবর দেবীর অনুগ্রহে উক্ত উপায়ে প্রত্যহ রাজীকে মাছ যোগাইতে লাগিল । সকল সময়েই ধীবর মাছ আনিতেছে, ইহা দেখিয়া রাজা অতিশয় চমৎকৃত হইলেন এবং কি উপায়ে মাছ অনিতে সমর্থ হইতেছে ইহা তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলেন । সে প্রথমে এই গুহ বিষয় প্রকাশ করিতে অসম্মত হইল ; কিন্তু পরিশেষে রাজার ভয়ে সেই মৃতসঞ্জীবক কূপের কথt বলিল। ভীমদেবী ধীবরের গ্রতি অনুগ্রহ পরবশ হইয়া তাহার বাটতে বিরাজ করিতেছিলেন ; কিন্তু কুপের বিষয় প্রকাশ করায় ক্রুদ্ধ হইয়া তিনি ধীবরের গৃহ হইতে অস্তুষ্ঠিত হইলেন এবং প্রস্তর মূৰ্ত্তি ধারণ করিয়া উপবেশনাবস্থায় কুপের মুখের নিকট রছিলেন । ধীবর রাজাকে কুপট দেখ+ ইয়া দিল। রাজা কুপের নিকট যাইতে পারিলেন না ; তিনি সেই প্রস্তরমূৰ্ত্তির উপর একটা মন্দির নিৰ্ম্মাণ করাইলেন । সেই মন্দিরই বর্তমান বর্গভীমার মন্দির। কথিত আছে, এই কূপে কোন দ্রব্য নিক্ষিপ্ত হইলে তাছ। স্বর্ণে পরিণত হইত। দেবীর মন্দিরট রূপনারায়ণ নদীর তটে প্রতিষ্ঠিত । ব্ৰহ্মপুরাণে লিখিত অাছে যে, বিশ্বকৰ্ম্ম আসিয়া এই মন্দির নিৰ্ম্মাণ করিয়াছিলেন । [ তাম্রলিপ্ত দেখ। } আবার তমলুকের বর্তমান কৈৱৰ্ত্তবংশীয় রাজগণ বলে