পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/৫৯৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


や5新顎 হয় ; কিন্তু অবিলম্বেই উহার নড়িতে থাকে এবং সজীবতার প্রমাণ প্রদর্শন করে । কিন্তু এইরূপে অকালে নিদ্রাভঙ্গ করিলে ইহারা অধিকক্ষণ জীবিত থাকে না, শীঘ্রই মরিয়া যায়। যপ সময়ে আপন হইতে কাটিয়া ইহার সুন্দর প্রজাপতিরূপে বাধির হয় । r গুটি সকল সম্পূর্ণরূপে নিৰ্ম্মিত হইলে রক্ষকগণ উহাদিগকে তুলিবার জন্ত অপেক্ষা করিতে থাকে। উছার অভি: | জ্ঞতা দ্বারা কখন গুটি পরিপক্ক ও ভাঙ্গিবার উপযুক্ত তাহা । অনায়াসেই ঠিক করিতে পারে। এই সময়ে শুদ্ধ কোষমণ্ডিত তরুরাজিবহুল বনভূমি পৰ্যাপ্ত ফলশোভিত ফলে | দ্যানের স্থায় শোভা পাইতে থাকে। যখন কোষ কাটিয়া ! দুই একটা পোকা পলাইবার উপক্রম করে, তখন রক্ষকগণ । গুটি সংগ্ৰহ করিয়া বাড়ী লইয়া আসে । কিন্তু কীট জীবিত | গffকলেই গুটি কাটিয়া পলায়ন করিবে, সেই ভয়ে ঐ সকল গুটি গরম জলে সিদ্ধ করিয়া অভ্যন্তরস্থ কীট মারিয়া ফেলে। একটা হাড়ীর ভিতর কিঞ্চিৎ জল ও ক্ষার দিয়া তন্মধ্যে গুটি সকল রাখিয়া অগ্নিতে সিদ্ধ করা হয়। যে গুটি গুলিকে সিদ্ধ করা হয় না, সে গুলি অ্যাও বলিয়া প্রসিদ্ধ। এই গুটিই সৰ্ব্বোৎকৃষ্ট । ইহাকে মুদলগুটি কহে । এই গুটি অত্যন্ত । কঠিন, এমন কি সজোরে টিপিলেও নত হয় না । অপেক্ষাকত নিকৃষ্ট গুটির নাম ডার, বগুই, জড়-ই। যে সকল গুটীর মুখ কাটিয়া বাহির হইয়া যায়, উহার রাসকাটা, আমপেতে, ! বেড়ের, ধূকে, ফুকি প্রভৃতি নামে আখ্যাত হয় । আর | যে সকল গুটি পরিপক্ক হইবার পূৰ্ব্বেই অকালে ভগ্ন হইয়া | সিদ্ধ হয়, তাহারা অতি কোমল এবং সহজেই তোবড়া ইষ্টয়া ! যায় । ইহার নিতান্ত অপদার্থ এবং অতি অল্পমূল্যে বিক্রীত : श्इंग्र थारक । कार्छ। खछेि ७fग ७कदाप्न नटे श्ब्र! यग्नि नt । । কীটগুলি গুটির বোটার নিকট স্বতা ঠেলিয়া বাহির হইয়া गांध्र । श्उज्ञांश् खेश ३३ष्ठ श्रृंडा भी७ब्रा बाग्न । शिश्रौगिक, মূধিকাদি কর্তৃক কম্ভিত হইলে কোষ অকৰ্ম্মণ্য হইয়া যায়। আষাঢ় শ্রাবণে অামপেতে, ভদ্রে মুদল, আশ্বিনে মুগা, ; কীৰ্ত্তিকে ডাব, অগ্রহায়ণে বগুই, পৌষ ও মাঘে জাড়ই । গুটি উৎপন্ন হয় । গুটি সমস্ত সংগ্রহ করা হইলে উহাদিগকে উৎকর্ষ অমুসারে বাছিয়া পৃথক করা হয়। পরে ঐ সমস্ত গুটি বাজারে दिल्लीउ श्हेब्र था:क । क्वाहेदाग, निरङ्कम, भानङ्ग यङ्गठि জেলায় এবং ধলভূম, শিখরভূম, তুঙ্গভূম প্রভৃতি স্থানের ব্যৰ | সায়িগণ নিকট হইতে ঐ সকল গুটি ক্রয় ! করিয়া লয়। উছার আবার বাকুড়, বিষ্ণুপুর, মেদিনীপুর, । { ৫৯৬ ] তসর সোণামুখী, মান কর, বাকুড়ার নিকটস্থ রাজগ্রাম প্রভৃতি স্থান হইতে আগত ব্যবসায়ী বা তাহাদিগের পাইকারগণের নিকট বিক্রয় করে । এই দালাল ও পাইকারগণ অনেক সময় অধিক লাভের প্রত্যাশায় গ্রামে গ্রামে ঘূরিয়া ঘূরিয়া এই সকল গুটি সংগ্ৰহ করিয়া বেড়ায় ; কিন্তু অধিকাংশ গুটিই নিকটস্থ হাটে বিক্রীত হইয়া থাকে। তসরগুটি সংগ্রহের সময় ঐ সকল হাট পূৰ্ব্বোক্ত স্থান হইতে বহুসংখ্যক ব্যবসায়ীর সমাগম হইয়া থাকে। চাইবাসার অন্তর্গত হলুদপুকুর নামক হাটে এবং বগুড় গুড়া নামক স্থানে বিস্তর পরিমাণে এই সকল গুটির ক্রয় বিক্রয় হইয়া থাকে । বিক্রয় জন্য হাটে গুটি আসিলে বিক্রেতা ঐ সমস্ত গুটি পৃথকৃ পৃথক স্ত,পে সজ্জিত করে। ক্রেতা এক এক স্ত,প হইতে যথেচ্ছ এক মুষ্টি গুটি লইয়া উহাদিগকে পরীক্ষা করে। ইহাকে চাখ বা চাথতি কর। কহে, ঐ কয়েকটা গুটির চার্থতিতে যেরূপ ঔৎকর্ষ বা অপকর্ষ দাড়ায় সমস্ত স্ত,প সেইরূপ ধরিয়া লগু{{ হয়। পরে এক এক স্তপের মূল্য নিৰ্দ্ধারণ করা হইয়া থাকে। বলা বাহুল্য, এইরূপে তসরের ছোট বড় ইত্যাদি আকার, অক্ষুণ্ণতা, পুষ্টত প্রভৃতির গুণানুসারে মূল্যের কমবেশী হইয়া থাকে। অনেক সময় এই অরণ্যবাসী তসরবিক্রেতাগণ ধূৰ্ত্ত দালাল ও পাইকের দ্বারা বিশেষরূপে প্রতারিত হইয়া থাকে । ংখ্যা গণনা দ্বারাই এই সকল গুটির মূল্য নিৰ্দ্ধারিত হয় । ওজনদ্বারা বিক্রয় করিবার রীতি নাই । পাইকার বা দালালগণ খুচরা কিনিবার সময় গণ্ডা পণ দরে কিনিয়া থাকে। গণনার নিয়ম ৪টাতে গগুi ২৪ গগুtয় পণ এবং ১ ৬ পণে কাহন। অনেকে আবার ৫ টীতে গণ্ড ধরিয়া তদনুসারে পাক পণ পাকা কাহন ইত্যাদি ধরিস থাকে। বড় বড় ইটে যখন বহুসংখ্যক গুটির ক্রয় বিক্রয় হয়, তখন মার সমস্ত গণিয়া উঠা সম্ভব হয় না । এই সময় কুত অর্থাৎ অনুমান দ্বারা এক এক স্ত,পের সংখ্যা নির্ণয় করা হয় । কিন্তু অধিক সংখ্যা হইলে ও অনেক সময় গণনা করাই শ্ৰেয়ঙ্কর বিবেচিত হয়। সংখ্যা স্থির হইলে উহাদের মূল্য নিৰ্দ্ধারিত হয় । তসর ভাল না জন্মিলে উৎকৃষ্ট প্রকার গুটির দর প্রতি কাহন ১২২ হইতে ৭ টাকা পৰ্য্যস্ত, মধ্যম প্রকারের গুটির ৭\ হইতে ৫ টাকা এবং নিকৃষ্ট প্রকারের मब्र अठि काश्न ५९ फेक श्tउ ७९ फ़ेाका °{ाख श्इंग्र! থাকে। আর সুবৎসরে অর্থাৎ উত্তম গুটি জন্মিলে সৰ্ব্বোৎइछे ७छेिन नब्र २९ एहे८उ ७९ फेॉक, भ५Jtभन्न भग्न १९ श्हेtउ ৫ টাকা এবং নিকৃষ্ট প্রকারের ৪২ হইতে ২ টাকা পৰ্য্যন্ত হইয়া থাকে। বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত ও শীতঋতুতেই তসর