পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/৬০৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ਚਿ। ইহার ব্রাহ্মণ বর্ণ। এই রূপে রাশির স্বরূপ ও বর্ণ জানিয়া জ্যোতিঃশাস্ত্রের গণনা করিবে, এই জন্ত প্রথমে রাশির স্বরূপ অভিহিত হইয়াছে । • 錢 বৎসরের শুভাশুভ ফল পরিজ্ঞানার্থ বর্ধপ্রবেশ সময় নির্ণয় | জন্ম সময়ে রবি যে রাশির যত অংশাদিতে অবস্থিতি করেন, পুনৰ্ব্বার রবি যে সময়ে সেই রাশির তত অংশাদিতে আগমন করেন, সেই সময়ই বর্ষপ্রবেশ-সময় । রবিন্ধট স্থির করিয়াও বর্ষপ্রবেশ সময় নির্ণয় করা যায়। পরে বর্ষপ্রবেশে তিথ্যানয়ন, বর্ষপ্রবেশে যোগানয়ন, বর্ষ প্রবেশে গ্রহশ্ব টানয়ন, চন্দ্ৰশ্ব টানয়ন, প্রাঙ্নত ও পশ্চাল্পত দওনিয়ন। লগ্নখও, লগ্নকুণ্ডলী ও ভাবকুণ্ডলী, পঞ্চবৰ্গ, দ্রেক্কানচক্র, উচ্চ নীচ কথন, লগ্নথওীচক্র, বলনিরূপণ, দ্বাদশ বর্গবিবরণ, ক্ষেত্রচক্র, হোরাচক্র, চতুর্থাংশচক্র, পঞ্চমাংশচক্র, ষষ্ঠাংশচক্র, সপ্তাংশচক্র, অষ্টমাংশচক্র, নবtংশচক্র, দশমাংশচক্র, একাদশাংশচক্র, দ্বাদশাংশচক্র, ভাবচিন্তা, বর্যাধিপানয়ন, গ্রহের স্বরূপ দৃষ্টি প্রকরণ, দৃষ্টিসাধন, মৈত্রীভাব, নক্তযোগ, বর্ষপ্রবেশ, দশানিরূপণ, মাস প্রবেশনিয়ম, অস্তুদশানয়ন, বর্ষরিষ্ট, বিচাররিষ্টভঙ্গ, ভাববিচার, ধনভাব, সহজভাব, চতুর্থভাব, পঞ্চমভাব, যষ্ঠভাব, সপ্তমভাব, অষ্টমভাব, নবমভাব, দশমভাব, একাদশভাব, দ্বাদশভাব ও রবি প্রভৃতি দশার বিষয় বিশেষরূপে বর্ণিত আছে । আর কতকগুলির বিষয় বর্ণিত আছে, তাছাদের নাম সংস্কৃত বলিয়া বোধ হয় না, আরবী বা পারসী হইতে গৃহীত । নিম্নে ইহাদের নাম প্রদত্ত হইল । হদাবিবরণ, মুস্থানয়ন, ষ্টক্কবালযোগ, ইন্থিস্থাযোগ, ইখশালযোগ, ঈসরাফযোগ, নক্তযোগ, যময়াযোগ, মনুৰ্ত্তযোগ, কৰ্ম্মলযোগ, গৈরিকবুলযোগ, খরাসরযোগ, রদাযোগ, ছকালিকুত্যযোগ, দুয়োখ্য দবীখযোগ, তবীখযোগ, কুখ্যযোগ, ও দুরখষোগ, এই ১৬টী ষোড়শযোগ, সহমনাম, সহম ৫০ প্রকার, সহমসাধন, সহমদল, মুস্থাভাবফল । তাজিয়া, মৃতব্যক্তির জন্ত বিলাপ-করণ ও শোক প্রকাশ । মহরমকালে মুসলমানগণ সামান্ত উপকরণে হুসেন ও হাসনের কবরের যে প্রতিমূৰ্ত্তি প্রস্তুত করিয়া বহিয়া লইয় বেড়ায়, ভারতবর্ষে তাহাকেই তাজিয়া কহে। পারস্তদেশে মহরমকালে অলৌকিক বর্ণনাযুক্ত অনেক নাটিকাদি রচিত হয়। এইগুলি তথায় তাজিয়া নামে পরিচিত। আমেরিকা মহাদেশেও তাজিয়া শব্দ প্রচলিত আছে। এ দেশ হইতে যে সমস্ত কুলি উক্ত মহাদেশের ভিন্ন ভিন্ন স্থানে গিয়াছে, তাছার আমেরিকায় তাজিয়া কথা ব্যবহার [ bed ) उॉक्लक করিয়া থাকে। মহরমই এই কুলিদিগের প্রধান পৰ্ব্ব, হিন্দু কুলিগণও মহরমকে প্রধান পৰ্ব্ব বলিয়া গণ্য করে। ১৮৮৪ খৃঃ অবো ,ত্রিনিদাদের কোন একটী সহন্ত্রের মধ্য দিয়া তাজিয়া লইয়া যাইতে নিষেধাজ্ঞা প্রচারিত হয়। ইহাতে পরিশেষে একটা ভীষণতম ঘটনা ঘটে । মহরমকালে অনেক মুসলমান তাজিয়া প্রস্তুত করে। অনেক ফকীর ও অন্যান্ত লোক বিবিধ পরিচ্ছদে সুসজ্জিত হইয়া বক্ষঃস্থলে করাঘাত করিতে করিতে তাজিয়ার পশ্চাৎবৰ্ত্তী হয়। অনেক মরাঠী সরদারকে তাজিয়া প্রস্তুত করিতে দেখা যায়। ইহার ব্রাহ্মণ-বংশীয় নহে। ব্রাহ্মণ সরদারগণ তাজিয়া নিৰ্ম্মাণ করেন । ভারতবর্ষে জুনাগড়াদি অঞ্চলে তাজিয়া লইয়া হিন্দু ও মুসলমানদিগের সহিত ঘোরতর দাঙ্গা হাঙ্গামা বাধে । [ মহরম দেখ } } তাজিয়াখানা, অপর নাম অম্বরখানা, মুসলমানদিগের মধ্যে শোকাগার । তাজী ( পারসী ) ১ অশ্ববিশেষ, একজাতীয় ঘোটক । ২ জাতি বিশেষ । তাটঙ্ক (পুং) তাড়াতে তাড় পৃষো ডস্ত টঃ তথাভূতোংস্কং চিহ্নং যন্ত বহুব্রী। কর্ণাভরণবিশেষ, কর্ণের অলঙ্কার । তাটস্থ্য (ক্লী) তটস্থম্ভ ভাব ধঞি । ১ ঔদাসীন্ত ! ই নুৈপর্ণ নিকটবর্তিতা । তাড (পুং ) চুরাদি তড় ভাবে অচ। ১ তাড়ন, প্রহর । રજનન কৰ্ম্মণি আছ । ৩ শব্দ । ৪ মুষ্টিপরিমিত তৃণাদি । ৫ পৰ্ব্বত। ৬ হস্তের অলঙ্কার বিশেষ ' ৭ তালবৃক্ষ । তাড়ক (ত্রি) তাড়-কন। তাড়নকারী, গ্রহারকারী। তাড়কজঙ্গল [ তাড়কা দেখ। ] তাড়ক (স্ত্রী) রাক্ষসী ভেদ, সুকেতু নামে কোন পরাক্রম শালী যক্ষ অনপত্যতা হেতু ব্ৰহ্মার উদেশে কঠোর তপস্যা করেন। ব্রহ্মা তপস্তায় প্রীত হইয়া তাহাকে বরপ্রদান করেন। মুকেতু ব্ৰহ্মার এইবরে কন্যারত্ব প্রাপ্ত হন, এই কষ্ঠা ব্ৰহ্মার বরে সহস্র হস্তীর তুল্য বলশালিনী ছিল । জম্ভনন্দন মুন্দের সহিত ইহার বিবাহ হয় । মহামুনি অগস্ত্য কোন কারণে ক্রুদ্ধ হইয়া সুন্দকে বিনাশ করেন। তাহাতে এই রাক্ষসী ক্রুদ্ধ হইয়া মারীচ নামক স্বীয় পুত্রকে সঙ্গে লইয়া অগস্ত্যকে ভক্ষণ করিতে উষ্ঠত হয় । তাহাতে তিনি ক্রুদ্ধ হইয়াসভিশাপ প্রদানপূর্বক ইহারে হই জনকে স্বাক্ষসৰ প্রদান করেন। তাহতে এই রাক্ষসী তাহার তপোবন নষ্ট করিয়া প্রাণীশূন্ত অরণ্যে পরিণত করে। সেই অরণ্য