পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/৬১২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তাড়িত { ৬১০ गषिङ कब्रिट्न फेछष्ग्रन्न भाषा श्रृङ्गलग्न दिक्षीण cनथा गाग्न। সুতরাং দেখা যাইতেছে— (১) কাচের তাড়িত কাচের ত্বাড়িতকে বিকর্ষণ করে বা ঠেলিয়া দেয় । ( ২ ) গtলার তাড়িত গলার তাড়িতকে বিকর্ষণ করে লা ঠেলিয়া দেয়। (৩) কাচের তাড়িত গালার তাড়িতকে আকর্ষণ করে | বা টানিয়া লয় । এই সকল দেখিয় সিদ্ধান্ত হয় যে কাচের তাড়িত ও গালার তাড়িত বিরুদ্ধ বা বিপরীত ধৰ্ম্মযুক্ত। কাচের । তাড়িতকে ধন-তাড়িত ও গালার তাড়িতকে পাণ-তাড়িত বল প্রথা দাড়াইয়াছে । বীজগণিতের ধমরাশির সহিত ঋণ রাশির যে সম্বন্ধ, পা ওনার সহিত দেনার যে সম্বন্ধ, প্রবেশের সহিত নির্গমের বে সম্বন্ধ, পূৰ্ব্ব মুখে গতির সহিত পশ্চিমমুখে গতির যে সম্বন্ধ, ধন-তাড়িতের সহিত ঋণ-তাড়িতের ঠিক এইরূপ সম্বন্ধ। । দান ও গ্রহণ এক সঙ্গে চলিলে যেমন দান ও অধিক হয় ন}, গ্লখ৭ও অধিক হয় না ; অগ্রবর্তী হইয়া পাছু হঁটিলে যেমন আথে বা পশ্চাতে কোন মুপেই অধিক দূর গতি হয় না ; সেই রূপ ধন-তাড়িড়ে ঋ৭-তাড়িত যোগ করিলে অর্থাৎ ধনNজুডিস্তুের নিকট ঋণ তাড়িত আনিলে উভয়েরই স্বতন্ত্র ফল । সম্যক পরিমাণে লক্ষিত হয় না। আবার দশ টাকা দেন বাড়িলে ৪ যে ফল, দশ টাকা পাওনা থাকিলেও ঠিক্‌ সেই ফল ; সেইরূপ ধনতাড়িত খানিকটা বাড়িলে যে ফুল, ঋণ-তাড়িত সেই পরিমাণ কমিলেও ঠিক্‌ সেই ফল । কোন বস্তুতে ধন-তাড়িতের } অবিভাব হইয়াছে বলিলে যাহা বুঝিতে হইবে, তাহা হইতে ঋণতাড়িতের তিরোভাব হইয়াছে বলিলেও ঠিক্‌ তাহাই বুঝিতে হইবে। উভয়ের মধ্যে এই ভিন্ন অন্ত সম্বন্ধ । নাই । এই টুকু স্মরণ রাখিতে হইবে যে ধন-তাড়িত ক হইতে খয়ে গেল, অথবা ঋণ-তাড়িত থ হইতে কয়ে গেল, উভয় বাক্যই ঠিক সমানার্থবাচী । অার এক কথা ;–কাচের তাড়িতকে ঋণ না বলিয়৷ পন বলিবার পক্ষে কোন যুক্তি নাই। দুই রকম তাড়িতের মধ্যে এককে ধন ও অপরকে ঋণ বলিলেই চলিবে। কাচের তাড়িতকে ধন ও গালার তাড়িতকে ঋণ বলা প্রথা দাড়াইয়াছে মাত্র । { পরিচালক ও অপরিচালক পদার্থ।—তাড়িতক্রোন্ত কোন দ্রব্যকে শুষ্ক রেশমী স্থত। দিয়া শুষ্ক বালু মধ্যে বহু দিন l তাড়িত পৰ্য্যন্ত রাখা যায়, তাহার তাড়িতধৰ্ম্ম লুপ্ত হয় না । কিন্তু श्ड बनि छिछ। श्य, वा बाबू आई श्य, अथवा शंउ गिब्रा वा কোন ধাতু দ্রব্য দিয়া উহাকে স্পর্শ করা যায়, তাহা হইলে শীঘ্র তাড়িতধৰ্ম্মের লোপ হয় । শুষ্ক স্থতা ও বায়ু অপরিপালক এবং আর্দ্র স্থত, আর্দ্র বায়ু এবং মন্থষ্যের শরীর ও ধাতুপদার্থ তাড়িতের পরিচালক । অপরিচালকের ভিতর দিয়া তাড়িত অন্তর যাইতে পারে না ; পরিচালক পদার্থ তাড়িতের গমনে বাধা দেয় না। কাচ গালা প্রভৃতি অপরিচালক পদার্থের গায়ে যেখানে ঘর্ষণ হয়, তাড়িত ঠিক সেই থানেই আবদ্ধ থাকে ; ধাতুপদার্থের গায়ে এক স্থানে তাড়িতের বিকাশ হইলে উহা তৎক্ষণাং সৰ্ব্বত্র ব্যাপ্ত হয় । এই নিমিত্ত ধাতুপদার্থ দ্বারা তাড়িতকে আটুকাইয়া রাখিতে পারা যায় না। ধাতুপদার্থ তাড়িত সঞ্চিত ও আবদ্ধ করিয়া রাখিতে হইলে উহাকে শুষ্ক বায়ু মধ্যে শুষ্ক রেশমী স্থত। স্বারা টানাইয়া বা কাচ প্রভৃতি অপরিচালক পদার্থ নিৰ্ম্মিত দণ্ডের উপর বসাইয়া রাখতে হয় । বায়ু অধিক আদ্র থাকিলে কাচাদির গায়ে জল ও ময়লা জন্মে ; তখন তাহার গা বাহিয়া তড়িত অন্তক্ৰ চলিয়া যায় । কাচ, গালা, রেশম, পশম, বায়ু, ভুল, শুষ্ক কাষ্ঠ, শোল, কয়লা, গন্ধক, তৈল প্রভৃতি দ্রব্য অপরিচালক । ধাতুপদার্থ মাত্রই সাধারণতঃ উত্তম পরিচালক । মনুষ্যের শরীর পরিচালক । কোন দ্রব্যে তাড়িত থাকিলে স্পশ মাএ সেই তাড়িত অন্তভ্র চলিয়া যায় । পরিচালকের ধৰ্ম্ম।—পরিচালক পদার্থের অভ্যস্তরদেশে তাড়িতের ক্রিয়ার প্রকাশ হয় না । সাধারণতঃ হালকা দ্রব্যের নিকট তাড়িত সঞ্চিত হইলে ঐ সকল দ্রব্য তাড়িতের অভিমুখে আকৃষ্ট হয় ; স্থলবিশেষে অগ্নির লিঙ্গ প্রভৃতি তাড়িতের অন্তরূপ ক্রিয়াও দেখা যায়। আকর্ষণ, বিকর্ষণ, অগ্নি স্ফলিঙ্গের উৎপত্তি প্রভৃতি তাড়িতে বিবিধ ক্রিয়া দেখিয় তাড়িতের বিকাশ ও অস্তিত্ব বুঝা যায়। কিন্তু কোন ধাতুময় দ্রব্যের অভ্যন্তরে এইরূপ কোন ক্রিয়ারই প্রকাশ পায় না, অর্থাৎ একটা টিনের বাক্সর বা লোহার খাচার ভিতর হালকা দ্রব্য বা তড়িদীক্ষণযন্ত্র প্রভৃতি রাখিয়া দিলে বাক্সের বা খাচার বাহিরে প্রভূত পরিমাণে তাড়িতের সঞ্চয় থাকিলেও সেই সকল হালকা দ্রব্যের উপর বা তড়িম্বীক্ষণ যন্ত্রের উপর উহার অণুমাত্র প্রভাব দেখা যায় না । মাইকেল ফারাদে একটা প্রকাণ্ড কাঠের বাক্স রাস্তৃতায় মুড়িয়া যন্ত্ৰযোগে তাহাতে প্রভূত তাড়িতের সঞ্চয় করিয়া স্বয়ং তড়িম্বাক্ষণাদি লইয়া সেই বাক্সের ভিতরে প্রবেশ করেন। বাক্সের বাহির