পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/৬৪৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তাপ ইহাকে একপ্রকার অতি স্বল্পপদার্থ বলিয়া মনে করিতেন, কিন্তু নব্যেরা বলেন, তাপ স্বতন্ত্র পদার্থ নহে। তাহারা প্রমাণ করিয়াছেন, জড়াত্মক অণুসমূহের কম্পনই তাপ । তাছাদের মতে জড় পদার্থের পরমাণু সকল ইথর বা আকাশ নামক যে একপ্রকার বিশ্বব্যাপী সুক্ষ পদার্থে পরিবেষ্টিত তাহারই আন্দোলনে জড়দ্রব্যের অণু, সকল আন্দোলিত হইলে তাপ উৎপন্ন হয়। বাহা হউক তাপের প্রকৃতি বিষয়ে এই দুইট প্রধানতমমত প্রচলিত অাছে, তন্মধ্যে শেষোক্তটাই • সৰ্ব্বত্র পরিগৃহীত হইয়াছে। ১ম। তাপ একটা স্বক্ষতম অদৃপ্ত তরল পদার্থ ইথর ( Ether ) । ইহা সকল স্থলে এবং সকল বস্তুর সহযোগে অবস্থান করিতে এবং প্রয়োজন বশতঃ আধার সেই সকল হইতে পৃথক্ভূত হইতে সমর্থ। এইরূপ সহযোগে এবং বিচ্ছেদে প্রসারণ, গলন প্রভৃতি তাপের ক্রিয় লক্ষিত হইয়া থাকে। ২য়। তাপ অণু সকলের কম্পন জাত। যখন কোন বস্তুর অণু সকল কম্পিত হইতে থাকে, তখন তাহাকে স্পর্শ করিলে সেই কম্পন আমাদের স্নায়ুতে আসিয়া আঘাত করে এবং তাছাতেই আমাদের উষ্ণ স্পর্শামুভব হয় । আরও সেই কম্পন যে শুদ্ধ অণুসকলেই অবস্থান করে, এমন নহে। সেই অণু সকলের অবাস্তর প্রদেশস্থিত ইথরের মধ্যেও বর্তমান থাকে । এই শেষোক্ত মতই এখন বিশেষ যুক্তিসিদ্ধ বলিয়া বোধ হইতেছে । কারণ এই সংসারে যত কিছু পদার্থ দৃষ্টিগোচর হইতেছে, প্রকৃত ধরিতে গেলে সকলই অনবচ্ছিন্ন গতিশীল । বস্তুতঃ প্রকৃত স্থিতি কাহারও নাই, স্থিতিশীল এরূপ কাহাকেও বলিতে পারা যায় নাই। তবে সেই গতি কোন কোন স্থলে প্রত্যক্ষ হয় এবং কোন কোন স্থলে বা অনুমিত হয়। সেই গতি আবার বলের অন্তরূপ মাত্র । সেই বল আবার আত্মগত বা অন্সলভ্য হইতে পারে। যাহা হউক সেই গতি বা বল হইতে তাপ জন্মে। পদার্থে পদার্থে সংঘর্ষণে তাপের উৎপত্তি হয়। যে সকল অণুর সংযোগে সেই সেই পদার্থ জন্মিয়াছে, তাহীদের চলনে বা পরম্পর সংঘর্ষণে তাপের উৎপত্তি । বস্তুতে আঘাত করিলে বস্তু উষ্ণ বোধ হয়, সুতরাং যত অধিক বলপ্রয়োগ করা যাইবে, তত অধিক তাপ জন্মিবে। • বাষ্পীয় শকট বা বাষ্পীয়যানের বাষ্প ইহার নিদর্শন স্বরূপ। যখন সেই তাপ অবস্থাস্তর প্রাপ্ত হয়, অর্থাৎ যখন তাহাকে আবার কোনরূপ গতি সমুৎপাদনে.প্রবৃত্ত कब्र दांब्र, उ५न छां* श्रांयांब्र छि८ब्रॉश्ठि इब्र । " [ ' ७8२ ] उांन wetzo estfoota (Sources of heat) awa তাপের উৎপত্তি-স্থানের বিষয় বিবৃত হইতেছে । যতগুলি তাপগ্রস্তব পদার্থ আছে, তাহদের মধ্যে স্বৰ্য্য একটা প্রধানতম। স্বৰ্য্যের তাপ পৃথিবীতে পড়ে এবং তাপের সমুদায় কাৰ্য্য, সেখানে দৃষ্ট হয় / গ্রীষ্মকালে অধিক তাপ অনুভূত হয়, সেই সময়ে উদ্ভিজ্জগণের পরিবর্দ্ধনাদি তাপের ক্রিয়া লক্ষিত হয় । তাপ পৃথিবীতে পতিত হইয়া পৃথিবীকে উত্তপ্ত করে, পৃথিবীস্থ সমুদয় পদার্থ উত্তপ্ত হয় । কিন্তু তাহ পৃথিবীর অভ্যস্তরে হাত ক এক মাত্র প্রবেশ করে বলিয়া অনেকে গ্রীষ্মকালে মাটির ভিতর ঘর নিৰ্ম্মাণ করিয়া থাকে। রেলগাড়ীর রাস্তায় রেলের যেখানে পরস্পর সংযোগ, সে স্থলে গ্রীষ্মকালে অধিক তাপের সময় পরিসরণ হইবে বলিয়া একটু একটু ফাক করিয়া রাখা হয় । এই সময়ে নানাবিধ ফল পরিপক্ক হয় । এই সময় তাপের আধিক্য হয় বলিয়া পরিশোষণ ক্রিয়ার বিশেষ লক্ষণ দেখিতে পাওয়া যায় । খাল, বিল প্রভৃতি শুকাইয়া যায়। স্বৰ্য্যব্যতীত সংঘর্ষণ (friction), পেষণ, সংঘটন (percussion", রাসায়নিক ক্রিয় প্রভৃতি ইহারাও তাপপ্রভব। তাড়িত ও দহন ইহার উক্ত রাসায়ণিক ক্রিয়ার অন্তপরিণতি মাত্র । ঐ সকল হইতেও তাপের উৎপত্তি হয় । সংঘর্ষণ। বস্তুতে বস্তুতে সংঘর্ষণ হইলে তাপের উৎপত্তি হয়। কাষ্ঠে কাষ্ঠে সংঘর্ষণ হইলে তাপের উৎপত্তি হয় । হাতে হাতে ঘর্ষণ করিলে হাত উত্তপ্ত হয়। কাচের শিশির ছিপি বদ্ধ হইয়া গেলে রজ্জ্বদ্বারা শিশির গলায় ঘর্ষণ করিলে সে স্থান উত্তপ্ত হইয়া প্রসারিত হয়, সুতরাং ছিপি খুলিয়া যায় । বরফে বরফে ঘর্ষণ করিলে বরফ গলিয়া যায় । ডেভি সাহেব পরীক্ষা করিয়া দেখিয়াছেন, রেলের উপর কলের গাড়ীর চাকার ঘর্ষণে অগ্নিস্ফূলিঙ্গ লক্ষিত হইয়া থাকে। পাছে ঘর্ষণে তাপ জন্মে ; এই জন্তই কলের গাড়ীতে झर्ति बादशङ श्हेब्र! था८रू । ७ अङ्कहे कप्णङ्ग जभूलङ्ग अत्र প্রত্যঙ্গ যথাযোগ্যরূপে বিনিযোজিত হইয় থাকে । সংঘটন । সংঘর্ষণ এবং পেষণ এই উভয়ের একত্র সংঘটন। চকুমকির পাথরে চকমকি দিয়া অগ্ন্যুৎপাত হইয়। থাকে। কৰ্ম্মকারের হাতুড়ি দিয়া লৌহ পিটিবার সময় লৌহ উত্তপ্ত হয় । ब्रागोग्रनिक क्लिग्न । वज्र८उ यस्त्राउ भिणिज्र श्हेप्ण cय নূতন প্রকার বস্তুর স্বষ্টি করে, তাহাকে রাসায়নিক ক্রিয় বলা যায়। অনেক সময়ে ইহাতে অগ্ন্যুৎপাত হয়। যদিও সময়ে সময়ে ইহা প্রত্যক্ষ্মীভূত হয় না। চুণে জল দিলে, জলে