পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/৭৫৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তিথি পায়সযোগেন বা ক্ষয়ং ভবেৎ ) এইরূপ করিয়াছেন । এবং মন্ত্ৰ বচনের স্থলে (অতোহর স্বতরাং শূদ্ৰস্তাপ্যধিকার ) এইরূপ বলিয়াছেন । 撼 d আশ্বিন মাসের দশম দিন পর্য্যন্ত হস্তানক্ষত্রের অধিকার, অর্থাৎ ১০ দিন পর্য্যস্ত হস্তানক্ষত্রে সুর্য্য থাকেন । তাহাতে যদি মঘানক্ষত্র যুক্ত কৃষ্ণাত্রয়োদশী হয়, তবে তাহাকে গঙ্গচ্ছায়াযোগ কহে। তাহাতে উক্ত শ্রাদ্ধ করিলে পূৰ্ব্বাপেক্ষা ফলাধিক্য হয় । ইহাতে বিভক্ত অবিভক্ত প্রভেদ নাই, অর্থাৎ জ্যেষ্ঠ কনিষ্ঠ সকলেই করিতে পারে । যেমন বার্ষিক একোদিষ্ট শ্রাদ্ধে জ্যেষ্ঠ কনিষ্ঠের ভেদ নাই, ইহাতেও সেই প্রকার। এই শ্রান্ধে পুত্রবাল্ব ব্যক্তির পিণ্ড দান করিতে নাই । যে শ্রান্ধে পিগুদান নিষেধ হয়, সেই প্রান্ধে স্বধাবচন (“স্বধাং ঘাচয়িয্যে” ) পাঠ করিয়া পবিত্র মোচন করিবে না । কিন্তু ইহাতে অগ্নিদগ্ধার পিণ্ড দিতে হইবে। বারুণী—চৈত্র মাসের শতভিষানক্ষত্রযুক্ত কৃষ্ণাত্রয়োদশীকে বারুণী কহে । ইহাতে গঙ্গাস্নান করিলে শতসূৰ্য্য গ্রহণকালীন গঙ্গাস্নানের ফল প্রাপ্ত হয় এবং ইহাতে যদি শনিবার যোগ হয়, তবে ইহাকে মহtধারণী কহে । ইহাতে স্নান ক রিলে কোটিস্থৰ্য্যগ্রহণকালীন স্নানের ফল লাভ হয় । আর যদি শনিবারে শতভিষানক্ষত্র শুভযোগের সহিত সংযুক্ত হয়, তাহাকে মহামহাবারুণী কছে, এই মহামহাবারুণীতে গঙ্গাস্নান করিলে তিন কোটি কুল উদ্ধার হয় । এস্থলে ফন্ধনের মুখ্যচন্দ্র ৪ চৈত্রের গৌণচন্দ্ৰ থাকিলেও স্নানের সঙ্কল্প করিতে হইলে চৈত্র মাসের উল্লেখ হইবে। সধবা স্ত্রীলোক বারুণীতে স্নান করিবে না এবং সামান্ত শতভিষা অর্থাৎ পূৰ্ব্বোক্ত প্রকার যোগাদি অপ্রাপ্তে যে শতভিষা তাহাতেও স্নান করিবে না । শতভিষানক্ষত্রযুক্ত চন্দ্রে যে নারী স্নান করে, সে নিশ্চয়ই সপ্তজন্ম বিধবা ও হতভাগিনী হয় । বারুণীতে স্নানে fদবারাত্র সন্ধ্য। বিচার নাই, অর্থাৎ কি দিন, কি রাত্রি, কি যন্ধ্যা, যখন তিথিনক্ষত্রের সমাগম হইবে, তখনই মান कब्रिtङ इ३८व । यै निcभ গৃহস্থিত গঙ্গাজলে স্নান করিলেও অশ্বমেধের ফল হয় । চৈত্র মাসের ত্রয়োদশীতে মদনের পূজা করিতে হয় । চৈঞ্জ মাসের শুক্লাত্রয়োদশীতে যে মদনের পূজা করিয়া ব্যঞ্জন করে, তাহার সম্বৎসর কোন বিপদ হয় না। . চতুদশী-শুক্লাচতুৰ্দ্দশী পূর্ণিমাযুক্ত ও কৃষ্ণাচতুর্দশী এদেশীযুক্ত হইলে গ্রহণীয়। কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী এবং চতুর্দশী উপবাসী ধর্ঘ্যে পরছি ত্যাগ করিয়া পুৰ্ব্ববিদ্ধাতে করিবে: [ १¢२ ] féfər जrtर्छद्र कृषभध्फूर्कलौब्र मांभ गांबिल्लीकडूर्कनौ। ७३ চতুর্দশী তিথিতে অবৈধব্য কামনায় স্ত্রীগণ শ্রদ্ধা ও ভক্তি দ্বার সাবিত্রীব্রত করিবে । এই ব্ৰত অনন্তচতুর্দশীর ন্যায় ১৪ বৎসর করিতে হয় ।" সাবিত্রীব্রত পরবিদ্ধ কর্তব্য । যদি দুই দিনেই ব্ৰত কাল পায়, তবে পরদিনে ব্রত করবে। আর যদি উভয় দিনের প্রদোষ সময়ে চতুর্দশী লাভ ন হয়, তবে পরদিনে ব্ৰত কfরবে, ব্রতের কাল প্রদোষ, অর্থাৎ রজনীমুখ সময়ে করিবে । ‘চতুৰ্দগুমমাবাস্ত যদা ভবৃতি নারদ। " উপোদ্য পূজনীয় সা চতুৰ্দ্দপ্তাং বিধানতঃ ॥” (জ্যোতিষে) ভাদ্রমাসের কৃষ্ণপক্ষীয় চতুর্দশীকে অঘোরাচতুর্দশী কহে । ইহাতে শিবপূজা ও উপবাস করিলে শিবলোক গ্রাপ্তি হয়। ভাদ্রমাসের শুক্লাচতুর্দশীকে অনস্তচতুর্দশী কহে। এই অনন্তচতুর্দশীতে ব্ৰত করিলে সৰ্ব্বকাম ও সৰ্ব্বফল লাভ হয়। ঐ অনন্তব্রতের নিমিত্ত পুজাহোমাদি করিতে হয়। এ ব্রত পুৰ্ব্বাত্নকালে না করিতে পারিলে মধ্যাহ্নকালে করিলেও ব্রত সিদ্ধ হইবে । § কাৰ্বিকের কৃষ্ণপক্ষের উদয়গামিনী চতুর্দশীর নাম ভূতচতুর্দশী। এই তিথিতে গঙ্গাস্নান, হোম ও তর্পণ করিতে হয় । অপামার্গ পল্লব মস্তকোপরি ভ্রমণ করাইবে এবং প্রদোষে দীপদান করিবে । ঐ তিথিতে দীপদান করিলে নরক হইতে উদ্ধার হয় । আর যমতপণের যে সকল মন্ত্র আছে, সেই মন্ত্র বলিয়া এক এক উদ্দেশে তিলের সহিত তিনবার জল দান করিবে } অপামার্গ মস্তকোপরি ভ্রমণের মন্ত্র“শীতলোঞ্চসমাযুক্তসূকণ্টকদলান্বিত । হর পাপমপামার্গ ভ্ৰাম্যমান: পুনঃপুনঃ ॥” অগ্রহায়ণ মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীকে পাষাণচতুর্দশী কহে । এই তিথিতে রাত্রিকালে গৌরীর অর্চনা করিয়} পাষাণাকার পিষ্টক ভোজন করিয়া ব্ৰত করিবে । মাঘ মাসের কৃষ্ণ চতুর্দশীকে রটন্তীচতুর্দশী কহে। ইহাতে অরুণোদয় কালে স্নান করিলে যমভয় থাকে না । স্নান ও তর্পণে সকল পাপমুক্তি হয়। ঐ চতুর্দশীতে রটন্তীপূজা হয়। যদি ঐ তিথি চুইদিনেই অরুণোদয় কাল পায়, তবে পূৰ্ব্বদিনে স্নান ও আর যেদিনে সন্ধ্যামুখ পাইবে সেইদিনে রটন্তীপূজা করিবে। ঐ রটন্তীপূজা পৌষের গেীশচন্দ্র ও মাঘের মুখ্যচক্ৰ হইবে । भाघ भाद्रनग्न c*tषहे इडेक श्राद्र कारुन भाप्लग्न थ५८भहे হউক কৃষ্ণাচতুর্দশী তিথিৰে শিবচতুর্দশী যুৎ এবং