পাতা:বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিশ্বপরিচয় পরস্পরকে প্রদক্ষিণ করছে । এর মতে আমাদের সূর্যেরও একটি জুড়ি ছিল । ঘুরতে ঘুরতে আর একটা ভবঘুরে জ্যোতিষ্ক এসে এই অনুচরের গায়ে পড়ে ধাক্ক। মেরে তাকে অনেকদূরে ছিটকে ফেলে দিয়ে চলে গেল । চলে যেতে যেতে পরস্পর আকর্ষণের জোরে মস্ত বড়ো একটা জ্বলন্ত বাম্পের টানা সূত্র বের হয়ে এসেছিল ; তারই ভিতর মিশিয়ে গিয়েছিল এদের উভয়ের উপাদানসামগ্রী । এই বাস্পসূত্রের যে অংশ সূর্যের প্রবল টানে আটকা পড়ে গেল সেই বন্দী-করা গ্যাসের থেকেই জন্মেছে আমাদের গ্রহমণ্ডলী । এর আয়তনে ছোটো ব’লেই ঠাণ্ড হয়ে আসতে দেরি করলে না ; তাপ কমতে কমতে গ্যাসের টুকরোগুলো প্রথমে হোলো তরল, তার পর আরো ঠাণ্ড হোতেই তাদের শক্ত হয়ে ওঠবার দিন { Fةى এ-কথা মনে রেখে এ-সকল আন্দাজি মতকে নিশ্চিত প্রমাণের মধ্যে ধরে নেওয়া চলবে না । বলা আবশ্যক, সূর্যের সমস্তটাই গ্যাস । পুথিবীর যেসব উপাদান মাটি ধাতু পাথরে শক্ত, তাদের সমস্তই সূর্যের মধ্যে প্রচণ্ড উত্তাপে আছে গ্যাসের অবস্থায় । বর্ণলিপিযন্ত্রের রেখাপাত থেকে তার প্রমাণ হয়ে গেছে । কিরীটিকার অতি সূক্ষ্ম গ্যাস-আবরণের কথা পূর্বেই বলা হয়েছে । সেই স্তর পেরিয়ে যত ভিতরে যাওয়া যাবে, ততই 이 3