পাতা:বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গ্রহলোক বেশি ব’লেই এর গড়পড়ত। ওজন আয়তনের তুলনায় এত কম । এর ভিতরের কঠিন অংশের ব্যাস ২৪ ০০০ মাইল, তার উপরে প্রায় ৬০ ০০ মাইল বরফ জমেছে—আর তার উপরে আছে ১৬০ ০০ মাইল হাওয়া । শনিগ্রহের পরের মণ্ডলীতে আছে য়ুরেনস নামক এক নতুন-খবর-পাওয়া গ্রহ । এ গ্রহ সম্বন্ধে বিশেষ বিবরণ কিছু জানা সম্ভব হয়নি । এর আয়তন পৃথিবীর ৬৪ গুণ বেশি। সূর্য থেকে ১৭৮ কোটি ২৮ লক্ষ মাইল দূর থেকে সেকেণ্ডে চার মাইল বেগে ৮৪ বছরে একবার তাকে প্রদক্ষিণ করে । এত বড়ো এর আয়তন কিন্তু খুব দূরে আছে বলে দুরবীন ছাড়া একে দেখা যায় না । যে জিনিসে এ গ্রহ তৈরি তা জলের চেয়ে একটু ঘন, তাই পুথিবী থেকে বহু গুণ বড়ো হোলেও, এর ওজন পৃথিবীর (; <이 지 | ১০ ঘণ্টা ৪৩ মিনিটে এ গ্রহ একবার ঘুরপাক খাচ্ছে । চারিটি উপগ্রহ নিজ নিজ পথে ক্রমাগত একে প্রদক্ষিণ করছে । যুরেনস আবিষ্কারের কিছুকাল পরেই পণ্ডিতের যুরেনসের বেহিসাবি চলন দেখে স্থির করলেন, এ গ্রহ পথের নিয়ম ভেঙেছে আর একটা কোনো গ্রহের টানে। খুজতে খুজতে বেরোল সেই গ্রহ। তার নামকরণ হোলে নেপচুন। সূর্য থেকে এর দূরত্ব ২৭৯ কোটি ৩৫ লক্ষ মাইল, প্রায় So S