পাতা:বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরমাণুলোক আমাদের সজীব দেহ কতকগুলি বোধের শক্তি নিয়ে জন্মেছে, যেমন দেখার বোধ, শোনার বোধ, ভ্রাণের বোধ, স্বাদের বোধ, স্পর্শের বোধ। এইগুলিকে বলি অনুভূতি । এদের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের ভালোমন্দ লাগা, আমাদের স্থখতুঃখ । আমাদের এই সব অনুভূতির সীমানা বেশি বড়ো নয় । আমরা কতদূরই বা দেখতে পাই, কতটুকু শব্দই বা শুনি । অন্যান্য বোধ গুলিরও দৌড় বেশি নয় । তার মানে আমরা যেটুকু বোধশক্তির সম্বল নিয়ে এসেছি সে কেবল এই পৃথিবীতেই আমাদের প্রাণ বাচিয়ে চলার হিসাবমতে । আরো কিছু বাড়তি হাতে থাকে । তাতেই আমরা পশুর কোঠা পেরিয়ে মানুষের কোঠায় পৌছতে পারি। যে নক্ষত্র থেকে এই পৃথিবীর জন্ম, যার জ্যোতি এর প্রাণকে পালন করছে সে হচ্ছে সূর্য। এই সূর্য আমাদের চারদিকে আলোর পর্দা টাঙিয়ে দিয়েছে। পৃথিবীকে ছাড়িয়ে জগতে আর যে কিছু আছে তা দেখতে দিচ্ছে না । কিন্তু দিন শেষ হয়, সূর্য অস্ত যায়, আলোর ঢাকা যায় সরে ; তখন অন্ধকার ছেয়ে বেরিয়ে পড়ে অসংখ্য নক্ষত্র । বুঝতে